রাজধানীর কোরবানির হাটে চলছে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি

- Advertisement -

ঈদুল আজহা সামনে রেখে রাজধানীর উত্তরে দশটি আর দক্ষিণে বসছে ১১টি পশুর হাট। এর বাইরে স্থানীয়ভাবে কোনো হাট বসানো যাবে না বলে সাফ জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ। সেই সঙ্গে মানতে হবে স্বাস্থ্যবিধিও। এ ছাড়া বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় নির্দেশনা না মানলে ইজারাদারদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়ার হুঁশিয়ারি দুই সিটির।

তৈরি হচ্ছে রাজধানী। গাবতলীতে চলছে প্রস্তুতি।

দেশের সবচেয়ে বড় পশুর হাট তৈরিতে এখন দিনরাত এক করে কাজ চলছে। স্থায়ী হাট বলে গাবতলীতে বছরজুড়ে আয়োজন থাকে। তবে কোরবানি বলে কথা। হাতে আছে দুই সপ্তাহের কম সময়। তাইতো ব্যাপারীদের থাকা খাওয়া আর কোরবানির পশু রাখার সুব্যবস্থা নিশ্চিত করতে চলছে তোড়জোড়।

গাবতলীর এই স্থায়ী হাট বাদে উত্তর সিটিতে বসছে আরও নয়টি কোরবানির পশুর অস্থায়ী হাট। এরই মধ্যে ইজারা দেয়া হয়েছে পাঁচটির। উত্তরা ১৭ নম্বর সেক্টরে বৃন্দাবন হতে বিজিএমইএ পর্যন্ত খালি জায়গায় ইজারা দেয়া শেষ।

আরেকটি হাট বসছে ভাটারায়। এ ছাড়া কাওলা শিয়াল ডাঙ্গাসংলগ্ন খালি জায়গা কোরবানির পশুর হাটের জন্য নির্ধারিত হয়েছে। গত কয়েক বছরে বৃহত্তম পশুর হাট হিসেবে প্রতিষ্ঠা পাওয়া আফতাবনগরও এবারো বসছে হাট। বসিলা ৪০ ফুট রাস্তাসংলগ্ন খালি জায়গাও ইজারা দিয়েছে ডিএনসিসি।

এ ছাড়া ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মিরপুর-৬ ইস্টার্ন হাউজিং খালি জায়গা, ৩০০ ফুট সড়কসংলগ্ন উত্তর পাশের খালি জায়গা, ৪৪ নম্বর ওয়ার্ড কাঁচকুড়া বেপারিপাড়ার রহমান নগর আবাসিক এলাকা, ঢাকা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট খেলার মাঠের খালি জায়গা কোরবানির হাট হিসেবে নির্ধারণ হলেও এখনো ইজারা সম্পন্ন হয়নি।

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের সিইও সেলিম রেজা বলেন, গাবতলীর পশুর হাট আমাদের স্থায়ী হাট। এ ছাড়া আরও ৪টি হাটের ইজারা দেয়ার বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

এদিকে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের সারুলিয়া স্থায়ী হাটের পাশাপাশি আরও দশটি স্থানে বসবে কোরবানির পশুর হাট। উত্তর শাহজাহানপুর রেলগেট বাজারসংলগ্ন, লেদার টেকনোলজি কলেজ মাঠ, পোস্তগোলা শ্মশানসংলগ্ন খালি মাঠ, মেরাদিয়া বাজার, কমলাপুর স্টেডিয়ামের আশপাশের এলাকা, দনিয়া কলেজের আশপাশের মাঠ, ধোলাইখাল ট্রাকস্ট্যান্ড, আমুলিয়া মডেল টাউন, লালবাগে রহমতগঞ্জ ক্লাব মাঠ ও শ্যামপুর কদমতলী ট্রাকস্ট্যান্ডে বসছে এবারের কোরবানির পশুর হাট।

ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের সিইও ফরিদ আহাম্মদ বলেন, পশুর হাট ব্যবস্থাপনা এবং কোরবানির পরে বর্জ্য ব্যবস্থাপনা সিটি করপোরেশনের একটি বড় এবং চ্যালেঞ্জিং কাজ। এ বছর আমরা ইতোমধ্যে যাবতীয় প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছি।

তবে করোনা সংক্রমণের চোখ রাঙানিতে গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে স্বাস্থ্যবিধি মানার ক্ষেত্রে। আর নির্ধারিত স্থানে হাট বসাতে থাকছে বিশেষ নজরদারি। তদারকি থাকবে বর্জ্য ব্যবস্থাপনায়ও।

পরবর্তীতে কোরবানির পশুর হাট মূল শহরের একটু বাইরে সরিয়ে নেয়ার পরিকল্পনা করছে ঢাকার দুই সিটি করপোরেশন।

এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

Leave a Reply

প্রতিবেদক

সর্বশেষ সংবাদ