বগুড়া গাবতলীতে বড়ভাই কতৃক ছোট ভাইয়ের স্ত্রীর উপর হামলা-তৎপর মামলা

- Advertisement -

(এনকে সূর্য্য)স্টাফ রিপােটার।।

বগুড়া গাবতলী উপজেলার নিশিন্দারা গ্রামের মৃত কার্তিক চন্দ্র রায় এর ছেলে জীবন চন্দ্র রায় বাদী হয়ে ফৌজদারী আইনে অখিল চন্দ্র রায়সহ ০৪ জনের বিরুদ্ধে গত ১১ই মে-২২ইং তারিখ রোজ বুধবার আসামী করে বগুড়া জেলা ম্যাজিস্ট্রেট গাবতলী থানা আমলী আদালতে ফৌজদারী দন্ড বিধির ৪৪৮/৩২৩/৩২৪/৩০৭/৩৭৯/৩৫৪/৫০৬(২)/৩৪ দঃবিঃ ধারায় ১৬৮ সি/২২ (গাবঃ) মামলা দায়ের করে। উক্ত মামলা শুনানি শেষে বিচারক সঞ্চিতা ওসি(তদন্ত) গাবতলীকে তদন্ত কার্য্যক্রমের আদেশ প্রদান করে।

উক্ত আসামীগন হচ্ছে অখিল চন্দ্র রায়(৫০)পিতা-মৃত কার্তিক চন্দ্র রায়,প্রভাতী রায়(৪০)স্বামী-অখিল চন্দ্র রায়,মিতালী রানী(২০)স্বামী-বিদ্যুৎ চন্দ্র সরকার,মিঠু চন্দ্র রায়(৩০)পিতা-অকিল চন্দ্র রায় সকলের গ্রাম নিশিন্দারা,থানা-গাবতলী,জেলা-বগুড়া।

মামলা সূত্রে জানা যায় যে,আসামী অখিল চন্দ্র রায় ও আসামী মিঠু চন্দ্র রায় হুকুম দেয় যে,বাদী জীবন চন্দ্র রায় ও ভিকটিম লিপি রানীকে জীবনের মনে শেষ করে ফেল। এই হুকুম পাওয়া মাত্র আসামী প্রভাতী রায় ও মিতালী রানী বাদীর স্ত্রী লিপি রানীকে গত ০৩রা মে-২২ইং তারিখ রােজ-মঙ্গলবার সময় সকাল ৭.৩০ টায় বাদীর নিজ বসতবাড়ীতে আসামীগন বাদীর স্ত্রী লিপি রানীকে লাঠি-সোট দিয়ে এলােপাথারী ভাবে মারপিট করতে থাকে। এমনকি বাদী তার স্ত্রীকে রক্ষা করতে গেলে ২/৩নং আসামী প্রভাতী রায় ও মিতালী রানী বাদীকেও লাঠী-সোটা দিয়ে এলােপাথারী ভাবে মারপিট শুরু করে এবং আসামী প্রভাতী রায় ও আসামী মিঠু চন্দ্র রায় ভিকটিমের শরীর হইতে ০৩ ভরি ওজনের প্রায় আনুঃ ০২ দুই লক্ষ টাকা মূল্যের স্বর্ণের বালা ও মালা ছিনিয়ে নেয়।

এদিকে ১নং আসামী অখিল চন্দ্র রায় হত্যার উদ্দেশ্যে ১নং সাক্ষী লিপি রানীর(ভিকটিম) চোখ-মূখ লক্ষ্য করে স্ব-জোরে আঘাত করে। যার ফলে ভিকটিমের একটি চোখ ফুলে রক্ত বর্ণ হয়ে নষ্ট হওয়ার মত অবস্থা সৃষ্টি হয়। যাহা স্থানীয় চিকিৎসায় ভালো না হলে পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য গাবতলী উপজেলা সরকারি স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স,বগুড়াতে ভর্তি করা হয়।

তৎপর লিপি রানী (ভিকটিম) সাক্ষীর মৃত্যু না হইলেও আসামী অখিল চন্দ্র রায় ভিকটিমকে পুনরায় হত্যার উদ্দেশ্যে গলা টিপে ধরে শ্বাস রুদ্ধ করে ভিকটিমের চোখ উল্টে যায় ও জিহ্বা বের করে ফেলে।

এরপর উক্ত আসামী ভিকটিমের পড়নের শাড়ী ব্লাউজ খুলে বিবস্ত্র করে শ্লীলতাহানী ঘটায়। ঘটনা স্থলে হৈচৈ শুনে লােকজন এগিয়ে আসলে ১নং আসামী অখিল চন্দ্র রায়ের পুত্রবধু আদরী রানী পুলিশ(কনস্টেবল) সদস্য হওয়ায় এবং বগুড়া জেলায় থাকায় আসামীগন নানা রকম হুমকিসহ ধারালাে অস্ত্র-সস্ত্রের ভয়-ভীতি দেখিয়ে চলে যায়।

এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

Leave a Reply

প্রতিবেদক

সর্বশেষ সংবাদ