গঙ্গাচড়ায় ৩ ব্রিজের সংযোগ সড়ক ভেঙে অর্ধ লক্ষাধিক মানুষের দুর্ভোগ

0
16
গঙ্গাচড়ায় ৩ ব্রিজের সংযোগ সড়ক ভেঙে অর্ধ লক্ষাধিক মানুষের দুর্ভোগ
গঙ্গাচড়ায় ৩ ব্রিজের সংযোগ সড়ক ভেঙে অর্ধ লক্ষাধিক মানুষের দুর্ভোগ
সাইফুজ্জামান, গঙ্গাচড়া উপজেলা (রংপুর) প্রতিনিধি।।

উজানের পাহাড়ী ঢল ও অতিবৃষ্টিতে তিস্তা নদীর পানির তোড়ে রংপুরের গঙ্গাচড়ায় ৩টি ব্রিজের সংযোগ সড়ক ভেসে গেছে। এতে করে দুই ইউনিয়নের অর্ধ লক্ষাধিক মানুষ যোগযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। স্থানীয় অধিবাসীরা যাতায়াত করতে না পেরে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন।

এলাকাবাসী ও জনপ্রতিনিধিদের সূত্রে জানা যায়, ১২ জুলাই উজানের পানি ও অতি বৃষ্টিতে ফুলে ফেঁপে উঠে তিস্তা নদী। নদীর বুক পানি ধরে রাখতে না পারায় লোকলয়ে ঢুকে পড়ে পানি। ফলে বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। পানি তীব্র স্রোতে লালমনিরহাট জেলার কাকিনার রুদ্রেশ্বরের ৪০ ফুট ব্রীজের সংযোগ সড়ক ভেঙে যায়। এতে করে গঙ্গাচড়ার লহ্মীটারী ইউনিয়নের বিনবিনার চর, পূর্ব ইচলী, পশ্চিম ইচলীসহ ৫ গ্রামের প্রায় ৫০ হাজার মানুষের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। ফলে ওইসব এলাকায় খাদ্য, ঔষধসহ নিত্য প্রয়োজনীয় সামগ্রীর সংকট দেখা যায়। সেই সাথে ওইসব এলাকায় উৎপাদিত ভুট্টাসহ বিভিন্ন শাক-সবজি বাজারজাত করতে পারছে না কৃষক।


আরও পড়ুন


এদিকে, গঙ্গাচড়ার মর্ণেয়া ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ডের শেখপাড়ায় ৫০ ফুট দৈর্ঘ্যরে একটি ব্রীজের সংযোগ সড়কের মাটি পানির তোড়ে ভেসে গেছে। এতে করে শেখ পাড়ার ৩টি ওয়ার্ডের হাজীপাড়া, মর্ণেয়া, আনন্দ বাজারসহ আশপাশের গ্রামের ৪ হাজার মানুষের ব্রীজ দিয়ে চলাচলে দূর্ভোগ তৈরী হয়েছে।

অপরদিকে, মর্ণেয়া ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ডের জমচওড়া এলাকার ২০ ফুট দৈর্ঘ্যরে ব্রীজের সংযোগ সড়ক ভেঙে গেছে। ফলে জমচওড়া, আলালেরহাট, ছালাপাকসহ আশপাশ এলাকার ২ হাজারের বেশি মানুষের চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে।

এব্যাপারে মর্ণেয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মোছাদ্দেক আলী আজাদ বলেন, আমার ইউনিয়নের ২টি গুরুত্বপূর্ণ ব্রিজের সংযোগ সড়ক ভেঙে গেছে। পানি উন্নয়ন বোর্ডসহ সংশ্লিষ্ট মহলকে বিষয়টি অবগত করলেও এখন পর্যন্ত কেউ একজন পরিদর্শনেও আসেনি। আমি নিজ উদ্যোগে ৮শ বস্তা জিও ব্যাগ ফেলে শেখপাড়ার ব্রিজটি রক্ষার জন্য জরুরী কাজ করেছি।

এ ব্যাপারে রংপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মেহেদী হাসান বলেন, ব্রিজগুলোতে রক্ষা ও সংযোগ সড়ক তৈরীতে ব্রীজ নির্মাণকারী কর্তৃপক্ষ এলজিইডি, জেলা পরিষদ কিংবা অন্য কোন দপ্তর তারা নিজ ব্যবস্থাপনায় সময় সুযোগ মত করবেন। এটি আমাদের আওতায় নেই। এছাড়া আমরা জরুরী ভিত্তিতে ভঙন এলাকাগুলো রক্ষায় কাজ করছি।

Leave a Reply