কর্মস্থলে ফেরা হলো না মশিউরের

- Advertisement -

ঈদের ছুটি শেষে ঢাকা থেকে ন্যাশনাল পরিবহনে কর্মস্থল নাটোরের এনএস কলেজে ফিরছিলেন সহকারী অধ্যাপক মশিউর রহমান। তবে কর্মস্থলে তার আর ফেরা হলো না।

ন্যাশনাল পরিবহনের বেপরোয়া গতির কারণে শনিবার (০৭ মে) নাটোরের বড়াইগ্রাম উপজেলার বনপাড়ার মহিষভাঙ্গা এলাকায় তার মৃত্যু হয়। এসময় প্রাণ হারান আরও ছয়জন। সহকর্মীরা অশ্রু ভেজা চোখে অধ্যাপক মশিউরের মরদেহ নিতে হাজির হয়েছেন বনপাড়া হাইওয়ে থানায়।

নিহত মশিউর রহমান (৪৫) চাঁপাইনবাবগঞ্জ এনএস সরকারি কলেজের দর্শন বিভাগের সহকারী অধ্যাপক।

এ ঘটনায় নিহত আরও ছয়জন হলেন- নাটোরের লালপুর উপজেলার ওয়ালিয়া গ্রামের রুহুল আমিনের স্ত্রী মোহনা আক্তার মিলি (৩০); সদর উপজেলার পাইকোরদৌল গ্রামের শাজাহান আলীর মেয়ে সাদিয়া পারভিন (১২); ছেলে কাওছার আলী (১৮); টাঙ্গাইলের দেলদুয়ার উপজেলার ভানু প্রামাণিকের ছেলে জলিল (২৫); মাগুরা জেলার মিজানুর রহমান (২৮) ও নাটোরের সদর উপজেলার পাইকোরদৌল গ্রামের আলমগীর হোসেন (৪৮)।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বেলা ১১টার দিকে ঢাকা থেকে বেপরোয়াগতিতে আসা ন্যাশনাল পরিবহন ওভারটেক করতে যায়। এসময় নাটোর থেকে ঢাকাগামী সিয়াম পরিবহন এবং সড়কের পাশে দাঁড়িয়ে থাকা ট্রাকের সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলে ন্যাশনাল পরিবহনের চার ও সিয়াম পরিবহনের দুজনের মৃত্যু হয়। পরে হাসপাতালে নেওয়ার পর নিহত হন আরও একজন। আহত হন কমপক্ষে ৩৫ জন।

নাটোরের পুলিশ সুপার লিটন কুমার সাহা জানান, বেপরোয়াগতির কারণেই এ দুর্ঘটনা ঘটে।

বগুড়া হাইওয়ে জোনের পুলিশ সুপার মুনশী শাহবুদ্দিন জানান, হাইওয়ে পুলিশের পক্ষ থেকে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। আর এ ঘটনায় বনপাড়া ও হাইওয়ে থানায় পুলিশের পক্ষ থেকে মামলা করা হয়েছে।

নাটোরের জেলা প্রশাসক শামীম আহমেদ জানান, নিহতদের পরিবারকে ২৫ হাজার টাকা ও আহতদের চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়েছে।

এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

Leave a Reply

প্রতিবেদক

সর্বশেষ সংবাদ