বার্মার ১ বিলিয়ন ডলার ফ্রিজ করেছে আমেরিকা

বার্মার উপর টার্গেটেড অবরোধের কবলে পড়েছে সেনাবাহিনীর সাথে যুক্ত সকল ব্যাবসা। আশঙ্কা করা হচ্ছে যে এটা বার্মিজ অর্থনীতির উপর বিরুপ প্রভাব ফেলবে। এতে রপ্তানি ক্ষতিগ্রস্থ হবে। স্পিল ওভার ইফেক্ট পড়বে সব খাতেই।

এখনো বার্মা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে GSP সুবিধা পায়। এই সুবিধার আওতায় বার্মায় পোশাক খাত সহ বেশ কিছু খাতে বিল্পব শুরু হয়েছিল। কিন্তু যদি GSP এর মত সুবিধা কেড়ে নেয়া হয় তবে সত্যিকার অর্থেই ক্ষতিগ্রস্থ হবে। বৈদেশিক বিনিয়োগ কমে যাবে বা সরে যাবে।

তবে বার্মার সবথেকে বড় শক্তি হল আসিয়ান। তাদের ট্রেডের অধিকাংশ হয় এই আঞ্চলিক মুক্ত বাণিজ্যের জোটে। সেই সাথে তারা RCEP এর সদস্য হওয়াতে বিশ্বের প্রায় অর্ধেক অর্থনীতির বাজারে শুল্কমুক্ত সুবিধা তারা পেয়েছে। এজন্যই অবরোধে বার্মা ক্ষতিগ্রস্থ হলেও দুমড়ে মুচড়ে পড়েনা। RCEP বা আসিয়ানের সাথে বাংলাদেশের মুক্ত বাণিজ্য নিয়ে আলোচনার গুরুত্ব একারনেই আপনাদের কাছে বার বার বলেছি। আপনারা বিরোধীতা করেছেন। গালাগালিও করেছেন। জানিনা কজন এর গুরুত্ব বুঝতে পেরেছেন অথবা আমি বোঝাতে পেরেছি।


আরও পড়ুন>>


যাহোক, বার্মার বড় সাপোর্ট এখন চীন ও জাপান। জাপান কেন? কারন বার্মায় জাপানের বিনিয়োগ কেমন সেটা সম্পর্কে আপনি আমি খুব কম ধারনা রাখি। জাপানের টয়োটার কারখানা কিন্তু বাংলাদেশে নেই। কিন্তু বার্মায় আছে। আবার সুজুকির মত কোম্পানির গাড়ির কারখানাও সেখানে আছে যেটা আমাদের দেশে নেই। আর এর অন্যতম কারন এখনো বিনিয়োগের ক্ষেত্রে বার্মা বিনিয়োগ কারী দেশকে যত বেশি দেশে শুল্ক সুবিধা দিতে পারবে বাংলাদেশ সেটা পারবে না।

আমাদের দেশের বুদ্ধিজীবীদের বিরাট একটি অংশ পরিবর্তন কে ভয় পায়। বুর্জোয়া থিওরি, করপরোক্রেসির মত কন্সপাইরেসি থিওরি এখনো এদেশে যথেষ্ট জনপ্রিয়।

সূএ: Defres

- Advertisement -

এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

Leave a Reply

প্রতিবেদক

সর্বশেষ সংবাদ

Bengali Bengali English English German German Italian Italian
%d bloggers like this: