আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্য গতিশীল করতে ৭ দিন স্থলবন্দর খোলা

- Advertisement -

বেনাপোল-পেট্রাপোল স্থলবন্দর দিয়ে ভারত-বাংলাদেশের মধ্যে আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্য গতিশীল ও পাসপোর্টধারী যাত্রী সেবা বাড়াতে সপ্তাহে ৭ দিন ২৪ ঘণ্টা কার্যক্রম সচল রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ভারত সরকার। দুই দেশের সম্মতিক্রমে খুব দ্রুতই যৌথভাবে এ সেবা চালু হচ্ছে। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এমন সেবা চালুর ফলে ব্যবসায়ীরা যেমন উপকৃত হবেন, তেমনি দুর্ভোগ কমবে যাত্রীদের। তবে এ সেবা বাস্তবায়ন করতে হলে প্রয়োজনীয় অবকাঠামো ও জনবল বাড়ানো দরকার বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। তবে আপাতত এ সেবা পরীক্ষামূলক ৩ মাস চলবে, পরে তা স্থায়ী হবে।

করোনা পরিস্থিতিতে দীর্ঘদিন বন্ধ রাখা হয় বেনাপোল-পেট্রাপোল স্থলবন্দর দিয়ে আমদানি-রপ্তানি। তবে পরিস্থিতি উন্নতি হওয়ায় বর্তমানে সপ্তাহে ৬ দিন আমদানি রপ্তানির পাশাপাশি সকাল-সন্ধ্যা পাসপোর্টধারী যাত্রীও যাতায়াত করছে এ পথে।

এদিকে এখনো পুরোপুরি স্বাভাবিক না হওয়ায় গতি ফেরাতে পেট্রাপোল স্থলবন্দরে সপ্তাহে ৭ দিন ২৪ ঘণ্টা কার্যক্রম সচল রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ভারত সরকার। বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে আলোচনা করে খুব শিগগিরই এ সেবা চালু করবে দেশটি।

এ বিষয়ে যাত্রীরা বলেছেন, এ সিদ্ধান্তের ফলে আমরা যারা ভারতে যাই তারা বেশ উপকৃত হব।

২৪ ঘণ্টা যাত্রী যাতায়াতের সুযোগ হলে দুর্ভোগ কমবে পাসপোর্টধারী যাত্রীদের। পাশাপাশি সপ্তাহে ৭ দিন ২৪ ঘণ্টা বাণিজ্য সুবিধা বাড়ানো হলে বন্দরে পণ্যজট কমবে বলে জানিয়েছেন সিএন্ডএফ অ্যাসোসিয়েশনের নেতারা।

বেনাপোল সিঅ্যান্ডএফ স্টাফ এ্যাসোসিয়েশনের সেক্রেটারি সাজেদুর রহমান বলেছেন, এ সেবা চালু হলে ভারত-বাংলাদেশের মধ্যে পাসপোর্টধারী যাত্রীর ক্ষেত্রে সেবার মান বৃদ্ধি পাবে এবং যে ভোগান্তি ছিল, সেটাও রোধ পাবে।

ভারত সরকার কর্তৃক সপ্তাহে ৭ দিন ২৪ ঘণ্টা বাণিজ্য ও পাসপোর্টধারী যাত্রী সেবার বিষয়টি তারা মৌখিকভাবে জানতে পারলেও এখনো দাপ্তরিক কোন নির্দেশনা হাতে পাননি বলে জানিয়েছেন উপপরিচালক বেনাপোল স্থলবন্দর আব্দুল জলিল।

বেনাপোল স্থলবন্দরের এ কর্মকর্তা বলেছেন,বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে পাসপোর্টধারী যাত্রীদের ২৪ ঘণ্টা খোলা রাখার বিষয়ে ভারতীয় কর্তৃপক্ষ সিদ্ধান্ত নিয়েছে, তবে এ বিষয়ে আমরা লিখিতভাবে কিছু জানতে পারিনি।

প্রতি বছর বেনাপোল বন্দর দিয়ে ভারতের সঙ্গে প্রায় ৪০ হাজার কোটি টাকার আমদানি ও ৮ হাজার কোটি টাকার রপ্তানি বাণিজ্য হয়ে থাকে। এ পথে পাসপোর্টধারী যাত্রী যাতায়াত করে প্রায় ১৮ লাখ। আমদানি বাণিজ্য থেকে সরকারের ৬ হাজার কোটি টাকা এবং পাসপোর্টধারী যাত্রীর কাছ থেকে প্রায় ১০০ কোটি টাকার রাজস্ব আসে।

এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

Leave a Reply

প্রতিবেদক

সর্বশেষ সংবাদ