ওমিক্রন নিয়ে উদ্বেগের কথা শোনাল বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা

- Advertisement -

ওমিক্রনের ক্রমবর্ধমান সংক্রমণের মধ্যে নতুন উদ্বেগের কথা জানাল বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)। নিশ্চিতভাবে না হলেও অনেকেই বলছেন, করোনার নতুর রূপ ওমিক্রন সংক্রামক হলেও তার ক্ষতি করার শক্তি কম। কিন্তু ডব্লিউএইচও অন্য কথা শুনিয়েছে।

ইউরোপে ওই সংস্থার আপদকালীন কর্মকর্তা ক্যাথরিন স্মলউড সতর্ক করে বলেছেন, ক্রমবর্ধমান ওমিক্রন সংক্রমণের বিপরীত প্রতিক্রিয়া হতে পারে।

কী সেই প্রতিক্রিয়া? স্মলউড সংবাদ সংস্থা এএফপিকে জানিয়েছেন, আমরা ভয়াবহ পরিস্থিতির মধ্যে রয়েছি। সংক্রমণের হার বিপুল হারে বাড়ছে। তবে এর প্রকৃত প্রভাব এখনো স্পষ্ট নয়। বিপদ অন্য জায়গা থেকে আসতে পারে বলে আশঙ্কা স্মলউডের। প্রবল সংক্রমণের মধ্যেই জন্ম নিতে পারে করোনার আরও ভয়াবহ কোনো রূপ।

ইউরোপে মহামারি শুরুর সময় থেকে মোট ১০ কোটি মানুষ আক্রান্ত হয়েছেন। তার মধ্যে গত বছরের শেষ সপ্তাহেই আক্রান্ত হয়েছেন ৫০ লাখ।

স্মলউড জানিয়েছেন, এখন ব্যক্তিগত স্তরে হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার ঝুঁকি অনেকটাই কমেছে। তবে ডেল্টার তুলনায় ওমিক্রনের আক্রান্তের সংখ্যা অনেক বেশি। এই পরিস্থিতিই নতুন করে কোনো রূপের জন্ম দিতে পারে।

করোনা সংক্রমণ ও মৃত্যুর পরিসংখ্যান রাখা ওয়েবসাইট ওয়ার্ল্ডওমিটারের তথ্যানুযায়ী, বাংলাদেশ সময় বৃহস্পতিবার (৬ জানুয়ারি) সকাল সাড়ে ৮টা পর্যন্ত পূর্ববর্তী ২৪ ঘণ্টায় বিশ্বে মারা গেছেন ৭ হাজার ২০০ জন। অন্যদিকে ২৪ ঘণ্টায় করোনা শনাক্ত হয়েছেন ২৫ লাখ ৩৪ হাজার ৪৭৩ জন; যা এখন পর্যন্ত সর্বোচ্চ আক্রান্ত।

এদিকে ২০২২ সালের জুলাইয়ের মধ্যে বিশ্বের প্রতিটি দেশের ৭০ শতাংশ মানুষকে টিকা দিতে পারলে করোনা মহামারি রোধ হবে বলে দাবি করেছেন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) মহাপরিচালক তেদরোস আধানম গেব্রেয়াসিস।

এর আগে গত ৩১ ডিসেম্বর ডব্লিউএইচও প্রধান বলেন, মহামারি রোধে টিকা বণ্টনে সমতা আনতে হবে। এর দুই দিন আগে তিনি বলেন, ডেল্টা ধরনের চেয়ে ওমিক্রন ধরনের বিস্তার অত্যন্ত উদ্বেগের। এতে করোনা সংক্রমণের সুনামি দেখা দিতে পারে।

এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

Leave a Reply

প্রতিবেদক

সর্বশেষ সংবাদ