বালিয়াকান্দিতে বাণিজ্যিক ভাবে কমলা চাষ

- Advertisement -

আপন দুই ভাই, একজন স্কুল শিক্ষক আব্দুস সালাম ও অপর জন ব্যাংকার আব্দুর রউফ। শখের বশে শুরু করে কমলা চাষ। তবে তাদের শখের বশে লাগানো কমলা গাছে যখন আশানুরূপ ফল ধরতে শুরু করে তখন তারা কমলা বাণিজ্যিক ভাবে চাষের জন্য এক একর জায়গা নির্বাচন করে। ২০১৫ সালে তাদের একর জায়গায় ১৮৩ টি ম্যারিন্ডা জাতের কমলার চারা তারা রোপন করেন। গত ২০২০ সালে ওই প্রতিটি গাছে প্রায় ৫০ কেজি করে কমলা ধরে। তবে এ বছর ও কমলার ফলন ভালো। তুলনামূলক গত বছরের চেয়ে কম। এর কারণ হিসেবে বাগানের মলিক বলেন, সঠিক পরিচর্যা না হওয়ার কারনে এবছর কমলা ধরার পরিমাণ কিছুটা কমেছে। তবে এবারের কমলার স্বাদ গত বছরের চেয়েও বেশি মিষ্টি।

সরেজমিনে কমলার বাগানে গেলে দেখা যায়, প্রতিটি কমলা গাছে থোকায় থোকায় ঝুলছে রঙিন কমলা।এ সময় দেখা যায় কমলার বাগান দেখতে বিভিন্ন জায়গা থেকে ভিড় করছে দর্শনার্থীরা। রঙিন কমলার সাথে আবার কেউ কেউ সেলফি তুলছেন। অনেকেই আবার এসেছেন সপরিবারে। তবে স্থানীয় কৃষকরা এই বাগান দেখে বেশ উদ্বুদ্ধ হচ্ছেন কমলা চাষে। জেলার বিভিন্ন জায়গা থেকে কৃষকেরা এখান থেকে কমলার চারা কিনে নিয়ে যাচ্ছেন বাগান করার জন্য।

বাগানের মালিক স্কুল শিক্ষক আব্দুস সালাম বলেন, প্রথমে শখের বশে কমলার চারা রোপন করি। পরে এটিতে সফলতা পাওয়ায় এখন বাণিজ্যিক ভাবে চাষ করেছি। ইচ্ছা আছে এই অঞ্চলে ভালো জাতের কমলার চারা ছড়িয়ে দিব। সেভাবেই কাজ করছি। আমাদের এখানে অনেক উন্নত জাতের বিভিন্ন ফল ও ফুলের চারা পাওয়া যায়।

রাজবাড়ী কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা বলেন, এখন সমতল ভূমিতেও কমলার চাষ হচ্ছে। আমরা চেষ্টা করছি জেলার প্রতিটি উপজেলাতেই কমলার চাষ ছড়িয়ে দিতে। যদি এই জেলাতে কমলার চাষে পুরোপুরি সফলতা আসে তাহলে দেশের কৃষি অর্থনীতিতে নতুন দিগন্তের সূচনা হবে। কমলার চাষের জন্য কৃষকের যতটুকু সহযোগিতা করার কথা তা পুরোটাই করা হবে।

এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

Leave a Reply

প্রতিবেদক

সর্বশেষ সংবাদ