খরা ও বিদ্যুৎ সংকটের মধ্যে জ্বালানি তেলের উচ্চমূল্যের খড়গ

- Advertisement -

খরা ও বিদ্যুৎ সংকটের মধ্যে জ্বালানি তেলের উচ্চমূল্যের খড়গ দেখা দিয়েছে। ৬ লাখ সাড়ে ১৫ হাজার হেক্টর জমিতে আমন চাষের লক্ষ্য নিয়ে মাঠে নেমেছেন রংপুর অঞ্চলের কৃষকরা। তবে তিস্তা ব্যারেজ থেকে সেচ দেয়া হচ্ছে মাত্র ৬৩ হাজার হেক্টরে। নানা কারণে এটুকুও সেচ না পাওয়ার অভিযোগ অনেক চাষির।

জানা গেছে, সপ্তাহ দুয়েক আগে অনাবৃষ্টির খরায় খানিক বৃষ্টিতে কৃষকের বুক কিছুটা শীতল হলেও আবারও শুরু হয়েছে তাপপ্রবাহ। ফলে আমনের চারা রোপণের পর্বটি শেষ করতে পারেনি কৃষক। হঠাৎ বেড়ে যাওয়া ডিজেলের চড়া দাম মিটিয়ে কিছু কিছু কৃষক শ্যালো মেশিনের সেচে জমি তৈরি করলেও বেশিরভাগ কৃষকের সেই সামর্থ্য নেই। বর্ষার বৃষ্টির ওপর নির্ভর করে এই আবাদ করে তারা।

এদিকে চলতি বছর রংপুর কৃষি অঞ্চলের ৫টি জেলায় ৬ লাখ ১৫ হাজার ৬৮৫ হেক্টর জমিতে যেখানে আমন আবাদের লক্ষ্যমাত্রা স্থির করেছে কৃষি বিভাগ। অথচ মাত্র ৬৩ হাজার হেক্টর জমিতে সেচ দেয়ার টার্গেট দেশের সবচে বড় সেচ প্রকল্প তিস্তা ব্যারেজের। তারপরও সেচ না পাওয়ার অভিযোগ প্রকল্প এলাকার কৃষকর।

নীলফামারীর সৈয়দপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মেহেদী হাসান বলেন, এই যে বৃষ্টিহীনতা বা অনাবৃষ্টি এই সময়টাতে তিস্তা ব্যারেজের কমান্ড এরিয়ার কৃষকগণ আশা করি তেমন কোনো অসুবিধায় পড়বেন না।

তবে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি নিয়ে বর্তমান পরিস্থিতিতে কিছুটা স্বস্তিতে আছেন বিএডিসির সোলার পাম্প প্রকল্পের কৃষকরা।

তারা বলছেন, মেশিন দিয়ে চালাইলেও তেলের দাম বেশি। সবকিছুরই দাম বেশি। তবে সোলার এসে অনেক সুবিধা পাচ্ছেন বলেও জানান অনেকে।

বিএডিসি ক্ষুদ্র সেচ উন্নয়ন প্রকল্পের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী সঞ্জয় সরকার বলেন, শুধু এই কৃষকই নয়, তার পার্শ্ববর্তী ২ শতাধিক কৃষক এই সেচ প্রকল্প থেকে উপকার পাচ্ছে।

একেকটি পাম্প থেকে ২০০ কৃষক শুধু আমন আবাদই নয় পুরো বছর বিনা খরচে মেটাচ্ছেন শাকসবজি, মাছ চাষসহ যাবতীয় সেচের প্রয়োজন।

এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

Leave a Reply

প্রতিবেদক

সর্বশেষ সংবাদ