চাঁপাইনবাবগঞ্জে হোম কোয়ারেন্টাইনে ৯০৯ জন : মেয়াদ শেষ ৫৩৫ জন!

আব্দুর রহমান, চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি।।

চাঁপাইনবাবগঞ্জে গত ২৪ ঘন্টায় হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকা বিদেশীদের সংখ্যা অপরিবর্তিত রয়েছে।

যার সংখ্যা সোমবার ছিলো ৯০৯ জন। গত ২৪ ঘন্টায় কোন হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকা বিদেশীর সংখ্যা বাড়েনি।

এদিকে, ১৪ দিন হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকা ৫৩৫ জনের মেয়াদ শেষ হয়েছে মঙ্গলবার।

আগামী ১ এপ্রিলের মধ্যে চাঁপাইনবাবগঞ্জে জেলার সবগুলো হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকা বিদেশীদের মেয়াদ শেষ হয়ে যাবে।

জেলায় সরকারের দেয়া তথ্য মতে বিদেশী প্রবেশ করে ১৫৬২জন।

সবগুলো বিদেশীরই হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকার মেয়াদ শেষ হয়ে যাবে ১ এপ্রিল।

জেলায় কোন ভীতিকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়নি, মঙ্গলবার বিকেলে এমনটাই জানিয়েছেন জেলার স্থাস্থ্য বিভাগ।

চাঁপাইনবাবগঞ্জ সিভিল সার্জন ডা. জাহিদ নজরুল চৌধুরী মঙ্গলবার বিকেলে জানান, প্রতিদিন রাত ৮টা থেকে শুরু করে পবরর্তী দিন রাত ৮টা পর্যন্ত ২৪ ঘন্টা পর্যবেক্ষনে বর্তমানে জেলায় কোন করোনা রোগী সনাক্ত হয়নি, পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে এবং করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে প্রয়োজনীয় সকল প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে।

সোমবার হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকা বিদেশীদের সংখ্যা ছিলো ৯০৯ জন। মঙ্গলবার আর সংখ্যা বাড়েনি।

তিনি জানান, আগামী ১ এপ্রিলের মধ্যে চাঁপাইনবাবগঞ্জে জেলার সবগুলো হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকা বিদেশীদের মেয়াদ শেষ হয়ে যাবে।

জেলায় সরকারের দেয়া তথ্য মতে বিদেশী প্রবেশ করে ১৫৬২জন।

সবগুলো বিদেশীরই হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকার মেয়াদ শেষ হয়ে যাবে ১ এপ্রিল।

আরও পড়ুন- মধুপুরে করোনার উপসর্গ নিয়ে পোশাক শ্রমিকের মৃত্যু

করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা প্রশাসন ও স্বাস্থ্য বিভাগ সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। জেলা করোনা ভাইরাস প্রতিরোধ কমিটির উদ্যোগে বিভিন্ন প্রতিরোধক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে ইতোমধ্যেই।

নিজের, পরিবারের, জেলার এবং দেশের কথা বিবেচনা করে জেলার সকলকে সতর্ক অবস্থানে থেকে প্রাণঘাতি এই করোনা ভাইরাসকে প্রতিরোধ করতে সরকারী সকল নির্দেশনা মেনে চলার অনুরোধ জানান সিভিল সার্জন।

চাঁপাইনবাবগঞ্জ সিভিল সার্জন ডা. জাহিদ নজরুল চৌধুরী আরও বলেন, করোনা ভাইরাসে আক্রান্তদের চিকিৎসার জন্য হাসপাতাল, ডাক্তার ও নার্স সর্বদা প্রস্তুত রাখা হয়েছে।

ডাক্তার এবং নার্সদের সুরক্ষায় পিপিই এরই মধ্যে সংশ্লিষ্টদের মাঝে বিতরণ করা হয়েছে।

করোনা ভাইরাস প্রতিরোধের একমাত্র উপায় “লক ডাউন, লক ডাউন, লক ডাউন”।

কোন গুজবে কান না দিয়ে, বিষয়টি অবশ্যই সিভিল সার্জন বা জেলা প্রশাসনের সাথে তাৎক্ষনিক যোগাযোগ করার অনুরোধ জানান তিনি।

এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

Leave a Reply

লেখক

সর্বশেষ সংবাদ

%d bloggers like this: