যুবক-ডেসটিনি নিয়েও ভাবছে সরকার

- Advertisement -

আগামী তিন মাসের মধ্যেই সুব্যবস্থাপনার মধ্যে আনা হবে দেশের ই-কমার্স খাতকে। গত জুলাই মাস থেকে এ খাতে বকেয়া পড়ে থাকা ২১৪ কোটি টাকা ভোক্তাদের ফিরিয়ে দিতে নেওয়া হবে কার্যকর উদ্যোগ। সচিবালয়ে আন্তঃমন্ত্রণালয় বৈঠক শেষে এমন আশার কথা শোনালেন বাণিজ্যমন্ত্রী। আদালতের রায় পেলে যুবক ও ডেসটিনির মতো প্রতিষ্ঠানগুলোর স্থাবর সম্পত্তি বিক্রি করে গ্রাহকদের ক্ষতিপূরণের কথাও জানিয়েছেন তিনি।

ডুবতে থাকা ই-কমার্স খাতকে উদ্ধারে দেরিতে হলেও উদ্যোগ নিয়েছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। শুরুতে দায় এড়াতে চাইলেও পরে প্রতারণার সঙ্গে জড়িতদের প্রচলিত আইনে ব্যবস্থা নেওয়ার পাশাপাশি নীতিমালা সংশোধনসহ কাঠামোগতভাবে এ খাতকে ঢেলে সাজানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

সম্প্রতি মন্ত্রিপরিষদ ও উচ্চ আদালতের গঠন করে দেয়া কমিটি কাজ শুরু করেছে। আলাদা করে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে বৈঠকের ধারাবাহিকতায় এবার দ্বিতীয় দফা বৈঠকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল ডাক ও টেলিযোগাযোগ এবং তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের শীর্ষ ব্যক্তিদের পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি বিনিয়োগ বিষয়ক উপদেষ্টা সালমান এফ রহমানকেও। দুই ঘণ্টাব্যাপী বৈঠকের পর সিদ্ধান্ত আসে আগামী ৩ মাসের মধ্যে ভোক্তাদের ক্ষতিপূরণ নিশ্চিত করা হবে।

বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশী বলেছেন, জুলাই থেকে পরিশোধকৃত টাকা যাদের বিভিন্ন কারণে আটকে আছে বা জব্দ করা হয়েছে সেটা ফেরত দেওয়ার লক্ষ্যে কাজ করা হবে। শুধু ডিজিটাল কমার্স খাতের প্রতারণা নয়, যুবক, ডেসটিনির মতো প্রতিষ্ঠানগুলো নিয়েও সরকার ভাবছে বলে জানিয়েছেন তিনি।

তিনি বলেন, ডেসটিনির কিন্তু স্থাবর সম্পত্তি আছে। এমএলএম কোম্পানির জমি ছিল, যা তারা নিয়ে যেতে পারেনি। সেটার দাম যদি পাওয়া যায় এবং আদালত যদি নির্দেশ দেয়, তাহলে এটা ক্ষতিগ্রস্থদের মধ্যে অনুপাতে ভাগ করে দেওয়া যায়। ধরুন, ২ হাজার কোটি টাকা বাজারে দেনা, কিন্তু বাজারে ১ হাজার কোটি টাকা, সেটি অনুপাতে ভাগ করে দেওয়া যেতে পারে।

আইসিটি মন্ত্রণালয় থেকে সব ব্যবসায়ীর জন্য একটি ইউনিক কোড নম্বর দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হবে বলে জানানো হয়েছে বৈঠকে।

এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

Leave a Reply

প্রতিবেদক

সর্বশেষ সংবাদ