মহান শিক্ষক চেয়ারম্যান মাও সে তুঙ-এর মৃত্যুদিবসে শ্রদ্ধার্ঘ

মাও সে তুঙ এর ৪৪তম মৃত্যু দিবসে গভীর শ্রদ্ধা। ১৯৭৬ সালের ৯ সেপ্টেম্বর তাঁর মৃত্যু ঘটে। মাও -এর মৃত্যু বার্ষিকী স্মরণ করার এই ‘চল’ আমাদের দেশে সে অর্থে তেমন একটা ‘কাজে’ আসে না। এ যেন কেবলই স্মৃতিচারণ করতে হয় বলেই করা…তা না হলে এতবার এতভাবে এদেশের সর্বহারা শ্রেণির মুক্তির প্রশ্নে মাও সেতুঙ-এর কর্মপদ্ধতি, রণকৌশল-রণনীতি প্রয়োগ করেও কেন ব্যর্থতা দীর্ঘস্থায়ী হবে? এর আগেও মাওকে নিয়ে এই প্রসঙ্গগুলোই লিখতে হয়েছে। তাই কিছুটা পুনরাবৃত্তি মনে হতে পারে।

মাও এবং চীন সম্পর্কে এদেশে তিন ধরণের মাও অনুসারী রয়েছেন। সংক্ষেপে বলা যায় মাও এবং মাওয়ের চীন সম্পর্কে এখানে যারাই নিজেদের ‘পণ্ডিত’ পর্যায়ে ভেবে বিভিন্ন বক্তব্য, রচনা, মন্তব্য করে এসেছেন তাদের অধিকাংশই হয় ভুল-ভ্রান্তিতে ভরা, নয়ত অতিরঞ্জিত। কেউ না বুঝে যান্ত্রিকভাবে অনুসরণ করতে চেয়েছেন, কেউ বা জাতীয়তাবাদী বিচ্যুতিসমেত মাও চিন্তাকে আত্মস্থ করতে গিয়ে জতীয় যুদ্ধকে শ্রেণিযুদ্ধ বলে ভুল করেছেন।

এদের মধ্যে এমনও মাও চিন্তানুসারী নেতা রয়েছেন যারা ৩০-৪০ বছর ধরে মাও চিন্তা অনুশীলনের পর মাওকে ‘উন্মাদ’ বলেছেন! আবার কেউ মাও চিন্তাকে অথোরিটি মেনে নিয়েও এক পর্যায়ে নিজেকেই মাও চিন্তার উপরে তুলে ধরে অথোরিটি ঘোষণা করেছেন।

বিপ্লব সম্পর্কে মাওয়ের মহান উক্তিঃ আমাদের মত কৃষিপ্রধান দেশে সর্বহারা বিপ্লব করতে (যে বিপ্লব কার্যত নয়া গণতান্ত্রিক বিপ্লব, এবং আজকের দিনে এই নয়া গণতান্ত্রিক বিপ্লবও আর বুর্জোয়া পথে আসতে পারেনা) তিনটি জিনিস দরকারঃ এক. শ্রমিক শ্রেণির নেতৃত্বে একটি কমিউনিস্ট পার্টি। দুই. সেই পার্টির নেতৃত্বে একটি যুক্তফ্রন্ট এবং তিন. জনগণের বাহিনী।

মার্কসবাদ-লেনিনবাদ মতাদর্শকে সফল প্রয়োগ করে মাও সে তুঙ চীনের মত পশ্চাদপদ কৃষি নির্ভর দেশে বিপ্লব সম্পন্ন করেছিলেন। সেই সাথে যে তিনটি বিশেষ সংযোজন তিনি লেনিনবাদে সংযোজিত করেছিলেন সেগুলোই মাওকে বিশ্বের সকল নেতা থেকে আলাদা করে। মাওয়ের সেই তিনটি অবদানের কারণেই মাও চিন্তা (পরবর্তীতে মাওবাদ) লেনিনবাদের মৌলিক সংযোজন হিসেবে বিবেচিত।

যার প্রথমটি হচ্ছে মহান সর্বহারা সাংস্কৃতিক বিপ্লব। মহামতি লেনিন এই সর্বহারা সাংস্কৃতিক বিপ্লবরে প্রয়োজনীয়তা অনুভব করছিলেন ১৯১৯ সালেই। তিনি বলেছিলেন “যদি সমগ্র জনসংখ্যা সরকারের কাজে অংশগ্রহণ করে কেবল তাহলেই আমরা একেবারে শেষ পর্যন্ত, চূড়ান্ত বিজয় পর্যন্ত আমলাতন্ত্রের বিরুদ্ধে লড়াই করতে পারি। বুর্জোয় প্রজাতন্ত্রগুলোতে এটা কেবল অসম্ভবই নয়, পরন্তু খোদ আইনই এটাকে নিবৃত্ত করে!আমলাতন্ত্রকে পরাভূত করা হয়েছে। শোষকদের নির্মূল করা হয়েছে। কিন্তু সাংস্কৃতিক মান উন্নয়ন করা হয়নি বলে আমলারা এখনও তাদের পুরোনো স্থান দখল করে রয়েছে।”

লেনিন যেটা শেষ করতে পারেননি সেটাই মাও শুরু এবং শেষ করেছিলেন। যে মহান সর্বহারা সাংস্কৃতিক বিপ্লবকে সহ্য করতে না পেরে আজও বুর্জোয়ারা একে ‘মাত্রাতিরিক্ত বাড়াবাড়ি’ বলে আসছে।

মহান সর্বহারা সাংস্কৃতিক বিপ্লবের অনিবার্যতা প্রসঙ্গে মাও বলছেন- “তোমরা সমাজতান্ত্রিক বিপ্লব করছো,অথচ তোমরা জানো না বুর্জোয়ারা কোথায়। তারা কমিউনিস্ট পার্টির মধ্যেই– যারা পুঁজিবাদের পথ নিচ্ছে।”

এখানে প্রাসঙ্গিকভাবেই সাংস্কৃতিক বিপ্লবের প্রসঙ্গে বলতে গেলে লিন পিয়াও প্রসঙ্গ আসবেই।
…..লিন পিয়াও চীনা পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটির সামরিক কমিশনের কাজ পরিচালনার দায়িত্ব নেন। তাঁর ব্যক্তিগত পরিচালনায় সেনাবাহিনীর রাজনৈতিক মতাদর্শগত কাজকে শক্তিশালী করা সম্পর্কে চেয়ারম্যানের সর্বহারা বিপ্লবী লাইনকে কার্ষকরী করেন, কুতিয়েন কংগ্রেসের গৌরবময় ঐতিহ্যকে এগিয়ে নিয়ে যান এবং মাও সে তুঙ চিন্তাধারার জীবন্ত অধ্যয়ন ও প্রয়োগে গণআন্দোলন গড়ে তোলেন। লিন পিয়াও ঘোষণা করলেন —
” হয় পুঁজিবাদ না হয় সমাজতন্ত্রের যে কোন একটা চিন্তা মস্তিষ্কে প্রাধান্য বিস্তার করে থাকে। সুতরাং উত্তরণের সময়ে সর্বহারা আদর্শকে বাড়িয়ে তোলা আর বুর্জোয়া আদর্শকে শেষ করার সংগ্রামকে সশস্ত্র বাহিনী গড়ে তোলার সমগ্র পর্ষায়ে সবার আগে স্হান দিতে হবে। সেই আদর্শগত সংগ্রাম থেকে বিচ্ছিন্ন করে সর্বহারার বাহিনী তৈরির কোন কাজ, এমনকি আধুনিকীকরনের কাজও হতে পারে না।“

“আমাদের পার্টির সমগ্র ইতিহাস প্রমাণ করেঃ চেয়ারম্যান মাও এর থেকে বিচ্ছিন্ন হলে, মাও সে তুঙ চিন্তাধারা থেকে বিচ্ছিন্ন হলে আমাদের পার্টি ধাক্কা খাবে ও পরাজিত হবে। নিবিড়ভাবে চেয়ারম্যান মাওকে অনুসরণ করলে আমাদের পার্টি এগিয়ে যাবে ও বিজয় অর্জন করবে ।“
গণমুক্তি ফৌজের মধ্যে মতাদর্শগত কাজকে শক্তিশালী করার জন্য লিন সূত্রবদ্ধ করেন চার প্রথম (Four First) নীতি। সেই নীতি অনুযায়ী প্রথম স্হান দিতে হবেঃ

১। মানুষ এবং অস্ত্রের মধ্যেকার সম্পর্ক পরাচালনার ক্ষেত্রে মানুষকে।
২। রাজনৈতিক কাজ এবং অন্যান্য কাজের মধ্যেকার সম্পর্ক পরিচালনার ক্ষেত্রে রাজনৈতিক কাজকে।
৩।মতাদর্শগত কাজ এবং দৈনন্দিন রাজনৈতিক কাজের ক্ষেত্রে মতাদর্শগত কাজকে।
৪। মতাদর্শগত কাজের ক্ষেত্রে পুঁথিগত ধারণা এবং জীবন্ত ধারনার মধ্যেকার সম্পর্ক পরিচালনার ক্ষেত্রে জীবন্ত ধারণাকে।

চেয়ারম্যান মাও নিজে বললেন – “চার প্রথম যথোপযুক্ত ও মৌলিক। কমরেড লিন পিয়াও চার প্রথম ও তিন আট পদ্ধতি চালু করার পর থেকে গণমুক্তি ফৌজের রাজনৈতিক ও সামরিক কাজে এক বিরাট অগ্রগতি ঘটেছে। এই কাজ আরও সুসংবদ্ধ ও তত্ত্বগতভাবে আরও সমৃদ্ধ হয়েছে।”

গণকমিউন ও বৃহৎ উল্লম্ফনের বছরগুলিতে লিন ও তার গণমুক্তি ফৌজ দক্ষিণপন্হীদের আক্রমণের মুখে মাওকে দৃঢ়ভাবে সমর্থন ও রক্ষা করেছিলেন। ১৯৬৪ সালে লিন গ্রন্থনা করলেন বিখ্যাত ‘রেড বুক’ – চেয়ারম্যান মাও সে তুঙ -এর উদ্বতির সংকলন। কোটি কোটি কপি রেড বুক ছড়িয়ে পড়ল সারা দেশে। অনুদিত হল প্রায় ২০ টি ভাষায় ছড়িয়ে পড়ল বিশ্বে। সারা দেশকে মাও সে তুঙ চিন্তাধারার পাঠ ও চর্চার বিদ্যালয়ে পরিণত করার এই পদক্ষেপ অতীব গুরুত্বপূর্ণ।

(এই পুরো ব্যাপারটি আমাদের দেশের মাওবাদীরা নিতান্ত অবহেলা-অজ্ঞতায় এড়িয়ে যান অথবা অনুশীলনে আনেনই না)।

(দুই) মার্কসবাদী দর্শন অনুসারে দ্বন্দ্বের নিয়মে বিপরীতসমূহের ঐক্যের নিয়ম-বিধি আবিষ্কার করা। বিপরীতসমূহের ঐক্যের নিয়ম-বিধি হচ্ছে নিখিল সৃষ্টির একটি মৌল নিয়ম-বিধি। এই নিয়ম ব্যতিক্রমহীনভাবে কাজ করে, হোক সে প্র্রাকৃতিক জগতে, মানব সমাজে বা মানুষের চিন্তায়। একটা দ্বন্দ্বের ভেতরে বিপরীতগুলোর মধ্যে একই সাথে রয়েছে ঐক্য এবং সংগ্রাম, এবং এর ফলেই সব কিছু চলছে এবং সব কিছু পরিবর্তী হচ্ছে।

(তিন) সমাজতান্ত্রিক সমাজে পুঁজিবাদের পুনরাবির্ভাবের বিপদ সম্পর্কে নির্দিষ্ট ধারণা দেয়া। মাও বলেছিলেনঃ “যতদিন শ্রেণিসমহের অস্তিত্ব রয়েছে, কমিউনিস্ট পার্টির মধ্যে শুদ্ধ এবং ভুল চিন্তার মধ্যকার দ্বন্দ্বসমূহ হচ্ছে পার্টির অভ্যন্তরে শ্রেণি দ্বন্দ্বের প্রতিফলন। এটা উপলব্ধি করা অত্যাবশ্যক যে, সমাজতান্ত্রিক সমাজে শ্রেণি দ্বন্দ্ব ও শ্রেণি সংগ্রাম এবং তার সাথে পুঁজিবাদে প্রত্যাবর্তনের সম্ভবনা বিদ্যমান থেকে যায়। সর্বহারা শ্রেণি এবং বুর্জোয়া শ্রেণির মধ্যকার শ্রেণি সংগ্রাম, বিভিন্ন রাজনৈতিক শক্তিসমূহের মধ্যকার শ্রেণি সংগ্রাম, এবং মতাদর্শের ক্ষেত্রে সর্বহারা শ্রেণি এবং বুর্জোয়া শ্রেণির মধ্যকার সংগ্রাম দীর্ঘ ও আঁকাবাকা হতে থাকবে এবং কখনো কখনো তা এমনকি অত্যন্ত তীব্র হয়ে উঠবে। সর্বহারা শ্রেণি তার নিজের বিশ্ব দৃষ্টিভঙ্গি অনুযায়ী বিশ্বকে রূপান্তরিত করার চেষ্টা করে এবং বুর্জোয়া শ্রেণিও তাই করে। এদিক দিয়ে কোনটা জয়ী হবে, সমাজতন্ত্র না পুঁজিবাদ, এখনও তার প্রকৃত মীমাংসা হয়নি।”

এই তিনটি ঐতিহাসিক সংযোজনের পর ঐতিহাসিকভাবেই মাও চিন্তাধারা মার্কসবাদ-লেনিনবাদের এক সম্পূরক ধারা হিসেবে বিবেচিত হয়েছে। আজকের দিনে কোনো দেশের পক্ষেই আর আগেকার ঢঙে বিপ্লব করা সম্ভব হবেনা। কৃষি ভিত্তিক শিল্পবিকাশ না হওয়া দেশগুলোতে মাও-এর লাইন ছাড়া আর কোনোভাবে নয়া গণতান্তিক বিপ্লব করা সম্ভব নয়। চেষ্টা কম হয়নি, কিন্তু ফলাফল শূণ্য। এখন এদেশে এবং ভারতের পশ্চিমবঙ্গে কোনো কোনো পার্টিতে কথা ওঠে- ‘মাওবাদ বা মাও সেতুঙ চিন্তাধারা সঠিক হলে এতদিনেও বিপ্লব হলো না কেন?’ তাদের উত্তরে শুধু এতটুকুই বলা যায়- ডিমের মত আকার হলেই সেই পাথরে তা দিলে বাচ্চা ফুটবে না। বাচ্চার জন্য ‘প্যারেন্টস্টক’ আসল ডিম থাকতে হবে এবং তাতে যথযথভাবে তা দিতে হবে।

নির্বাচনী কানাগলির পথ আঁকড়ে ধরা, সংশোধনবাদী পথ জাপটে ধরা, শাসক শ্রেণির সঙ্গে আপোষ করে হালুয়া-রুটির ভাগের জন্য শাসকের পায়ের কাছে বসে থাকা, রোজ রোজ কী কী করতে পারলে বিপ্লব হবে, বিপ্লব হলে কোন কোন প্রশ্নে বিশুদ্ধতা আনতে হবে, কারা বিপ্লবের শত্রু, কারা ‘একটুর জন্য’ বিপ্লবটা হতে দিল না টাইপ শিবের গীত গাইতে থাকলে বিপ্লব কেন, মেরুদণ্ড সোজা করে দাঁড়াতেও ভুলে যাবার কথা। আর ঠিক সেটাই ঘটেছে আমাদের দেশে কিছু অবিমৃষ্যকারী বালখিল্যতা আর পেটিবুর্জোয়া আমিত্ববাদী ব্যক্তিবাদী পদস্খলেনর কারণে।

তার পরও আমরা আশায় বুক বাঁধি। তাই মহান শিক্ষক চেয়ারম্যান মাও সেতুঙ-এর ৪৪ তম মৃত্যু দিবসে শপথ করি- সর্বহারা শ্রেণির মুক্তির লক্ষ্যে প্রয়োগকৃত এবং সাফল্যমন্ডিত মাও-এর শিক্ষাটাই আমাদের পাথেয় হয়ে উঠুক।
……………
মনজুরুল হক
৯ সেপ্টেম্বর, ২০২০
………………….
সহায়ক গ্রন্থসূচিঃ
১. ছোটদের মাও সে তুঙ – সুপ্রকাশ রায়। ১৯৫১, কলকাতা।
২. মাও সে তুঙ – শিব বর্মণ। প্রভাত প্রকাশন, লক্ষ্ণৌ, ১৯৫১।
৩. Strategic problems of Chinese Revolutionary War. P.P.H. 1951
৪. লেনিন রচনা সংকলন ৩৩-৪৭৪
৫. চারটি দার্শনিক প্রবন্ধ, ৯১, মা.স.র. ৩৮-৩৬
৬. মাও সে তুঙ নির্বাচিত রচনাবলী, ১-৩৪৪
৭. মৃত্যুহীন লিন পিয়াও – ৬ষষ্ঠ পর্ব।

এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

Leave a Reply

লেখক

সর্বশেষ সংবাদ

লালমনিরহাটের পাটগ্রামে সড়ক দুর্ঘটনায় ব্যবসায়ির মৃত্যু

এস এম আলতাফ হোসাইন সুমন, লালমনিরহাট জেলা প্রতিনিধি।। লালমনিরহাটের পাটগ্রাম উপজেলায় ট্রাকের সাথে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় গোলাম কিবরিয়া ( ৫৫) নামের এক ব্যবসায়ির মৃত্যু হয়েছে। মঙ্গলবার (২৭...

লক্ষ্মীপুরে সাংবাদিকদের মাঝে প্রধানমন্ত্রী আর্থিক সহায়তার চেক বিতরন

লক্ষ্মীপুরে করোনা কালিন সময়ে ক্ষতিগ্রস্থ সাংবাদিকদের মাঝে প্রধানমন্ত্রীর আর্থিক সহায়তার চেক বিতরন করা হয়। ২৮ অক্টোবর (বুধবার) সকালে সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্টের সহযোগীতায় এবং জেলা প্রশাসনের...

হিলি বন্দরে দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য শুরু

টানা ছয়দিন পূজার ছুটি কাটিয়ে আজ বুধবার সকাল থেকে হিলি স্থলবন্দর দিয়ে আমদানি-রপ্তানি শুরু হয়েছে। আজ বুধবার সকালে ভারত থেকে বিভিন্ন পণ্যবাহী ট্রাক দেশে প্রবেশের...

মহানবীর (সাঃ) ব্যঙ্গ কার্টুনের প্রতিবাদে বিক্ষোভে উত্তাল শরীয়তপুর

ফ্রান্সে মহানবী হযরত মোহাম্মদ (সাঃ) এঁর ব্যঙ্গ কার্টুন প্রদর্শন করার প্রতিবাদে সমমনা ইসলামী দলসমূহের বিক্ষোভে উত্তাল শরীয়তপুর। বুধবার সকাল ১০টায় শরীয়তপুর শহরে পালং উত্তর...
%d bloggers like this: