মাও এর স্বাস্থ্য নীতিঃ বিশাল ঢেউ আর বৈরী বাতাসে চীনকে মোকাবেলা করতে হয়েছিলো যা কিছু

আতিফ অনিক।।

করোনা আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছে সারা বিশ্ব। এই করোনার মধ্যেই সারা বিশ্বের স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনা নিয়ে নানা ধরনের প্রশ্ন উঠেছে। করোনা মোকাবেলা কে কেন্দ্র করে বিভিন্ন দেশের স্বাস্থ্যনীতি নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। জনবান্ধব স্বাস্থ্যনীতির বিপরীতে পুঁজি ও মুনাফা কেন্দ্রিক স্বাস্থ্যনীতি সমালোচিত হচ্ছে। তাই তো কিউবার স্বাস্থ্যনীতি পছন্দনীয় হয়ে উঠছে অনেকের কাছেই। সামরিক খাতে ব্যয় কমিয়ে সেবামূলক খাতে বিনিয়োগ এর আলোচনা চলছে। কিউবা যে অলাভজনক ভাবে চিকিৎসা ব্যবস্থার উন্নতি লাভ করেছে তা সেদেশের জনগনের প্রতি দায়বদ্ধতা কে নির্দেশ করে।

এই সময়ে এসে মনে পড়লো চীনের “খালি পায়ের ডাক্তার” দের কথা। বিপ্লোবোত্তর চীনে খালি পায়ের ডাক্তার নামে ডাক্তার দেখা যেত গ্রামাঞ্চল গুলোতে। চীন তার সমাজতান্ত্রিক পুনর্গঠনের বিশাল ঢেউ দেশ জুড়ে বইয়ে দিয়েছিলো। সাথে ছিলো বৈরী বাতাস। অর্থাৎ সমাজতান্ত্রিক পুনর্গঠনের ক্ষেত্রে বাধাবিপত্তি এবং পেছনে ফিরে যাবার বিপদ। সেই বিপদ এবং বিশাল ঢেউ কে স্বাস্থ্যখাতে কিভাবে প্রতিফলিত? সেসবের কিছু পর্যালোচনা করা হয়েছে এই লেখায়। সাথে দেখানো হয়েছে চীনের সেই সময়ের সাথে আমাদের দেশসহ উন্নত দেশের স্বাস্থ্যনীতির পার্থক্য সমূহ।

কেমন ছিলো বিপ্লবের পরে চীনের চিকিৎসা নীতি

১৯৪৯ সালের বিপ্লবের পরে চীনের জনস্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় সকল স্বাস্থ্য-যত্নমূলক কাজ করার দায়িত্ব নেয়। জনস্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়, জাতীয়, প্রাদেশিক এবং আঞ্চলিকভাবে স্বাস্থ্য ব্যবস্থার যোগাযোগ রক্ষা করতো। শিল্প সেক্টরে বর্ধিত যোগাযোগের মধ্য দিয়ে সরাসরি শ্রমিকদের স্বাস্থ্য সম্পর্কে তথ্য সংরক্ষণ করতো।

চীনের স্বাস্থ্যনীতি ছিলো জনস্বাস্থ্য সেবা সঠিকভাবে নিশ্চিত করা এবং স্বাস্থ্যনীতি গড়ে উঠেছিলো প্রতিরোধমূলক হিসেবে। সমস্ত পরিকল্পনাকে সাজানো হতো রোগ আক্রমণকে ঠেকিয়ে দেয়াকে মাথায় রেখে। সাথে সাথে পর্যাপ্ত ব্যবস্থা নেয়ার সর্বোচ্চ উদ্যোগ থাকতো রোগ মোকাবেলায়।

মাও জমানার চীনের স্বাস্থ্য নীতির আরেকটি বৈশিষ্ট্য হচ্ছে জনগনকে স্বাস্থ্য সম্পর্কে সচেতন করে গড়ে তোলা। এই লক্ষ্যে বিপ্লবের পর পর ‘দেশপ্রেমিক স্বাস্থ্য সম্পর্কীত প্রচারণা’ নামে জনগনকে প্রাথমিক স্বাস্থ্য সম্পর্কে সচেতন করবার উদ্যোগ নেয়া হয়। মাও সেতুং এর অন্যতম রাজনৈতিক বক্তব্য, ‘জনগনের সেবা করো’! এই বক্তব্য কে স্বাস্থ্যনীতির ক্ষেত্রেও প্রতিফলিত করা হয়। ডাক্তার-নার্স-টেকনিশিয়ান দের উদ্বুদ্ধ করা হয় অলাভজনক সম্মানজনকভাবে জনগনের সেবা করবার। যা চীনের স্বাস্থ্য সেবায় ব্যাপক প্রভাব ফেলে।

মাওলানা ভাসানী একবার চীনে চিকিৎসা নিতে গিয়েছিলেন। সেখান থেকে ফিরে তিনি চীনের নার্স- ডাক্তারদের প্রশংসা করেছিলেন এবং তাদের আন্তরিকতার দৃষ্টান্ত বর্ণনা করেছিলেন।

খুব অল্প সময়ের মধ্যে চীনের গড় আয়ু বৃদ্ধি পেয়েছিলো। শিশু মৃত্যুর হার অনেক উন্নত দেশ এর তুলনায় কমে গিয়েছিল। গুটি বসন্ত, যৌন সংক্রামক রোগ সমূহ, যক্ষাসহ এধরনের রোগসমূহ প্রায় নির্মূল করে ফেলেছিলো বিপ্লবোত্তর চীন খুব অল্প সময়েই। যা সম্ভব হয়েছিলো মাও সেতুং এর স্বাস্থ্যনীতির জন্য।

বিপ্লবোত্তর চীনের চিকিৎসা ব্যবস্থার কাঠামোগত দিক

মোট তিন ধাপে চীনের চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করা হতো। গ্রাম স্তরে কাজ করতো খালি পায়ের ডাক্তাররা। প্রাথমিক এবং প্রতিরোধমূলক চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করতো এই ‘ডাক্তাররা’ প্রতি ১০০০ জনের জন্য ছিলো ২ জন খালি পায়ের ডাক্তার। পরের স্তরে ছিলো টাউনশিপ স্বাস্থ্যকেন্দ্র, যেখানে ১০,০০০-৩০,০০০ লোককে সেবা দেয়া হতো।যেখানে ১০-৩০ টি শয্যা থাকতো। সহকারী মেডিকেল অফিসার দ্বারা এই স্বাস্থ্যকেন্দ্র সমূহ পরিচালিত হতো। নিচের এই দুটি কেন্দ্র মিলেই মূলত গড়ে উঠেছিল চীনের গ্রামাঞ্চলের, “গ্রামীণ সম্মিলিত স্বাস্থ্য ব্যবস্থা “।

এরপরেই ছিলো কাউণ্টি হাসপাতাল। কাউন্টি হাসপাতালে গুরুতর অসুস্থ রোগীদের চিকিৎসা সেবা দেয়া হতো। ৫ বছর মেয়াদী ডিগ্রীপ্রাপ্ত চিকিৎসকরা এখানে স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতেন।

শহরাঞ্চলে প্রাথমিক স্তরে প্যারামেডিক্যাল স্বাস্থ্যকর্মীরা কারখানা বা এর আশেপাশের অঞ্চলে চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করতেন। এরপরে পৌর স্বাস্থ্যকেন্দ্র ছিলো আরেকটু উন্নত চিকিৎসার লক্ষ্যে। সবচেয়ে বড় ধরনের রোগের ক্ষেত্রে শহরাঞ্চলে কারাখানা গুলোয় শ্রমিক-নাগরিকদের রাষ্ট্রীয় বড় হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হতো।

খালি পায়ের ডাক্তার-গ্রামীন স্বাস্থ্যসেবার মাইলফলক

১৯৬৮ সালে চীনে খালি পায়ের ডাক্তার নামে একটি ব্যবস্থা প্রবর্তন করা হয়। চমৎকার এই ব্যবস্থা যদিও বিভিন্ন মাত্রায় বিপ্লবের পরেই প্রয়োগ করা হয়েছিলো, কিন্তু চীনের সাংস্কৃতিক বিপ্লব চলাকালীন এই ব্যবস্থা কে স্থায়ী রূপ এবং সুসংহত করা হয়।

কারা ছিলো খালি পায়ের ডাক্তার

খালি পায়ের ডাক্তাররা ছয় মাসের জন্য চিকিৎসা প্রশিক্ষণ নিয়ে এই কাজে যুক্ত হতেন।চীনের যুবক/যুবতীদের আহবান করা হতো গ্রামীণ জনগনের চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে। সেই ডাকে সাড়া দিয়ে অসংখ্য যুবক/যুবতী এই কাজে যুক্ত হয় এবং চীনব্যাপী জনগনের সেবা করবার প্রতিযোগিতা শুরু হয়ে যায়।

চীনে প্রায় ১ মিলিয়ন খালি পায়ের ডাক্তার কাজ করতো গ্রামীন স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতের লক্ষ্যে। প্রতি দিন এই ডাক্তাররা ১২ জন কৃষকের স্বাস্থ্য পরীক্ষা করতেন গ্রামে গ্রামে ঘুরে ঘুরে। তারা এ সময় কৃষকদের কাছে নামমাত্র নিবন্ধন ফি সংগ্রহ করতেন।

তারা খরের টুপি পড়তেন আর কাঁধে রাখতেন কাঠে একটি ছোট বাক্স। এই বাক্সে থার্মোমিটার থেকে শুরু করে অক্সিজেন যন্ত্র এবং রক্তচাপ মাপবার মেশিন থাকতো। কিছু প্রাথমিক অসুখের ঔষধও থাকতো এই বাক্সে।

খালি পায়ের ডাক্তাররা প্রথম দিকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিতে গিয়ে বেশ বিপাকেও পড়েছিলেন। টিকার উপর জোর দেয়ার ফলে, গ্রামাঞ্চলগুলোতে রোগ প্রতিরোধের উদ্দেশ্যে শিশুদের নানান অসুখের টিকা দেয়া হতো। এই সময়ে প্রথম দিকে কৃষকরা তাদের সন্তানদের টিকা দিতে দিতেন না। লুকিয়ে রাখতেন। কারণ বিপ্লবের আগে এই ধরনের চিকিৎসার সাথে চীনের কৃষকরা পরিচিত ছিলেন না। এই সময়ে ব্যাপক প্রচারাভিযান এর ব্যবস্থা করা হয়। গ্রামের বিভিন্ন জমায়েত হবার অঞ্চলে নির্দিষ্ট ভাবে এইসব বিষয়ে খালি পায়ের ডাক্তাররা আলোচনা করতেন জনগনকে স্বাস্থ্য সম্পর্কে বোঝাবার জন্যে। ১৯৭৮ সালে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা খালি পায়ের ডাক্তার ব্যবস্থাকে তৃতীয় বিশ্বের দেশগুলোর জন্য মাইলফলক ঘোষণা করে।

চিকিৎসা ক্ষেত্রে বৈজ্ঞানিক পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও আবিষ্কার

চীন দুইটি বিষয়কে কেন্দ্র করে তার স্বাস্থ্য নীতি কে এগিয়ে নিতে চাইছিলো। এর একটি দিক ছিলো সকল নাগরিকদের জন্য চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করা, অর্থনৈতিক সামর্থ-জনশক্তি কে সর্বোচ্চ কাজে লাগানো। আরেকটি দিক ছিলো সমগ্র চিকিৎসা ব্যবস্থাকে বৈজ্ঞানিক ভিত্তির উপর দাঁড় করানো। সকল ধরনের কুসংস্কার ও অন্ধ চিন্তাকে দূর করে ফেলা। এক্ষেত্রে চীন অনেক বেশি সফল বলতে হবে। কারণ চীন অল্প সময়ের মধ্যেই চিকিৎসা ক্ষেত্রে কয়েকটি আবিষ্কার করে ফেলে। গর্ভপাতের জন্য পৃথিবীর বিভিন্ন দেশ যে ‘ভ্যাকুয়াম আসপিরেশন টেকনিক’ ব্যবহার করে তা সেই সময়ে চীনই আবিষ্কার করেছিলো। চীনের ৭০ হাজারের বেশি কমিউন হাসপাতালে এই গর্ভপাত প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়।

সেই সময়ের চীনের চিকিৎসা বিজ্ঞানের অন্যতম গুরুত্বপূর্ন অবদান হলো, পুরুষদের জন্যেও গর্ভনিরোধক ট্যাবলেটের আবিষ্কার। এই ট্যাবলেটের উৎস ছিলো তুলো গাছে। ১৯৫০ এর দশক থেকেই এটা নিয়ে গবেষনা শুরু হয়। ১৯৭০ এর শেষ দিকে আবিষ্কার হয় গসিপল নামে ট্যাবলেটটি। যা জন্ম নিয়ন্ত্রণ করার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি ঘটায় চীনা সমাজে। যদিও এইসব কিছুই খুব সহজ ছিলো না। চীনা জনগনের অদম্য সাহস আর ইচ্ছাই এক্ষেত্রে বড় ভূমিকা রেখেছে।

স্বাস্থ্য ক্ষেত্রে বৈজ্ঞানিক পরীক্ষা নিরীক্ষার বিষয়ে চীন শুধু ইউরোপ কে অনুসরন করেনি। বরং নিজস্ব পদ্ধতিতে চীন এগিয়ে যেতে চেয়েছে। সেই হিসেবে ১৯৬৬ সালের দিকে আকুপাংচার এবং ভেষজ পদ্ধতি নিয়ে ব্যাপক গবেষনা শুরু হয়। আকুপাংচার এবং ভেষজ চিকিৎসা চীনের প্রাচীন চিকিৎসা পদ্ধতি, যা দীর্ঘদিন চীনের মানুষের স্বাস্থ্যসেবার একমাত্র মাধ্যম ছিল। মাও সেতুং এর নির্দেশে দেশীয় পদ্ধতির বিকাশ ঘটাবার লক্ষ্যেই এই উদ্যোগ নেয়া হয়। এর সাথে যুক্ত হয় চিকিৎসা ক্ষেত্রে উন্নত যন্ত্রপাতি আবিষ্কার এবং অন্যান্য দেশের সহযোগিতা নিয়ে এগিয়ে চলার নীতি। অর্থাৎ চিকিৎসা ক্ষেত্রেও চীন আত্মনির্ভশীলতার নীতি প্রয়োগ করতে চেয়েছে।

বর্তমানে চীনের পরিস্থিতি পাল্টে গিয়েছে। সত্তর এর দশকের একেবারে শেষের দিকে চীনের কমিউনিষ্ট পার্টি মাও জমানার স্বাস্থ্যনীতির মৌলিক দিক থেকে সরে আসে। গ্রামীণ স্বাস্থ্য ব্যবস্থা ভেঙে পরে। চিকিৎসা ব্যবস্থাকেও ধীরে ধীরে ব্যয়বহুল করে ফেলা হয়। যেখানে ১৯৭৬ পর্যন্ত জনগনের চিকিৎসা সেবার সব দায়িত্ব রাষ্ট্র পালন করতো সেখান থেকে চীন সরে আসে।বর্তমানে যদিও চীন প্রযুক্তি গত খাতে ব্যাপক বিকাশ ঘটিয়েছে কিন্তু নীতিগত ক্ষেত্রে উল্টোপথে চলার কারণে গ্রামীন এবং শহুরে শ্রমিক-কৃষক নিম্ন আয়ের মানুষ চিকিৎসা সেবায় বৈষম্যের স্বীকার হন।

৭০ এর দশকের পরে পৃথিবীতে অনেক পরিবর্তন এসেছে। চিকিৎসা বিজ্ঞান অনেক বেশি এগিয়েছে।কিন্তু তবুও ব্যাপক অংশের মানুষই চিকিৎসা পাচ্ছে না। সেটা বর্তমান চীন থেকে শুরু করে আমেরিকা-ইউরোপ এবং আমাদের বাংলাদেশ। বাংলাদেশে সাধারণ নাগরিকদের চিকিৎসা ব্যয় অত্যধিক। এদেশে পরিবারপ্রতি শুধুমাত্র স্বাস্থ্যখাতে ব্যয় করতে হয় মোট ব্যয়ের ১০ শতাংশ। চিকিৎসা ক্ষেত্রে মোট ব্যয়ের ৭২ শতাংশ ব্যয় করতে হয় ব্যক্তিগতভাবে। রাষ্ট্র সেখানে মাত্র ২৩% ব্যয় বহন করে। অন্যদিকে স্বাস্থ্যখাতে বাজেটও বেশি নয়। ২০১৯-২০২০ অর্থবছরে স্বাস্থ্য খাতে বাজেট মাত্র মোট জাতীয় বাজেটের মাত্র ৪.৯২ শতাংশ এবং জিডিপির ০.৮৯ শতাংশ। যা দিয়ে চিকিৎসক-নার্সদের বেতনভাতা থেকে শুরু করে অন্যান্য পরিচালন ব্যয়েই বেশি খরচ হয়ে যাবে।

গ্রামীন স্বাস্থ্যসেবা আমাদের দেশে একেবারেই ভঙ্গুর।প্রায় বারো হাজার কমিউনিটি ক্লিনিক থাকলেও তা খুব বেশি কার্যকর ফলাফল এনে দেয় নি। সংক্রামক রোগের ক্ষেত্রে কিছু সাফল্য বয়ে আনলেও অসংক্রামক রোগ বেড়ে চলেছে। অবকাঠামোগত ক্ষেত্রে প্রচুর দূর্বলতা বিরাজ করছে। পর্যাপ্ত হাসপাতাল এবং নেই শয্যা।

পুরো স্বাস্থ্যখাতকে বেসরকারীকরণ করে ফেলা হয়েছে। এতে করে সমগ্র জনগনের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা সম্ভব হয় না। একটি গবেষনা বলছে ৫৪ পার্সেন্ট মানুষকে চিকিৎসা সেবা দেয়া গেলেও বাকি মানুষ সেভাবে সেবা পাচ্ছেন না। এসব বিষয় কে হিসেবে নিয়েই আমাদের স্বাস্থ্য নীতি সমূহ নিয়ে পর্যালোচনা করতে হবে। চীনের মাও জমানার স্বাস্থ্যনীতির মৌলিক দিক যা আজও প্রাসঙ্গিক মনে হয়। অনেক প্রযুক্তিগত পরিবর্তন আসলেও এবং আরো আধুনিক নিয়মকানুন গবেষণা হলেও জনবান্ধব এবং বৈজ্ঞানিক আত্মনির্ভশীল চিকিৎসা নীতি হিসেবে চীনের মাও জমানা থেকে আমাদের শিক্ষা নেয়া জরুরী। করোনা আমাদের সেই কর্তব্যই হাজির করছে।

লেখক: আতিফ অনিক
সভাপতি, বিপ্লবী ছাত্র-যুব আন্দোলন, কেন্দ্রীয় কমিটি।

এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

Leave a Reply

লেখক

সর্বশেষ সংবাদ

%d bloggers like this: