এক স্বপ্নবাজ তরুণ সমাজ সেবক বাবলুর রশিদ বাবলু

- Advertisement -

“মানুষ মানুষের জন্য” এ কথাটির মর্মার্থ বুঝতে হলে মিশতে হবে একজন যুবকের সাথে। মানবতার দেয়াল তিনি নিজেই। ডিজিটাল বাংলাদেশর উন্নয়নের সাথে তাল মেলাতে না পেরে পিছিয়ে পড়া অবহেলিত মানুষের মানবতার ফেরীওয়ালা তিনি। নাম বাবলুর রশিদ বাবলু।

বাবলুর রশিদ বাবলু এর বাড়ি পঞ্চগড় জেলাধীন আটোয়ারী উপজেলার বলরামপুর ইউনিয়নের লক্ষীদ্বার গ্রামে। হিমালয় পলিটেকনিক ইন্সটিটিউট নামে একটি পলিটেকনিকের মেকানিক্যাল টেকনোলজির প্রশিক্ষক তিনি।

তার হিয়ার মাঝে মানুষের অধিকার পৌছে দেওয়ার বাসনা, মুখে থাকে প্রানবন্ত মন ভাল করে দেওয়া হাসি। সদা প্রানোবন্ত সাস্যোজ্জ্বল মানুষ তিনি। হাসি ছাড়া কথা বলেন না তিন কারোও সাথে। ঘুম থেকে উঠে ঘুমানোর আগ পর্যন্ত পরোপকারে নিজেকে নিয়োজিত রাখেন এই সুদর্শন যুবক। স্বপ্ন তার অসহায় মানুষের নিয়ে কাজ করার। তিনি সবসময় অসহায় অবহেলিত মানুষের সেবায় নিয়োজিত থাকেন। শুধু তাই নয় যে কোন সমস্যায় পাশে পাওয়া যায় তাকে।

তিনি পথশিশুদের খাবার বিতরণ করেন প্রতিনিয়ত,শীতে কম্বল নিয়ে ঘুরে বেড়ান দ্বারে দ্বারে।করোনা কালে তিনি মানবতার পরিচয় দিয়েছেন।অসহায় মানুষের মাঝে ত্রাণ,মাস্ক, স্যানিটাইজার ইত্যাদি প্রতিনিয়ত বিতরণ করেছেন। তিনি প্রতি ঈদে অবহেলিত শিশুদের নতুন পোশাক দিয়ে অসহায় মানুষের মুখে হাসি ফোটান। পথশিশুদের শীতের পোশাক সহ বিভিন্ন সুযোগ সুবিধা দিয়ে থাকেন।বৃক্ষরোপন,রক্ত ব্যবস্থা করে দেওয়া,শিক্ষা উপকরণ বিতরণ,খেলাধুলা সামগ্রী বিতরণ করে থাকেন,যুব সমাজকে মাদক থেকে দূরে রাখতে নিয়মিত আয়োজন করেন খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, বেকারমুক্ত সমাজ গড়তে যুবক যুবতীদের জন্য চালু করেছেন বিনামূল্যে কম্পিউটার প্রশিক্ষণ, অসহায় মহিলাদের সাবলম্বী করার জন্য ব্যবস্থা করেছেন ক্ষুদ্র খামার ব্যবস্থা ও সাবলম্বী স্টোর। গ্রামের রাস্তা ঘাটের সংস্কারে নিজের মাথায় তুলে নিয়েছেন মাটির ঝুড়ি, পরিচ্ছন্ন বাংলাদেশ গড়ার নিজ হাতেই পরিষ্কার করেন ময়লা আবর্জনা।

বাবলুর রশিদ বাবলু বলরামপুর ইউনিয়ন তথা দেশের একজন আইডল,হাজারো মানুষের শেষ আশ্রয়স্থল।

আপনি চিকিৎসা নিতে আর্থিক সংকটে আছেন। যদি এই সুদর্শন মনের মানুষ তা জানতে পারে ছুটে যায় তার পাশে খোজ খবর নিয়ে যাথার্থ আর্থিক সহায়তা প্রদান করতে মরিয়া হয়ে উঠেন। তিনি নিজে প্রতিষ্ঠিত করেছন, লাল সবুজ জনকল্যাণ যুব সংঘ । মানুষজন তাকে এক নামে তরুণ সমাজ সেবক,মানবতার ফেরিওয়ালা হিসেবেই।

তিনি বাংলা দর্পন পত্রিকাকে বলেন, মানবতার কল্যাণে কাজ করা আমাদের সকলে নৈতিক দায়িত্ব ও কর্তব্য।

একজন সুনাগরিক হিসেবে, সব সময় মানুষের কল্যাণে কাজ করতে পারলে নিজেকে উজার করে দিতে পারলে গরিবের মুখে হাসি ফুটাতে পারলে নিজেকে ধন্য মনে করবো।

আর আমরা যদি সকলেই দেশ ও জাতির কল্যাণে কাজ করতে শুরু করি তাহলেই আমরাই গড়তে পারি সোনার বাংলাদেশ এবং বিশ্বের বুকে সমৃদ্ধ শালী দেশ হিসেবে আত্ম প্রকাশিত হবে বলে মনে করি। আমি যতটুকু করছি এটি অতি নগণ্য আমি চাই আমাদের যুব সমাজ যদি স্বেচ্ছাসেবীতায় প্রতিদিন ৩০ মিনিট করেও সময় দেয় তাতেই নিজ এলাকা তথা বাংলাদেশকে বদলে দেওয়া সম্ভব বলে মনে করি।

এলাকাবাসী সহ গণ্যমান্য ব্যক্তিরা তার কাজে অতঃন্ত খুশি ও তার জন্য সবসময় মঙ্গল কামনা করেন।

এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

Leave a Reply

প্রতিবেদক

সর্বশেষ সংবাদ