নওগাঁয় পোকার উপদ্রবে ক্ষতি হচ্ছে শতাধিক বিঘার ধান

- Advertisement -

নওগাঁর মাঠগু‌লো‌তে আধা পাকা ধানে দেখা দি‌য়ে‌ছে কারেন্ট পোকা ও ইদু‌রের উপদ্রব। ক্ষতিকর পোকা ধানের গোড়া কেটে দেয়ায় শত শত বিঘা জমির ধান চিটা হয়ে গেছে। পোকা দমনে নানা ওষুধ প্রয়োগ করেও কাজ হচ্ছে না বলে অভিযোগ চাষিদের। ওষুধ প্রয়োগে পরামর্শ নেয়ার আহ্বান কৃষি কর্মকর্তাদের।

নওগাঁ সদর উপজেলার চক জাফরাবাদ এলাকায় কৃষক ইসমাইলের মতো অনেকেই এবার ফসল ঘরে তোলা নিয়ে অনিশ্চয়তায় দিন কাটাচ্ছেন। মাঠে ক্ষতিকর পোকার হানায় নষ্ট হয়ে গেছে আধাপাকা ধান।

মাঠগুলোতে ধান বের হওয়ার পরই দেখা দেয় ক্ষতিকর পোকার উপদ্রব। এ পোকা দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে বিস্তৃত মাঠে। ব্লাস্ট, মাজরা ও খোল পচা নামক ছত্রাক ধানের গোড়ায় শীষ কেটে দেওয়ায় চিটা হয়ে গেছে বের হওয়া ধান।

ধান কেটে তোলার আগ মুহূর্তে ফসলের এমন বিপর্যয়ে বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির আশঙ্কা চাষিদের ।

কৃষক ইসমাইল বলেন, এক বিঘা মাটিতে পাঁচবার ওষুধ দিয়েছে তাতেও কোনো কাজ হচ্ছে না। তাদের খবর দেই তারা আসার পর বলে এই ওষুধ দাও, ওই ওষুধ দাও। এখন যে ধান হয়েছে এ পোকা থাকলে কিছুই হবে না এমন অবস্থা।

ক্ষতিকর ছত্রাকে ধানের সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয়েছে মান্দা, নিয়ামতপুর, রাণীনগর আত্রাই ও পত্নীতলায়। কৃষকরা বলছেন ফসল রক্ষায় একাধিকবার বিভিন্ন কোম্পানির ওষুধ প্রয়োগেও মিলছে না সুফল।

কৃষকরা বলেন, ওষুধ দেওয়ার ৮-৯ দিন ভালো ছিল এর পর দেখি আবার একইরকম। ধানের শীষ বের হওয়ার পরেই ধান মরে যায়।

যেনতেন কীটনাশক প্রয়োগ না করে পরামর্শ নেওয়ার আহ্বান কৃষি কর্মকর্তার।

নওগাঁ কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মো. সামসুল ওয়াদুদ বলেন, কৃষি কর্মকর্তারা মাঠে খুব সতর্কভাবে আছে। যেখানো কোনো সমস্যা হলেই কৃষকদের পরামর্শ দেওয়া হবে।

কৃষি বিভাগ, জানায় চলতি মওসুমে জেলায় ১ লাখ ৯৭ হাজার হেক্টর জমিতে আমন আবাদ হয়েছে । যার মধ্যে প্রায় ৫ হাজার হেক্টর জমির ধানের ক্ষতি হয়েছে।

এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

Leave a Reply

প্রতিবেদক

সর্বশেষ সংবাদ