কুমিল্লায় পূজামণ্ডপে হামলায় অংশ নেয় রাজনৈতিক দলের কর্মীরা

- Advertisement -

কুমিল্লার পূজামণ্ডপে হামলায় বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের কর্মীরা অংশ নিয়েছিল বলে দাবি করেছেন পূজা উদযাপন কমিটির নেতারা।

স্থানীয় সংসদ সদস্যের দাবি, হামলাকারীরা বহিরাগত। তবে যে দলেরই হোক, ছাড় পাবে না কেউই। এলাকাবাসী বলছেন, রাজনৈতিক ফায়দা নিতেই একটি গোষ্ঠী সহিংসতায় উসকানি দিয়েছিল।

কুমিল্লার নানুয়া দীঘির পাড়ে পূজামণ্ডপে পবিত্র কোরআন শরীফ রাখাকে কেন্দ্র করে ১৩ অক্টোবর ভোর ৬টা থেকে প্রায় পাঁচ ঘণ্টাব্যাপী চলা সহিংসতায় অংশ নিয়েছিল কারা? এ নিয়ে জেলায় এখনো চলছে আলোচনা। সামাজিক মাধ্যম থেকে শুরু করে রাজনীতির অঙ্গন কিংবা চায়ের আড্ডা- সবর্ত্রই জড়িতদের পরিচয় নিয়ে চলছে নানা বক্তব্য।

সেদিনের হামলায় সরাসরি জড়িত ছিল কারা, কারা দিয়েছিল পর্দার আড়াল থেকে ইন্ধন-সেই জট খোলার চেষ্টা করছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

জেলা পূজা উদযাপন কমিটির নেতাদের দাবি হামলাকারীরা সবাই ছিল বয়সে তরুণ এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের কর্মী।

কুমিল্লা পূজা উদযাপন কমিটির সাধারণ সম্পাদক নির্মল পাল বলেন, এখানে হামলায় উপস্থিতিটা ছিল তরুণ প্রজন্মের। আর যারাই উপস্থিত ছিল তারাই রাজনৈতিক দলের লোক ছিল।

ঘোলা জলে মাছ শিকারীদের আইনের আওতায় আনার দাবি এলাকাবাসীর।

এলাকার সংসদ সদস্যও বলছেন ঘটনার পেছনে রয়েছে বড় ষড়যন্ত্র। পরিকল্পনা করেই এসব ঘটানো হয়েছে দাবি করে তিনি বলেন, নিজের দলের কেউ জড়িত থাকলে তাদেরও আনা হবে আইনের আওতায়।

কুমিল্লা -৬ আসনের সংসদ সদস্য আ ক ম বাহাউদ্দিন বাহার বলেন, পুলিশের কাছে যারা গ্রেপ্তার হয়েছে, তারা অধিকাংশই কুমিল্লা শহরের বাইরের। আমি বলে দিয়েছি আমার দলের লোকও যদিও হয়ে থাকে তাকেও ধরেন।

পুলিশ বলছে, প্রকৃত দোষীদের আইনের আওতায় আনতে গঠন করা হয়েছে বিশেষ টিম।

সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার খান মোহাম্মদ রেজোয়ান বলেন, কে বা কারা এরসঙ্গে জড়িত আছে সেই দায় দায়িত্ব নিরুপনের জন্য ম্যানুয়ালি এবং টেকনোলজিভাবে যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে।

কুমিল্লার ঘটনায় দায়ের হওয়া মূল মামলাসহ দুটি মামলার তদন্ত করছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ সিআইডি।

এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

Leave a Reply

প্রতিবেদক

সর্বশেষ সংবাদ