কুষ্টিয়া সরকারি কলেজের পরিত্যক্ত হোস্টেল এখন মাদকের আস্তানা

মোঃ সুজন বিশ্বাস, কুষ্টিয়া প্রতিনিধি।।

কুষ্টিয়া সরকারি কলেজের আবাসিক পরিত্যক্ত হোস্টেলে এখন মাদকসেবীদের নিরাপদ আস্তানায় পরিণত হয়েছে। হোস্টেলের পরিত্যক্ত কক্ষ থেকে কিছুক্ষণ পরপরই বিভিন্ন বয়সী মাদকসেবীদের বের হয়ে আসতে দেখা যায়। সকাল থেকে শুরু করে গভীর রাত পর্যন্ত এখানে চলে মাদকের বিকিকিনি। স্থানীয় প্রশাসন মাদকের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’র কথা বললেও বাস্তব পরিস্থিতি সম্পূর্ণ এর বিপরীত।

অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় প্রভাবশালী কতিপয় ব্যক্তির ছত্রচ্ছায়ায় এখানে দীর্ঘদিন ধরে গাঁজা, ফেনসিডিল, হেরোইন, ইয়াবাসহ নানা ধরনের দেশি-বিদেশি মাদকের বেচা-কেনাসহ আড্ডা বসে। এমন পরিস্থিতিতেও শহর ও গ্রামাঞ্চলেও মাদকসেবীর সংখ্যা বাড়ছে।

জানা গেছে, কলেজের পরিত্যক্ত হোস্টেলে দীর্ঘদিন ধরে মাদক মাদক বেচাকেনার পাশাপাশি সেবনের আড্ডা চলে আসছে। এ নিয়ে কলেজ এলাকার সাধারণ মানুষ উদ্বিগ্ন। চলমান করোনা পরিস্থিতিতেও থেমে নেই মাদক ব্যবসায়ীরা। শহর এলাকার চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ীরা মোটরসাইকেল যোগে এখানে এসে জড়ো হয়। তারপর কলেজের পরিত্যক্ত হোস্টেলে অবস্থান নিয়ে চলে মাদক বেচা-কেনা ও মাদক সেবনের আসর।


আরও পড়ুন>>


নাম-প্রকাশ না করার শর্তে স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দারা জানান, সকাল থেকেই এখানে মাদকসেবীদের আনাগোনা শুরু হয়। তবে বিকেলের দিকে এ আনাগোনা আরো বেড়ে যায়। মাদক কারবারীদের ভয়ে স্থানীয়রা এ ব্যাপারে কেউ মুখ খুলতে পারছেন না। মাঝে মাঝে পুলিশ মাদক সেবনকারীদের ধাওয়া করলেও কয়েকদিন পর আবারও একই চিত্র।

কুষ্টিয়া সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ কাজী মনজুর কাদির বলেন, ‘কলেজের পরিত্যক্ত হোস্টেলে মাদকের আড্ডার বিষয়টি তার জানা আছে। তবে মাদকসেবী ও ব্যবসায়ীদের খুঁটি অনেক শক্ত হওয়ায় এদের বিরুদ্ধে কিছু করা সম্ভব হচ্ছে না। এ ব্যাপারে লিখিতভাবে কলেজের পক্ষ থেকে স্থানীয় থানায় লিখিত অভিযোগ করা হয়েছে। পুলিশের গাড়ি দেখলেই তারা পালিয়ে যায়।

এ ব্যাপারে কুষ্টিয়া মডেল থানার (ওসি) সাব্বিরুল ইসলাম জানান, ‘বিষয়টি আমার জানা ছিল না। খোঁজখবর নিয়ে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

Leave a Reply

প্রতিবেদক

সর্বশেষ সংবাদ