কমরেড শ্যামল ভট্টাচার্য্য’কে যে ভাবে দেখেছি- রঞ্জন দে

২০০২ সালের জুন মাসের শুরুতে ‘সনি হত্যা কণ্ডের’ বিরুদ্ধে সারাদেশ উত্তাল। বুয়েটের শিক্ষার্থীদের ইতিহাস সৃষ্টিকারী সেই আন্দোলনের সময় সবে মাত্র রাজনীতিতে যুক্ত হয়েছি। বগুড়ার কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে প্রগতিশীল ছাত্র জোটের সংহতি সমাবেশ চলছে। সেখানেই প্রথম সাক্ষাৎ শ্যমল স্যার অর্থাৎ শ্যামল ভট্টাচার্য্যের সাথে। আমি শেরপুরে থাকার কারণে এর আগে কখনও তার সাক্ষাৎ হয়নি। প্রথম সাক্ষাতেই তেমন বুঝতে পারিনি তার জ্ঞানের গভীরতা। একটা সংহতি সমাবেশের বক্তব্যে একজন কে পরিমাপ করা যায় না এটাই স্বাভাবিক। তবে তার শুদ্ধ উচ্চারণ ভঙ্গি ও সাহিত্যেকের মতো গোছানো শব্দ চয়ন আমার দৃষ্টি আকর্ষণ করেছিল। সমাবেশ শেষে প্রায়াত কমরেড কৃষ্ণকমলের মাধ্যমে আগ্রহী হয়েই তার সাথে পরিচিত হই। তার পর থেকেই তাকে কাছ থেকে যতই দেখেছি ততই মুগ্ধ হয়েছি। তার সান্নিধ্যে আসার পরে বুঝতে পেরেছি তিনি শুধু একজন সাধারণ শিক্ষকই নন। তিনি জ্ঞানের ভান্ডার। রাজনৈতিক তত্ত্ব, ইতিহাস, সাহিত্য দর্শন, বিজ্ঞান, ধর্মতত্ত্ব, ভাষাতত্ত্ব, সংগীত, নাটক সব কিছুতেই তার শুধু অগাধ পাণ্ডিত্যই নয়, অসাধারণ দক্ষও ছিলো।

কমরেড শ্যামল ভট্টাচার্য্য বগুড়া শহরেই বড় হয়েছিলেন। তার বাবা হৃষিকেশ ভট্টাচার্য্য ছিলেন একজন আইনজীবী। তার মা সুষমা ভট্টাচার্য্য ছিলেন এক সাধরণ গৃহিনী। তবে সাধরণ হলেও সম্ভবত তার মধ্যেই লুকিয়ে ছিল শ্যামল স্যারের অসাধরণ হয়ে ওঠার বীজ। কারণ সুষমা ভট্টাচার্য্য অল্প বয়েসে বিয়ে হওয়ার কারণে পড়াশোনায় এগুতে না পারলেও পরিবারের ঐতিহ্যের কারণেই বিদ্যানুরাগী ছিলেন। বিয়ের পরেও তিনি তৎকালীন বাংলা ভাষায় প্রকাশিত খুব কম বই-ই ছিল যা তিনি পাঠ করেন নি। একজন গৃহীনী হয়েও সাহিত্য, রাজনীতি, ইতিহাস, নাটক, চলচ্চিত্র সব বিষয়েই ছিল তার অগাধ জ্ঞান। তার দুই ভাই ছিলেন তৎকালীন বৃটিশ বিরোধী আন্দোলনের সশস্ত্র যোদ্ধা। তাদের একজন একটা অপারেশনে গিয়ে ধরাপরার আগে আত্মাহুতিও দিয়েছিলেন। তিনি তার সন্তানদেরকে গান, আবৃত্তি শেখাতেন, তাদেরকে বই পড়ে শুনাতেন। এভাবেই শ্যামল ভট্টাচার্য্যের গড়ে উঠা। তার বড় ভাই চিত্তরঞ্জন ভট্টাচার্য্যও একজন খ্যাতিমান ব্যক্তি ছিলেন। তিনি পূর্ব পাকিস্তান কমিউনিস্ট পার্টির নেতা ছিলেন। তার জীবনেও রয়েছে বহু আন্দোলন সংগ্রাম সহ একাধিকবার কারাবাসের অভিজ্ঞতা। পরে তিনি ১৯৬৮ সালের দিকে ভারতের দার্জিলিংয়ে সিপিআইএমের জেলা কমিটির সদস্য হয়েছিলেন।

শ্যামল ভট্টাচার্য্য মনে প্রাণে একজন মার্কসবাদে বিশ্বাসী মানুষ ছিলেন। মার্কসবাদী তত্ত্বে তার ছিল অগাধ পাণ্ডিত্য। পারিবারিকভাবে তিনি ছিলেন সিপিবি ঘরনার মানুষ। যতদুর জানি সরকারী চাকরী করার কারণে তিনি প্রত্যক্ষভাবে রাজনীতি করেত পারেননি। কিন্তু দেশের সকল ঘটনাই তাকে আলোড়িত করতো। প্রায়ত কমরেড কৃষ্ণকমলের মাধ্যমে তিনি বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল- বাসদের ঘনিষ্ঠ হয়ে ওঠেন। তিনি নিয়মিত পার্টি চাঁদা প্রদান করা, পার্টি অফিসে যাতায়াত করা, বগুড়া, ঢাকাসহ বিভিন্ন স্থানের ইনডোর অনুষ্ঠানগুলোতে অংগ্রহণ করা, কোন সমাবেশে সংহতি বক্তব্য দেওয়া এসব তিনি নিয়মিতই করতেন। কমরেড কৃষ্ণকমলের সঙ্গে ছিল তার পিতাপুত্রের সম্পর্কের মতো। এটা নিছক কোন আত্মীতার সম্পর্ক নয়, আদর্শিক সম্পর্ক। তিনি প্রায়ই ছাত্র কমরেডদেরকে বলতেন, ‘তোমরা সবাই কমল হও। আমি কমলের কাছ থেকে অনেক শিখেছি। তাই সে আমার শিক্ষক।‘ তার মতো এত বড় মাপের মানুষ এতটা সবলিলভাবে স্বীকারোক্তি করতে পারে এটা সত্যিই বিরল। শ্যামল ভট্টাচার্য্য ২০০৮ সালে বাসদের প্রাথমিক সদস্যপদ গ্রহণ করে নিজেকে বাসদের কর্মী হিসেবে পরিচয় দিতেন। এর পরে তিনি বাসদের চারণ সংস্কৃতিক কেন্দ্র, তৎকালীন শিক্ষা আন্দোলন মঞ্চের বগুড়া জেলার ইনচার্জের দায়িত্ব পালন করেন। পরে ২০১৩ সালে বাসদ বিভক্ত হলে তিনি খানিকটা হোচট খান। তার প্রত্যক্ষ রাজনৈতিক উদ্যোমে ভাটা পরে। কৃষ্ণকমল জীবিত থাকাকালীন তিনি বাসদ মার্কসবাদীর সাথেই ছিলেন। এর কিছুদিন পরে কৃষ্ণকমলের মৃত্যু ঘটলে তিনিও অসুস্থ্য হয়ে পড়েন। জনসমাগমে তার উপস্থিতিও কমে যায়।

শ্যামল ভট্টাচার্য্য ছিলেন একজন সেক্যুলার চিন্তার আধুনিক মানুষ। তার আধুনিকতা শুধু চিন্তাতেই ছিল না, কর্মের মাঝেও তার প্রমাণ রেখে গেছেন। জীবনের ক্রান্তিলগ্নেও তিনি প্রযুক্তির যে সর্বোচ্চ ব্যবহার করেছেন তা অভাবনীয়। তিনি সম্ভবত ২০০৬ সাল থেকে ৬৮ বছর বয়সে মোবাইল ব্যববহার করা শুরু করেন। এরপরে সম্ভবত ২০০৬ সালেই তার এক সন্তান তাকে একটা ল্যাপটপ প্রদান করেন। তিনি ওই বয়সে শুধু ল্যাপটপ চালানো শিখেই ক্ষান্ত হননি, তাতে ইন্টারনেটের সংযোগ নিয়ে তার বহুবিদ ব্যবহার করেছেন দক্ষতার সাথেই। ২০০৯ সালে একদিন তিনি আমাকে ফোন করে তার বাসায় ডেকে নিলেন। তার সাথে অনেক গল্প হলো। এর ফাঁকেই আমাকে একটা A4 সাইজের খাম বের করে দিয়ে বললেন, খুলে দেখ। আমি জিজ্ঞেস করলাম, স্যার এর ভিতরে কী আছে? উনি আমাকে বললেন, আমি বলে দিলে তো সারপ্রাইজ হবে না। সত্যিই তো। এর পরে দেখলাম আমেরিকার এক ইউনিভার্সিটির সনদ পত্র। তিনি অনলাইনে এলএলবি পাশ করেছেন। আমার কাছে এটা সত্যিই অবাক হওয়ার মতো। তার মতো বয়সী একজন মানুষ এটা কি করে সম্ভব করেছেন! এটা আমার কাছে এটা দৃষ্টান্ত। আমি আমার ছাত্র-ছাত্রীসহ বহুজনের কাছে অধ্যবসায় বা আধুনিকতার উদাহরণ হিসেবে এটা ব্যবহার করি। এতে তিনিও কম উচ্ছ্বাসিত ছিলেন না। তিনি জানালেন, এটা তার কাছে একটা স্বপ্ন ছিল দুইটা কারণে। প্রথমত: তার বাবা ছিলেন একজন আইনজীবী, দ্বিতীয়ত: আমাদের কমরেডরা অন্দোলন করে গ্রেফতার হয়। এ জন্য তিনি তাদের হয়ে আইনি লড়াই করবেন। তিনি নিবন্ধনের জন্য আবেদনও করেছিলেন। কিন্তু বয়সের কারণে তাকে সে সুযোগ দেওয়া হয়নি। ল পড়তে তিনি অনেক পরিশ্রম করেছেন নিঃন্দেহে। একদিকে যেমন অনলাইনে নিয়মিত ক্লাস করেছেন, পরীক্ষা দিয়েছেন অন্যদিকে তিনি মাঝে মাঝেই রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের তারই এক লাইব্রেরীয়ান ছাত্রের সহযোগীতায় সকাল সন্ধ্যা পড়াশোনা করতেন। তার এই দৃষ্টান্ত সবার কাছেই শিক্ষনীয় হতে পারে।

শ্যামল ভট্টাচার্য্য বগুড়ার মঞ্চ নাটকের দিকপাল। তারই হাত ধরে অনেকেই এখন প্রতিষ্ঠিত হয়েছেন। তার নজীর দেখার সুযোগ হয়েছিল ১/১১’র সময়। ২০০৭ সালে ফকর উদ্দীন মঈন উদ্দীনদের শাসন কাল। তত্বাবধায়ক সরকারের আড়ালে দেশে কার্যতঃ সামরিক শাসন চলছে। দেশব্যাপী সকল ধরণের রাজনৈতিক কার্যক্রম নিষিদ্ধ। এর মাঝেই তিনি বলে উঠলেন, তাহলে কি কমরেডরা ঘরে বসে থাকবে? রাজনৈতিক কর্মাকাণ্ড নিষিদ্ধ হলেও তো সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড চালাতে বাধা নেই? সিদ্ধান্ত হলো রবীন্দ্র-নজরুল জয়ন্তী উদযাপন করা হবে। তার নেতৃত্বেই গড়ে উঠল রবীন্দ্র-নজরুল মঞ্চ। সে এক অসাধারণ কাণ্ড! অনুষ্ঠান উপলক্ষ্যে প্রায় দুই মাসব্যাপী চলল কবিতা, গান, আবৃতি, বক্তব্য, প্রবন্ধ রচনাসহ বিভিন্ন প্রতিযোগীতা। আমন্ত্রিত হলেন দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক বুদ্ধিজীবীরা হাসান আজিজুলহক, সনৎ সূত্রধর, শহিদুল ইসলাম, সরিফা সালোয়া ডিনাসহ অনেকে। অনুষ্ঠানের দিন আলোচনা হবে, গান হবে, আবৃতি হবে, পুরস্কার বিতরণ করা হবে। কিন্তু একটা নাটক না হলে কেমন হয়! তাই শ্যামল ভট্টাচার্য্য নাটকের স্ক্রিপ্ট তৈরি করে ফেললেন। সেটা হচ্ছে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের “ঘাটের কথা” ছোট গল্পের নাট্যরূপ। রবীন্দ্রনাথের ওই ছোট গল্পটি পড়লে যে কেউ বুঝবেন, এটাকে নট্যরূপ দেওয়া কতটা কঠিন কাজ। তার মতো একজন কারিগরের পক্ষেই এটা সম্ভব। কথা এখানেই শেষ নয়। তার চেয়েও অসম্ভব কাজ তিনি সম্ভব করেছেন নাটকের অভিনেতা নির্বাচনে। এ নাটকের অভিনেতারা ছিলেন যারা কোন দিন মঞ্চে নাটক করা তো দূরের কথা, কোন দিন মঞ্চ নাটক দেখেনি পর্যন্ত। তারা হচ্ছে তৎকালীন সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্টের নেতা কর্মীরা। তার বক্তব্য, অভিজ্ঞা নেই তো কি হয়েছে? যারা বিপ্লব করেত চায় সমাজকে পরিবর্তন করতে চায় তাদের কাছে কোন কিছুই অসম্ভব না। কতটা আত্মপ্রত্যয়ী হলে এমন ভাবনা ভাবতে পারে! শুরু হলো রিহার্সেল। সাবাই মিলে শুরু করলাম অভিনয় শেখা। আমরা নিজেকে ভাঙ্গার চেষ্টা করছি। আমি ও তাদের দলে ছিলাম। কিন্তু অসুস্থতার কারণে তিনি রিহার্সেল করানোর কাজ এগুতে পারলেন না। এক পর্যায়ে দায়িত্ব আসল আমার কাধে। আমার কোন অভিজ্ঞতা নেই। কিন্তু তার অনুপ্রেরণা আমাকে জাগিয়ে তুলল। তার নির্দেশনা নিয়ে অনুশীলন করাতে লাগলাম। সেই সময়ে অল্প কয়েক দিনেই আমিও খানিকটা দক্ষ হয়ে উঠলাম। রিহার্সেল করানো, মঞ্চের আলাক সজ্জা, আলোক প্রক্ষেপন, শব্দ প্রক্ষেপন এসব দায়িত্ব বেশ দক্ষতার সাথেই পালন করেছিলাম। সেই অনুষ্ঠান বগুড়াবাসী দেখেছে। তাদের মন্তব্য, বগুড়ার ইতহিাসে সেটাই ছিল রবীন্দ্র-নজরুলকে নিয়ে সবচেয়ে জানাকীর্ণ, গোছানো অনুষ্ঠান। অনুষ্ঠান শেষে তার ছিল অভাবনীয় উচ্ছ্বাস। আমাদের কমরেডরা এত ভাল করবে তিনি নিশ্চিত ছিলেন। কারণ যারা আদর্শের রাজনীতি করে তারা কোন কিছুর কাছে হার মানেতে পারে না। সেদিনের অনুষ্ঠান ছিল তার কাছে সামরিক শাসকের সাথে যুদ্ধের মতো। প্রশাসন ভেবেছিল একটা ঘরোয়া অনুষ্ঠানে আর কয়জনই বা জমায়েত হবে। পরে যখন তারা বুঝতে পারল, বাঁধা দেওয়ার উপায় ছিল না।

আজ কমরেড শ্যামল ভট্টাচার্য্য আর নেই। কিন্তু এভাবেই তার স্বাক্ষর রেখে গেছেন তার চিন্তায় ও কর্মে। আমার এ বর্ণনা একটা খণ্ডিত অংশ মাত্র। তাকে নিয়ে আরো অনেক লেখা হবে নিশ্চয়ই। তার জীবনী গ্রন্থও প্রকাশিত হতে পারে। হওয়াই উচিৎ। আমি তার কাছথেকে অনেক জেনছি বুঝেছি। তাকে যতটুকু দেখেছি, তার নামের বিশেষণে শুধুমাত্র পণ্ডিত, শিক্ষাবিদ, নাট্যজন, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব ব্যবহার করাটা ঘোরতর অন্যায় মনেহয়। এসব ছিল তার বহিঃপ্রকাশ মাত্র। প্রকৃপক্ষে তিনি ছিলেন আপাদমস্তক মার্কসবাদে বিশ্বাসী সমাতান্ত্রিক আন্দোলনের একজন যোদ্ধা। তার স্মৃতি অম্লান হয়ে থাকবে।

কমরেড শ্যামল ভট্টাচার্য্য, লাল সালাম!

লেখক।।
রঞ্জন কুমার দে

এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

Leave a Reply

লেখক

সর্বশেষ সংবাদ

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রশংসায় কমনওয়েলথ মহাসচিব

কমনওয়েলথের মহাসচিব প্যাট্রিসিয়া স্কটল্যান্ড বাংলাদেশের বিগত এক দশকের ‘অসামান্য অর্জনের’ জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভূয়সী প্রশংসা করে এই উন্নয়নের জন্য তাকে সম্পূর্ণ কৃতিত্ব দিয়েছেন।...

বগুড়ায় কিশোরী ধর্ষণ মামলার দুই সহযোগী কারাগারে

বগুড়ার ধুনট উপজেলায় কিশোরী ধর্ষণের অভিযোগে দায়ের করা মামলার দুই ব্যক্তি কে গ্রেপ্তার করেছে থানা পুলিশ। ৪ ডিসেম্বর তাদের ধুনট থানা থেকে বগুড়া জেলা...

পঞ্চগড়ের আটোয়ারীতে স্বর্গীয় পরিমল চন্দ্র বর্মনের মৃত্যুতে শোক ও স্মরণসভা অনুষ্ঠিত

পঞ্চগড়ের আটোয়ারীতে স্বর্গীয় পরিমল চন্দ্র বর্মনের অকাল মৃত্যুতে এবং তার বিদেহী আত্নার শান্তি কামনায় বাংলাদেশ জাতীয় হিন্দু মহাজোট পঞ্চগড় জেলা শাখার আয়োজনে স্মরণ সভা...

গাঁজাকে বিপজ্জনক মাদকের তালিকা থেকে বাদ

চিকিৎসা সংক্রান্ত গবেষণা কাজে গাঁজার ব্যবহার সহজলভ্য করতে নেওয়া হলো এ সিদ্ধান্ত নেশাজাতীয় বিপজ্জনক মাদকের তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে গাঁজার নাম। চিকিৎসা কাজে গাঁজার...
%d bloggers like this: