খুবির দুই শিক্ষার্থীর সাজা মওকুফ,শিক্ষার্থীদের দাবি নিঃশর্ত প্রত্যাহার!

0
12
খুবির দুই শিক্ষার্থীর সাজা মওকুফ,শিক্ষার্থীদের দাবি নিঃশর্ত প্রত্যাহার!
খুবির দুই শিক্ষার্থীর সাজা মওকুফ,শিক্ষার্থীদের দাবি নিঃশর্ত প্রত্যাহার!

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের(খুবি) দুই শিক্ষার্থীর বহিষ্কারাদেশ বিশেষ বিবেচনায় মওকুফ করা হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার (২৮ জানুয়ারি) বেলা ১২টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র বিষয়ক পরিচালক ও শৃঙ্খলা বোর্ডের সদস্য সচিব প্রফেসর শরীফ হাসান লিমন স্বাক্ষরিত সাজা মওকুফের চিঠি শিক্ষার্থীদের কাছে দেওয়া হয়।

এদিকে শিক্ষার্থীরা দুপুর ১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকে পূর্বনির্ধারিত শিক্ষকদের বহিষ্কার ও অপসারণের প্রতিবাদ সমাবেশে এসে ওই দুই শিক্ষার্থীর সাজা মওকুফের পরিবর্তে নিঃশর্ত প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছেন।

প্রতিবাদ সমাবেশে শিক্ষার্থীরা বলেন, তারা চেয়েছিলেন বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার, কিন্তু প্রশাসন বিশেষ বিবেচনায় সাজা মওকুফ করে তাদের সাথে প্রহসন করেছে। এ ছাড়া বাংলা ডিসিপ্লিনের শিক্ষক আবুল ফজলকে বহিষ্কার ও একই ডিসিপ্লিনের শাকিলা আলম এবং ইতিহাস ও সভ্যতা ডিসিপ্লিনের হৈমন্তি শুক্লা কাবেরীকে অপসারণের প্রতিবাদ জানিয়ে তারা বলেন, আমাদের ন্যায্য দাবি আদায়ের আন্দোলনে সমর্থন করার জন্য আমাদের অভিভাবকতুল্য তিন শিক্ষকের ওপর খড়গ নেমে এসেছে। তাদের এই শাস্তি ইঙ্গিত দেয় পরবর্তীতে কেউ শিক্ষার্থীদের পাশে দাঁড়ালে তাদেরকেও বরখাস্ত করা হবে।


আরও পড়ুন>>


এ বিষয়ে প্রফেসর শরীফ হাসান লিমন বলেন, শিক্ষার্থীদের আবেদনের প্রেক্ষিতে শৃঙ্খলা বোর্ডে তাদের সাজা মওকুফের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, বিধি বিধান অনুযায়ী দাপ্তরিক ভাষায় চিঠিটি লেখা হয়েছে।

এদিকে আজ বেলা ১২টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের মুক্তমঞ্চে খুবির একজন শিক্ষককে বরখাস্ত ও দুজনকে অপসারণের সিদ্ধান্ত প্রত্যাহারের দাবিতে প্রতিবাদ সমাবেশ করেছে শিক্ষকরা। বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক নেটওয়ার্কের ব্যানারে সেখানে আটজন শিক্ষক এবং খুলনার দুজন আইনজীবী উপস্থিত ছিলেন।

প্রতিবাদ সমাবেশে এনভারমেন্টাল সায়েন্স ডিসিপ্লিনের অধ্যাপক ড. আব্দুলাহ হারুন চৌধুরী বলেন, বিনা ভোটে নির্বাচিত শিক্ষক সমিতি আজ উপাচার্যকে বিদায়ী সংবর্ধনা দিতে ব্যস্ত। সাধারণ শিক্ষকদের ব্যাপারে তাদের কোনো মাথা ব্যাথা নেই।

তিনি উপাচার্যকে উদ্দেশ্য করে বলেন, আপনি যদি বলে থাকেন সব সিদ্ধান্ত সিন্ডিকেট নিয়ে নেয় তাহলে আমরা আপনাকে আহ্বান করবো একজন সাধারণ শিক্ষক হিসেবে আমাদের পাশে এসে দাঁড়ান, শিক্ষকদের মানহানির প্রতিবাদ করুন। আমরা আপনাকে শ্রদ্ধা জানাবো।

এ সময় আরো বক্তব্য রাখেন, এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্স ডিসিপ্লিনের অধ্যাপক ড. দিলীপ কুমার দত্ত, অর্থনীতি ডিসিপ্লিনের সহযোগী অধ্যাপক ফিরোজ আহমেদ, এবং বাংলাদেশ মেডিক্যাল অ্যাসোশিয়েশন খুলনা জেলা শাখার সভাপতি ডা. বাহারুল আলম-এর লিখিত বক্তব্য পাঠ করে শোনান ইংরেজী ডিসিপ্লিনের সহযোগী অধ্যাপক মো. নূরুজ্জামান।

Leave a Reply