জলবায়ু পরিবর্তন নিয়ে শিক্ষার্থীদের ভাবনা

- Advertisement -

কোন স্থানের ৩০-৩৫ বছরের আবাহাওয়ার গড়কে সেই স্থানের জলবায়ু বলে। এই দীর্ঘসময়ের আবহাওয়ার অবস্থান যদি পরিবর্তন হয়, তার একটা ক্ষতিকারক প্রভাব সেই স্থানের উপর পড়তে পারে। তাই এই জলবায়ু পরিবর্তনের বিষয়ে কী ভাবছেন সচেতন শিক্ষার্থীরা? তাদের মন্তব্য তুলে ধরেছেন, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী জাফরুল ইসলাম।

বিশ্বব্যাপী জলবায়ু পরিবর্তন মানবজাতির জন্য অশনিসংকেত

রাশেদুজ্জামান রাশেদ

মানবজাতির কর্মকাণ্ডের জন্যই বৈশ্বিক উষ্ণায়ন বাড়ছে কারণ তাপমাত্রা উঠছে ৪৯ ডিগ্রি সেলসিয়াসের ওপর এবং দেখা দিচ্ছে চরম আবহাওয়া। পৃথিবীর বিভিন্ন প্রান্তে এখন যে চরম তাপপ্রবাহ, প্রচণ্ড ভারী বৃষ্টিপাত, খরা বা সাইক্লোন হতে দেখা যাচ্ছে – তাতে জলবায়ুর এই পরিবর্তন স্পষ্ট ফুটে উঠেছে। জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলার যুদ্ধে মানবজাতি কতটুকু প্রস্তুত। পৃথিবীজুড়ে পরিবেশ রক্ষার আন্দোলন চলছে। তবে বাংলাদেশ ভয়াবহ সংকটের মধ্যে রয়েছে।

বিশেজ্ঞদের বিশ্লেষণ অনুযায়ী আমাদের দেশ এক–তৃতীয়াংশ সমুদ্রে তলিয়ে যাবে। সুন্দরবন আমাদের বড় বড় সাইক্লোন থেকে বাঁচায়। অথচ আমরা সুন্দরবন ধ্বংস করা প্রকল্প বাস্তবায়ন করেছি। আমাদের দেশে প্রাণ-প্রকৃতি ধ্বংস করে।

আমরা যতই বিত্তশালী হই না কেন তা রাষ্ট্রের প্রত্যেক ব্যক্তির জন্য অশনিসংকেত। তার প্রমাণ হিসাবে কোভিড-১৯ বুঝে দিয়েছে। পরিবেশের ক্ষতি করলে তার বিপরীত প্রতিক্রিয়া হিসাবে আজকের পৃথিবীতে প্রতিদিন মৃত্যুর মিছিল দেখতে হচ্ছে। মানুষের নানা কর্মকাণ্ডের পরিণতিতে অতীতের যে কোনো সময়ের চেয়ে এখন দ্রুত হারে সাগর-পৃষ্ঠের উচ্চতা বাড়ছে এবং বরফ গলছে। সেই সাথে, জীব-জন্তুর বিভিন্ন প্রজাতি তাদের আবাসস্থল বদলাচ্ছে। বরফের আচ্ছাদন বিলীন হওয়ার কারণে কার্বন নিঃসরণের মাত্রা বেড়ে যাচ্ছে। মানবসৃষ্ট গ্রিনহাউজ গ্যাসের ফলে পৃথিবীর তাপমাত্রা বেড়েই চলছে। ফলে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের বসবাসের জন্য অযোগ্য পৃথিবী রেখে যাব। পৃথিবী আমাদের সবার তাই পৃথিবী রক্ষার দায়িত্ব সবার। ফলে প্রাণ প্রকৃতি ধ্বংসের সকল প্রকার প্রকল্প বন্ধ করতে হবে। আগমী প্রজন্মের জন্য বাসযোগ্য পৃথিবী গড়ে তুলতে হবে।

প্রাণিবিদ্যা বিভাগ, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়, জয়পুরহাট।

জলবায়ু পরিবর্তনে প্লাস্টিক দূষণ সবথেকে বেশি নেতিবাচক প্রভাব ফেলে

আনতাজ হেনা আখি

বাংলাদেশের সৌন্দর্যের কাছে পৃথিবীর অন্যদেশগুলোর সৌন্দর্য হার মেনে যায়। প্রতিনিয়ত হাজারো পর্যটকের ভীড় জমা হয় পর্যটন কেন্দ্র কিংবা স্থানগুলোতে, প্রকৃতির নৈশ্বারিক সৌন্দর্য গুলোকে উপলব্ধি করা জন্য। বিশেষ করে রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি, বান্দরবান, কক্সবাজার, তেতুলিয়া, টেকনাফ, সেন্টমার্টিন ইত্যাদি জায়গাগুলোতে। স্বভাবতই যেখানে মানুষের কলহল সেখানেই নানারকম ব্যবসারও জমজমাটপূর্ণ অবস্থা। ব্যবসায়ীদের একটা বড় অংশ তাদের মূল ব্যবসায়িক বিষয় গুলোর মধ্যে প্লাস্টিকটাকে বেশি গুরুত্ব দিয়ে বসে এসব জায়গাগুলোতে। তাদের ব্যবসায় তারা লাভবান হয় ঠিক কিন্তু অপরপক্ষে প্লাস্টিকের ব্যবহার দূষণ করে দিচ্ছি সেইসব নৈশ্বারিক সৌন্দর্যের পাশাপাশি পরিবেশকে এবং পরিবেশ দূষণ মানেই জলবায়ুতে নেতিবাচক প্রভাব।এছাড়া প্রাকৃতিক পশুপাখি,কিংবা প্রানীগুলোও তাদের প্রাণ হারিয়ে ফেলতেছে, তাদের চলাচলের পথেও নানারকম বাঁধার সৃষ্টি হচ্ছে। যেমন একটা সময় কচ্ছপ রা সমুদ্রের তীরে এসে খেলায় মেতে উঠত, আর পর্যটকরাও তাহ উপভোগ করত কিন্ত এখন তা অমাবস্যার চাঁদের মতো হয়ে পড়ছে। তাইতো প্রকৃতির সৌন্দর্যকে রক্ষা করার জন্য, দেশের সংস্কৃতি কিংবা ঐতিহ্যগুলোকে বাঁচিয়ে রাখার জন্য, পর্যটকদের আরও উৎসবমূখর, তাদের প্রাণ ফিরিয়ে আনতে প্লাস্টিকের ব্যবহার কমানো খুবই প্রয়োজন। তাই প্লাস্টিককে না বলুন পরিবেশকে রক্ষা করুন এবং জলবায়ু পরিবর্তনে নেতিবাচক প্রভাবগুলো কমিয়ে আনতে সাহায্য করুন। আমি, আপনি, আমরা, আপনারা সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টাই পারে জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাবগুলো রুখে দাঁড়াতে।

শিক্ষার্থী : মনোবিজ্ঞান বিভাগ, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়

পৃথিবীর অস্তিত্ব রক্ষার্থে জলবায়ু পরিবর্তন ঠেকাতে হবে

সাইদুন্নিছা তোহফা

একবিংশ শতাব্দীর এক অন্যতম চ্যালেঞ্জ জলবায়ু পরিবর্তন। পৃথিবীতে মানবজাতির তথাকথিত উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের ফলশ্রুতিতে জলবায়ু পরিবর্তন হচ্ছে আশংকাজনক হারে।জলবায়ু পরিবর্তনের অনিবার্য পরিণতি হিসেবে বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধি, অতিবৃষ্টি,বন্যা সহ প্রাকৃতিক দূর্যোগের প্রকোপ দিনকে দিন বাড়ছে।বরফ গলছে দ্রুত গতিতে,এবং এর প্রভাব পড়ছে প্রাণীকূল ও জীববৈচিত্র্যের ওপর।বিশেষজ্ঞদের মতে,এ পরিবর্তন যদি সমগতিতে চলতে থাকে তবে ২১০০ সাল নাগাদ সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বেড়ে যেতে পারে ১’১ মিটারের মত।ইতোমধ্যে আমরা দেখেছি,লকডাউনে বায়ুদূষণ কমছে হু হু করে। মেরামত হচ্ছে পৃথিবীর প্রতিরক্ষা ঢাল ওজোনস্তর। সমুদ্রসৈকত গুলোতে বেড়েছে মাছ ও সামুদ্রিক প্রাণীদের আনাগোনা। আজ উন্নত বিশ্বের মতো জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে সম্ভাব্য নাজুক পরিস্থিতি সামলাতে টেকসই পদক্ষেপ নিচ্ছে বাংলাদেশ। পলিথিন ও জীবাশ্ম জ্বালানির বিকল্প ব্যবহার,কার্বন নির্গমন হ্রাসে আরও সোচ্চার হতে হবে। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো,বেশি বেশি গাছ লাগানো।সর্বোপরি,আপনার আমার সমগ্র বিশ্বেরই হাতে হাত রেখে কাজ করতে এখনই দৃঢ় অঙ্গীকারবদ্ধ হতে হবে। তাহলেই সুস্থ পৃথিবী গড়ে তোলা সম্ভব।

শিক্ষার্থীঃ উদ্ভিদবিদ্যা বিভাগ,চট্টগ্রাম কলেজ

জলবায়ু পরিবর্তন ও তারুণ্যের দায়বদ্ধতা

সুমাইয়া আক্তার

বর্তমান সময়ে করোনাভাইরাসের কারণে বিশ্ব তোলপাড় হচ্ছে। আমরা সচেতনতা বৃদ্ধি করছি,কিন্তু জলবায়ু পরিবর্তনের মতো ভয়ংকর ইস্যু নিয়ে আমরা কতটা সচেতন?জলবায়ু পরিবর্তনটা আসলে কি?

জলবায়ু হচ্ছে কোনো এলাকা বা ভৌগোলিক অঞ্চলের ৩০-৩৫ বছরের গড় আবহাওয়া। জলবায়ু পূর্বেও পরিবর্তন হয়েছে এখনো হচ্ছে। তাহলে প্রশ্ন বর্তমান জলবায়ু পরিবর্তন কেন এত বেশি আলোচিত? এর একমাত্র কারণ, বিশ্বব্যাপী মানুষের কর্মকাণ্ড।জলবায়ু পরিবর্তন একটি বৈশ্বিক সমস্যা হলেও ভৌগলিক অবস্থানগত কারনে আমার দেশ তথা বাংলাদেশ নিয়ে আলাদা করে সত্যিই উদ্বিগ্ন হবার মতো।

ইতোমধ্যে বিশ্বে তাপমাত্রা ১ দশমিক ১ ডিগ্রি সেলসিয়াস বেড়ে গেছে। এ কারণে বন্যা-ঘূর্ণিঝড়ও বেড়ে গেছে। এ অবস্থায় যদি প্যারিস চুক্তি অনুযায়ী তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ না করা যায় এবং এই শতাব্দীর মধ্যে বিশ্বের তাপমাত্রা ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস বেড়ে গেলে নিঃসন্দেহে বন্যার পরিমাণ বাড়বে।

অন্যান্য প্রাকৃতিক দূর্যোগের মধ্যে আছে, অতিবৃষ্টি-অনাবৃষ্টি, তীব্র শৈত্যপ্রবাহ, তীব্র দাবদাহ, সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি, লবণাক্ততা, জোয়ার-জলোচ্ছ্বাস ইত্যাদি।

তরুণ প্রজন্ম আসলে এ বিষয়ে কতটুকু ভাবে? একটা গবেষণা ফলাফল প্রকাশিত হয়। সেখানে তরুণদের জলবায়ু সম্পর্কে জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা অনুসন্ধান করা হয়। গবেষণার ফলাফলে দেখা যায়- জলবায়ু পরিবর্তন সম্পর্কে বলতে বা ব্যাখ্যা করতে পারবে এমন তরুণ-তরুণীর সংখ্যা ৫০ শতাংশ।অথচ তরুণদের সেই চ্যালেঞ্জ গ্রহণে প্রস্তুত থাকতে হবে। বেশি বেশি সবুজায়নে মনোযোগী হতে হবে।অনলাইন ভিত্তিক তৎপরতাকেও কাজে লাগানো যেতে পারে। পরিশেষে গেটস নোটস ওয়েবসাইট থেকে নেওয়া উক্তিটিই বলবো, “আপনি ক্ষমতাসীন নেতৃত্ব, উদ্যোক্তা অথবা একজন ভোটার- যে-ই হয়ে থাকেন না কেন, আপনার ব্যস্ত জীবনে ফুসরত যত কমই হোক না কেন, তারপরও জলবায়ু দুর্যোগ এড়াতে আপনারও কিছু না কিছু করার সুযোগ রয়েছে। আর কিছু বলার নেই। আসুন কাজ শুরু করা যাক।”

শিক্ষার্থী: রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়

পরিবেশবান্ধব দূষণহীন প্রযুক্তি দরকার

মাহমুদা আক্তার টুম্পা

একবিংশ শতাব্দীর সন্ধিক্ষণে মানবজাতি যখন সভ্যতার চরম শিখরে, ঠিক তখনই পরিবেশ আমাদের ঠেলে দিচ্ছে মহাবিপর্যয়ের দিকে। পরিবেশে দেখা দিয়েছে জলবায়ুর পরিবর্তন ও বৈশ্বিক উষ্ণায়ন। যা পৃথিবীব্যাপী পরিবেশ বিপর্যয় করছে। এসব নিয়ে চিন্তা ভাবনার অন্ত নেই।জলবায়ু পরিবর্তনের সুদূরপ্রসারী প্রভাবের মারাত্মক ঝুঁকির মধ্যে উন্নয়নশীল দেশগুলো টিকে থাকার চেষ্টা করছে। এ পরিস্থিতি রোধে নেওয়া প্রয়োজন বৈশ্বিক উপশম লক্ষ্য, নীতি ও জরুরী কর্মপরিকল্পনা। আন্তর্জাতিক পরিমন্ডলে গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমের প্রায় ৮০ শতাংশ অবদান এনার্জি সেক্টরের। বিশ্বব্যাংকের ধারানুযায়ী, ২০৩০ সালে কার্বন নির্গমন ৬০ শতাংশ বৃদ্ধি পাবে এজন্য পরিবেশবান্ধব দূষণহীন প্রযুক্তি দরকার। এ প্রযুক্তি অধিকহারে নবায়নযোগ্য ও স্থানান্তরযোগ্য এনার্জি ব্যবহারের ক্ষেত্রে সহায়তা করতে পারবে। টেকসই উন্নয়ন কাঠামোর মধ্যে থেকেই উন্নয়নশীল দেশগুলোকে জলবায়ু পরিবর্তনের উপকৌশল গ্রহণ করতে হবে। এসব দেশের জাতীয় নীতির সাথে উপশম কৌশলকে সমন্বয় করে পরিবেশ উপযোগী উপশম কর্মসূচি প্রনয়ণ করতে হবে। যা হবে পরিমাপযোগ্য, যেন তা প্রতিবেদনাকারে প্রকাশ করা যায় এবং যথার্থতাও যেন নিরূপণ করা যায়। বিশেষ করে গুরুত্ব দিতে হবে দূষণহীন প্রযুক্তি স্থানান্তর এবং দক্ষতা বৃদ্ধিতে সহায়তা প্রদানে উন্নত দেশগুলোকে রাজি করানো এবং তা সুষ্ঠুভাবে কাজে লাগানো- এমনটিই আমি মনে করি।

শিক্ষার্থী ব্যবস্থাপনা বিভাগ
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়

জলবায়ু পরিবর্তন কৃষির উপর প্রভাব

মাসুম বিল্লাহ

বর্তমান পরিবেশের সবচেয়ে বড় হুমকি হচ্ছে জলবায়ু পরিবর্তন। কোন ভৌগোলিক অবস্থানের ৩০-৩৫ বছরের গড় আবহাওয়াকে জলবায়ু বলে আখ্যায়িত করা হয়। সাধারণত আগ্নেয়গিরির অগ্নুৎপাত, জৈব প্রক্রিয়া, সৌর বিকিরনের পরিবর্তন,গাছপালার সংখ্যা ক্রমান্বয়ে হ্রাস ইত্যাদি নিয়ামকের কারনেই জলবায়ুর পবিবর্তন হচ্ছে। পরিবেশ সুরক্ষিত থাকলে মানুষের মৌলিক চাহিদাগুলো, যেমন অন্ন,বস্ত্র,বাসস্থান, ঔষধ, জ্বালানি পানিসহ প্রয়োজনীয় উপকরন নিরবচ্ছিন্নভাবে পুরন করতে পারবে।কিন্তু পরিবেশ বিভিন্নভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হলে সেই পরিবেশে বসবাসের জন্য অনুপযোগী হয়ে পড়ে। বনাঞ্চলের ধ্বংস হলে বৃষ্টিপাতের পরিমান কমে যায় এবং চাষাবাদের যথেষ্ট ক্ষতি করে। বিশেষকরে গ্রিনহাউজ গ্যাস বৃদ্ধির ফলে পৃথিবীর তাপমাত্রা বেড়েই চলছে।পৃথিবীর তাপমাত্রা বাড়ার সাথে সাথে সমুদ্রের উচ্চতা বৃদ্ধি পাচ্ছে। এমন পরিস্থিতি চলতে থাকলে এক সময় উপকূল অঞ্চল তলিয়ে যাবে।

পৃথিবীর তাপমাত্রা বৃদ্ধির কারনে নানা প্রকারের দুর্যোগ বৃদ্ধি পাচ্ছে যেমন অতিবৃষ্টি, অনাবৃষ্টি, ক্ষরা,ঘূর্ণিঝড়, জলোচ্ছ্বাস ইত্যাদি। যার ফলে প্রতিবছর ক্ষয়ক্ষতির পরিমান বেড়েই চলছে। জলবায়ু পরিবর্তন একটি প্রাকৃতিক ঘটনা হলেও মানুবসৃষ্ট কর্মকান্ড এটির পরিবর্তনকে ব্যাপকভাবে প্রভাবিত করছে। ভৌগোলিক অবস্থানের দিক থেকে বিশ্বের যেসব দেশ ক্ষতিগ্রস্ত হবে তার মধ্যে বাংলাদেশ অন্যতম।মানুষের চাহিদা পুরন ও আর্থসামাজিক উন্নয়নের জন্যই প্রাকৃতিক পরিবেশের উপর নির্ভরশীলতা বাড়িয়ে দিচ্ছে।দেশে অতিরিক্ত জনসংখ্যার খাদ্য চাহিদা পুরন করতে বনাঞ্চল ধ্বংস করা হচ্ছে এছাড়া অতিরিক্ত যানবাহন ও কলকারখানায় কালো ধোঁয়া ওজন স্থর ধ্বংস করছে যাহা জলবায়ুর উপর বিরূপ প্রভাব ফেলছে। জলবায়ুর এই বিরুপ পরিবেশের সাথে খাপ খাওয়াতে বিভিন্ন অভিযোজন সক্ষমতা সম্পন্ন চারা প্রস্তুত কমতে হবে,যাতে করে জলবায়ুর পরিবর্তনের ক্ষতিকর প্রভাব থকে কৃষিকে মুক্ত রাখা যায়। তাই কৃষি নির্ভর এই অর্থনীতিকে বাঁচাতে হলে জলবায়ুকে গুরুত্ব দিতে হবে।

শিক্ষার্থী, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়

এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

Leave a Reply

প্রতিবেদক

সর্বশেষ সংবাদ