চুল কাটা ইস্যুতে বিষপান করলেন শিক্ষার্থী

- Advertisement -

সিরাজগঞ্জের রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৬ শিক্ষার্থীর মাথার চুল কাটার ঘটনায় অভিযুক্ত শিক্ষক ফারহানা ইয়াসমিনের স্থায়ী বহিষ্কারের দাবিতে আবারও উত্তাল হয়ে ওঠেছে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস।

আন্দোলনের ২য় দিনে ২য় বর্ষের ছাত্র শামীম পকেটে রাখা বোতল থেকে বিষাক্ত তরল কিছু পান করে অসুস্থ হয়ে পড়েন। এ সময় সহপাঠীরা তাকে হাসপাতালে নিয়ে যান। এতে বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা ঢাকা-পাবনা মহাসড়ক প্রায় ১ ঘণ্টা অবরোধ করে রাখে। পরে পুলিশ প্রশাসনের আশ্বাসে শিক্ষার্থীরা অবরোধ তুলে নিয়ে প্রশাসনিক ভবনের সামনে অবস্থান নেয়।

রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৬ শিক্ষার্থীর চুল কাটার ঘটনায় অভিযুক্ত শিক্ষক ফারহানা ইয়াসমিনের বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত ছাড়াই সিন্ডিকেট বৈঠক মুলতবি করায় আবারও উত্তাল হয়ে উঠেছে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস। ২য় দফার আন্দোলনে শনিবার সকাল থেকেই সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরের বিসিক বাসস্ট্যান্ড এলাকায় অবস্থিত রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক ভবনের সামনে আমরণ অনশন শুরু করে শিক্ষার্থীরা।

রোববার সকাল থেকে অনশনের পাশাপাশি ফারহানা ইয়াসমিনের স্থায়ী বহিষ্কারের দাবিতে স্লোগান দিতে থাকে তার। এসময় এক শিক্ষার্থী বোতলের বিষাক্ত তরল কিছু পান করলে অসুস্থ হয়ে পড়ে। পরে দ্রুত তাকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। এতে বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা মহাসড়কে নেমে আসে। প্রায় ঘণ্টা খানেক ঢাকা-পাবনা মহাসড়ক অবরোধ করে রাখে তারা। পরে পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

সেখান থেকে শিক্ষার্থীরা অবরোধ তুলে নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের সামনে গিয়ে অবস্থান নেয়।
এদিকে তদন্ত কমিটির প্রধান লায়লা ফেরদৌস হিলেম জানান, সিন্ডিকেট সভায় আইনি প্রক্রিয়ায় মাধ্যমে সমস্যার সমাধান হবে। তবে তাদের কথায় শিক্ষার্থীরা আশ্বস্ত না হয়ে আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছে।

শিক্ষার্থীরা জানান, গত ২৬ সেপ্টেম্বর রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৬ শিক্ষার্থীর চুল কেটে দেওয়ার ঘটনায় গঠিত তদন্ত কমিটি বৃহস্পতিবার বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয়ে দায়ীত্বপ্রাপ্ত ভিসি ও ট্রেজারার আব্দুল লতিফের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করে। এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে শুক্রবার বিকেলে ঢাকা অফিসে সিন্ডিকেট বৈঠক ডাকেন। কোনো সিদ্ধান্ত ছাড়াই বৈঠকটি মুলতবি হয়ে যায়। এতে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা সভা করে আবারও আন্দোলনের সিদ্ধান্ত নেন। শিক্ষিকা ফারহানা ইয়াসমিন বাতেনের স্থায়ী বহিস্কার না হওয়া পর্যন্ত তাদের এই আন্দোলন চলবে বলে জানায় শিক্ষার্থীরা।

এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

Leave a Reply

প্রতিবেদক

সর্বশেষ সংবাদ