কুষ্টিয়ার খোকসা পৌরসভায় পূনরায় নৌকার প্রার্থী জয়ী

খাইরুল ইসলাম সম্রাট, কুষ্টিয়া।।

কুষ্টিয়ার খোকসা পৌরসভার ৯টি ভোট কেন্দ্র থেকে প্রাপ্ত ভোটের ফলাফলে বেসরকারিভাবে মেয়র নির্বাচিত হয়েছেন আওয়ামী লীগ সমর্থিত নৌকা মার্কার প্রার্থী ও খোকসা পৌর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক তারিকুল ইসলাম তারিক। তরিকুল ইসলাম ৯৩২৭ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি সমর্থিত ধানের শীর্ষের প্রার্থী নাফিজ আহমেদ ১৫৮৩ ভোট পেয়েছেন।

বেসরকারিভাবে প্রাপ্ত ফলাফল অনুয়ায়ী সাধারণ কাউন্সির পদে নির্বাচিত হয়েছেন ১ নম্বর ওয়ার্ডে মনিরুজ্জামান টিপু, ২ নম্বর ওয়ার্ডে মহব্বত আলী ফখর, ৩ নম্বর ওয়ার্ডে আব্দুল হামিদ, ৪ নম্বর ওয়ার্ডে আবুল হোসেন তরুন, ৫ নম্বর ওয়ার্ডে সেলিম হুসাইন, ৬ নম্বর ওয়ার্ডে ইমরান হোসেন, ৭ নম্বর ওয়ার্ডে হাশেম আলী, ৮ নম্বর ওয়ার্ডে ইউনুস আলী ও ৯ নম্বর ওয়ার্ডে মেহেদী হাসান বিশ্বাস।

সংরক্ষিত মহিলা কাউন্সিলর নির্বাচিত হয়েছেন ১,২ ও ৩ নম্বর ওয়ার্ডে নাইচ, ৪,৫ ও ৬ নম্বর ওয়ার্ডে সে‌লিনা আক্তার এবং ৭, ৮ ও ৯ নম্বর ওয়ার্ডে ডালিয়া।

সোমবার সকাল ৮টা থেকে শুরু হয়ে সন্ধ্যা পর্যন্ত ভোটারদের স্বঃস্ফুর্ত অংশগ্রহণে খোকসা পৌরসভার ৪র্থ বারের মতো পৌর নির্বাচনের ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হলো। সকাল থেকেই ভোট কেন্দ্রগুলোতে ভোটারদের দীর্ঘ লাইন দেখা যায়। পুরুষ ভোটারদের পাশাপাশি নারী ভোটারদেরও ব্যাপক অংশ গ্রহণ লক্ষ করা যায়। ভোটাররা দীর্ঘক্ষণ লাইনে দাঁড়িয়ে থেকে তাদের ভোটাধিকার প্রদান করেন।

কুষ্টিয়া জেলায় এটিই প্রথম ইভিএম এ ভোট গ্রহণ। প্রথম বারের মতো ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনে (ইভিএম) ভোট দেওয়ার ফলে ভোট দিতে কিছুটা বিলম্ব করেন সাধারণ ভোটাররা। এর ফলে নির্দ্ধারিত সময়ের পরেও ভোট গ্রহণ চলে। এ পৌরসভা নির্বাচনে ঝুকিপূর্ণ হিসাবে ৬টি ভোট কেন্দ্র চিহ্নিত করা হয়। প্রতিটি ভোট কেন্দ্রেই ১ জন করে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে ভ্রাম্যমাণ আদালত অবস্থান করে ভোট কেন্দ্রের সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করেন।

এছাড়াও ঝুকিপূর্ণ ৬টি ভোট কেন্দ্রসহ পুরো পৌর এলাকার ভোট কেন্দ্রগুলোতে নিচ্ছিদ্র নিরাপত্তা ব্যবস্থায় নিয়োজিত ছিলেন র‌্যাব, বিজিবি, পুলিশ ও সরকারের অন্যান নিরাপত্তা বাহিনীর কর্মীরা।

প্রসঙ্গত: খোকসা পৌরসভা ২০০১ সালের ২০ মার্চে প্রতিষ্ঠিত হয়, ৯টি ওয়ার্ডে ১৪ হাজার ৯ শত ২৩ জন ভোটারে মধ্যে পুরুষ ভোটার ৭ হাজার ৪ শত ৩৭ জন এবং মহিলা ভোটার ৭ হাজার ৪ শত ৮৬ জন। পৌরসভা নির্বাচনে ৯টি ভোট কেন্দ্রের মাধ্যমে ৪৯ টি ভোট কক্ষে ইভিএম এর মাধ্যমে ভোট গ্রহণ সম্পন্ন করা হয়। এবার পৌরসভায় মেয়র পদে ২ জন প্রতিদ্বন্দ্বীতা করেছেন। কাউন্সিলর পদে ৩১ জন ও সংরক্ষিত মহিলা কাউন্সিলর পদে ১০ জন প্রতিদ্বন্দ্বীতা করেন।

এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

Leave a Reply

লেখক

সর্বশেষ সংবাদ

%d bloggers like this: