চিপ-অপ কমান্ডার মনোয়ার হোসেন জনি কারাগারে

0
37
চিপ-অপ কমান্ডার মনোয়ার হোসেন জনি কারাগারে
চিপ-অপ কমান্ডার মনোয়ার হোসেন জনি কারাগারে

রাজবাড়ীর পাংশার আলোচিত মনোয়ার হোসেন জনিক (৩৫) কে একটি অস্ত্র মামলায় কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। জনির নামে প্রায় ৮ টি মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে আদালতে। সে বর্তমানে পাংশা উপজেলা স্বাস্থ কমপ্লেক্সে কর্মরত আছে।

আদালত তথ্য সূত্র জানায়, অস্ত্র মামলায় উচ্চ আদালত থেকে চার সপ্তাহের জামিন নিয়েছিলেন মনোয়ারহোসেন জনি। জামিনের মেয়াদ শেষ হওয়ার পর রাজবাড়ীর চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির হয়ে জামিন আবেদন করলে আদালতের বিচারক তারেক মইনুল ইসলাম ভুইয়া জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

উল্লেখ্য মনোয়ার হোসেন জনির নামে এছাড়াও অন্য মামলা গুলো হলো, পাংশা থানার এফ আই আর নং- ২৮, তারিখ -২৪ অক্টোবর ২০০৮, জি আর নং – ২৩৬, তারিখ -২৪ অক্টোবর ২০০৮, সময়- ধারা- ১৪৩/১৪৯/৪৪৮/৩২৩/৩২৫/৩২৬/৩০৭/১০৯ পেনাল কোড – ১৮৬০, এই মামলায় সে এজাহারে অভিযুক্ত।

পাংশা থানার এফ আই আর নং- ২/১২৩, তারিখ -০৩ অক্টোবর ২০২০, জি আর নং – ১২৩/২০২০, তারিখ -০৩ অক্টোবর ২০২০, সময়-০০.১০ ঘটিকা ধারা- ৩৮৫/৩৮৬/৫০৬(২)পেনাল কোড – ১৮৬০, এই মামলায় সে এজাহারে অভিযুক্ত।

পাংশা থানার এফ আই আর নং- ১/১২২, তারিখ -২ অক্টোবর ২০২০, জি আর নং – ১২২/২০২০, তারিখ -২ অক্টোবর ২০২প, সময়-১৮.১৫ ঘটিকা ধারা- ১৪৩/৪৪৭/৩৮৫/৩৮৬/৩৭৯/৪২৭/৫০৬(২) পেনাল কোড – ১৮৬০, এই মামলায় সে এজাহারে অভিযুক্ত।

পাংশা থানার এফ আই আর নং- ৯/৭৯ তারিখ -২১ সেপ্টেম্বর ২০২০, জি আর নং – ৭৯/২০২০ তারিখ -২১ সেপ্টেম্বর ২০২০ সময়-২০.৪৫ ঘটিকা ধারা- ১৪৩/৩৪২/৩৮৪/৩৮৫/৩৮৬/৫০৬/৩৪১ পেনাল কোড – ১৮৬০, এই মামলায় সে এজাহারে অভিযুক্ত।


আরও পড়ুন>>


পাংশা থানার এফ আই আর নং- ১৬/১১৯ তারিখ -২২ সেপ্টেম্বর ২০২০, জি আর নং – ১১৯/২০২০ তারিখ -২২সেপ্টেম্বর ২০২০ সময়-১৬.৪০ ঘটিকা ধারা- ৪১৩/৩৪ পেনাল কোড – ১৮৬০, এই মামলায় সে এজাহারে অভিযুক্ত।

পাংশা থানার এফ আই আর নং- ১৫/১১৮ তারিখ -২২ সেপ্টেম্বর ২০২০, জি আর নং – ১১৮/২০২০ তারিখ -২২সেপ্টেম্বর ২০২০ সময়-১৬.৩০ ঘটিকা ধারা- ১৯/১৮৭৮ পেনাল কোড – ১৮৬০, এই মামলায় সে এজাহারে অভিযুক্ত।

ডিএমপি শাহবাগ থানার এফ আই আর নং – ২৬/৩০৩ তারিখ ১৫ অক্টোবর ২০২০ সময় ১২.৫৫ ঘটিকা, ধারা ১৪৩/১৪৭/১৮৬/৩৩২/৩৩৩/৩৫৩/১০৯ পেনাল কোড ১৬০ এই মামলায় সে এজাহারে অভিযুক্ত।

জানা গেছে, পাংশা উপজেলা এলাকার বাসিন্দা জনি একজন সাংসদ পুত্রের ঘনিষ্ঠ সহচর ছিলেন। পাংশা থানায় জনির বিরুদ্ধে অস্ত্র মামলা হওয়ার পর থেকেই পলাতক ছিলেন জনি। হাতুড়ি বাহিনীর প্রধান হিসেবেও তার নাম সামনে চলে আসে। এসব কারণে পাংশায় তিনি আলোচিত ছিলেন।

Leave a Reply