আমরা সমস্ত বাংলাদেশে যোগাযোগের একটা নেটওয়ার্ক তৈরি করে দিচ্ছি ॥ প্রধানমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক ॥ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা (১২ মার্চ ২০২০)  সরকারি বাসভবন গণভবনে বলেন, আমরা সমস্ত বাংলাদেশে যোগাযোগের একটা নেটওয়ার্ক তৈরি করে দিচ্ছি। এটা সবক্ষেত্রেই কাজে লাগবে। আর সব থেকে বড় কথা, দক্ষিণাঞ্চলের মানুষেরা ছিল সবচেয়ে অবহেলিত। ভাঙ্গা পর্যন্ত যেতে হলে একসময় স্টিমার বা লঞ্চে যেতে হতো, আর আমাদের গোপালগঞ্জ যেতে হলে চব্বিশ ঘণ্টা লাগতো। আমি ১৯৮১ সালে যখন ফিরে আসি (বিদেশ থেকে), তখনও সেই অবস্থাই ছিল। আজকে আর সেই দিন নেই। আমরা ১৯৯৬ সালে সরকার গঠনের পর থেকে সারা বাংলাদেশের যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নের জন্য কাজ শুরু করি। আর দ্বিতীয়বার ক্ষমতায় এসে পরিকল্পনামতো সমগ্র বাংলাদেশে যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন করে যাচ্ছি।

আজ বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ ২০২০) বেলা ১১টার দিকে প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবনে এসব কথা বলেন। এসময় ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে দেশের প্রথম এক্সপ্রেসওয়ে ও জেলাভিত্তিক ২৫টি সেতুর উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী।

তিনি বলেছেন, আপনারা জানেন,পদ্মা সেতু নির্মাণ শুরু হতে না হতেই ওয়ার্ল্ড ব্যাংক আমাদের ওপর দুর্নীতির দোষারোপ করেছিল। আমি তাদের চ্যালেঞ্জ দিয়েছিলাম−দুর্নীতি হয় নাই। কানাডার কোর্টে তা প্রমাণিত হয়। এটা আমাদের জন্য অনেক বড় সম্মানের। এই ধরনের একটা অভিযোগ দিয়ে আমাদের চরমভাবে অসম্মান করা হয়েছিল। তাই এটাকে আমি চ্যালেঞ্জ হিসেবে নিয়েছি। নিজেদের অর্থায়নে সেতুর কাজ শুরু করি। পদ্মা সেতু ছিল আমাদের আত্মসম্মানের ব্যাপার। আমরা যে নিজেরা করতে পারি, এই একটা সিদ্ধান্তে সারা বিশ্বে বাংলাদেশের মানুষের ভাবমূর্তি বৃদ্ধি পেয়েছে।

আরও পড়ুন-এবার আলোচনায় খুলনার শ্রমিক লীগ নেত্রী সাদিয়া

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, পদ্মা সেতুটা কিন্তু একটি ভিন্নধর্মী দোতলা সেতু হচ্ছে। নিচ দিয়ে রেল যাবে, ওপর দিয়ে গাড়ি যাবে। পদ্মা নদীর মতো একটি খরস্রোতা নদীতে এ জাতীয় সেতু নির্মাণ করা একটা বিরাট ঝুঁকির ব্যাপার ছিল। কিন্তু আমরা সম্পূর্ণ নিজস্ব অর্থায়নে এই সেতু নির্মাণ করছি।

এসময় তিনি আরও বলেন, আমি প্রথমবার সরকার গঠন করে জাপান যাই। তখন পদ্মা ও রূপসা সেতু নির্মাণের জন্য তাদের অনুরোধ করেছিলাম। বঙ্গবন্ধুও ১৯৭৩ সালে জাপান সফরে গিয়ে যমুনা সেতু নির্মাণের কথা বলেছিলেন। তারই পরিপ্রেক্ষিতে যমুনা সেতু নির্মাণের ফিজিবিলিটি স্টাডি করে দেয় জাপান। যার পরিপ্রেক্ষিতে পরে যমুনা সেতু নির্মাণ করা হয়। পরে জাপানই পদ্মা সেতুর ফিজিবিলিটি স্টাডিও করে দেয়।

এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

1 COMMENT

Leave a Reply

লেখক

সর্বশেষ সংবাদ

%d bloggers like this: