নওগাঁর মহাদেবপুরে আম বাগানের ভিতর দিয়ে গরু আনতে নিষেধ করায় বৃদ্ধ দম্পত্তিকে মারপিট

নওগাঁর মহাদেবপুরে আম বাগানের ভিতর দিয়ে গরু আনতে নিষেধ করায় প্রতিপক্ষের মারপিতে আহত হয়েছেন বৃদ্ধ শমসের আলী (৯০), তার স্ত্রী মোছাঃ আমেনা খাতুন (৮০), ছেলে মোঃ হারুনুর রশিদ ও নাতি মোঃ আব্দুল আওয়াল।

এ ঘটনায় আহত মোঃ হারুনুর রশিদ ৭জনকে অভিযুক্ত করে থানায় অভিযোগ দিয়েছেন। অভিযোগ দেয়ার সপ্তাহ হতে চললেও পুলিশ কোন ব্যবস্থা নেয়নি। মহাদেবপুর থানায় দায়েরকৃত অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, গত ২ জুলাই শুক্রবার দুপুরে উপজেলার রাইগাঁ ইউনিয়নের কৃষ্ণপুর পাগলাপাড়ার মৃত ছয়ফুদ্দিনের পুত্র মোঃ রেজাউল বাদীর আম বাগানের ভিতর দিয়ে গরু নিয়ে আসছিল। এ সময় বাদীর ছেলে মোঃ আব্দুল আওয়াল তাকে বাগানের ভিতর দিয়ে গরু আনতে নিষেধ করে। এ ঘটনায় ক্ষিপ্ত হয়ে ওই গ্রামেরই অভিযুক্ত মোঃ রেজাউল, মাওলানা তমিজ উদ্দীনের পুত্র মোঃ ওবাইদুল্লাহ, মৃত ছয়ফুদ্দিনের পুত্র মোঃ আব্দুল মান্নান, মোঃ আঃ সালাম, রেজাউলের স্ত্রী কৌলি বেগম, আব্দুল মান্নানের স্ত্রী মোছাঃ নাসরিন বেগম, মোঃ আঃ সালামের স্ত্রী মোছাঃ ছাবিনা বেগম দলবদ্ধভাবে বৃদ্ধ শমসের আলীর বাড়িতে জোরপূর্বক প্রবেশ করে বেধড়ক মারপিট, জিনিসপত্র ভাঙচুর ও ঘরে থাকা নগদ ৫০ হাজার টাকা ছিনিয়ে নেয়। এ সময় প্রতিপক্ষের মারপিটে বৃদ্ধ শমসের আলীর চোখের উপরে কেটে যায় এবং তার স্ত্রীর মাথার পিছনের অংশ কেটে যায়। বাদীর ডাক চিৎকারে প্রতিবেশীরা ছুটে এসে তাদের উদ্ধার করে। পরে প্রতিবেশীরা আহত শমসের আলী, মোছাঃ আমেনা খাতুন, মোঃ হারুনুর রশিদ ও মোঃ আব্দুল আওয়ালকে চিকিৎসার জন্য মহাদেবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসেন। সেখানে করোনার কারণে ভর্তি না নিয়ে আমেনা খাতুনের মাথায় তিনটি শেলাই, শমসের আলীর চোখের উপরে ব্যান্ডেজসহ অন্যদের প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে ছেড়ে দেন।

অভিযোগকারী মোঃ হারুনুর রশিদ জানান, ২ জুলাই মারপিটের পর থানায় অভিযোগ দেয়ার পরেও সেটি মামলা হিসেবে রেকর্ডও হয়নি। কাউকে আটক বা জিজ্ঞাসাবাদও করেনি। এমনকি তারা তার পরিবারকে বিভিন্নভাবে হুমকি দিয়ে আসছে।

মহাদেবপুর থানার অফিসার উনচার্জ আজম উদ্দীন মাহমুদ এর সাথে যোগাযোগ করা হয়ে তিনি জানান, এ বিষয়ে একটি অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

Leave a Reply

প্রতিবেদক

সর্বশেষ সংবাদ