রায়পুরের মেয়র পদে মনোনয়ন প্রত্যাশী আওয়ামীলীগের ৩ নেতার দলীয় ফরম ক্রয়

আসন্ন ৫ম ধাপে রায়পুর পৌরসভা নির্বাচনে ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগের ৩ নেতার মনোনয়ন প্রত্যাশীদের দলীয় ফরম ক্রয়। কাজী নাজমুল কাদের গুলজার, রফিকুল হায়দার বাবুল পাঠান, হাজী ইসমাইল খোকন।

রায়পুর পৌর এলাকা ঘুরে বিভিন্ন শ্রেণী পেশার লোকজনের সাথে কথা বলে জানা গেছে, নির্বাচনের খবর আসার সাথে সাথেই সম্ভাব্য প্রার্থীরা নিজ নিজ দলীয় মনোনয়ন পেতে তদবীর শুরু করেছেন। তবে দলীর মনোনয়ন না পেলে অনেকেই নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়াবেন না এমন আভাস ও পাওয়া গেছে।

আসছে পৌরসভা নির্বাচনে রায়পুর পৌরসভায় সসরকারি দল আওয়ামী লীগের সম্ভাব্য প্রার্থীদের মধ্যে যারা আলোচনায় আছেন তারা হলেন,বর্তমান মেয়র উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ইসমাইল খোকন, সাবেক মেয়র রফিকুল হায়দার বাবুল পাঠান উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক কাউন্সিলর কাজী নাজমুল কাদের গুলজার, উপজেলা আওয়ামী লীগের তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক হারুনুর রশিদ, আওয়ামী লীগের যুব ও ক্রীড়া বিষয়ক উপ-কমিটির সদস্য জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক সহসম্পাদক গিয়াস উদ্দিন রুবেল ভাট।

রায়পুরে আসন্ন পৌরসভা নির্বাচনে মেয়র প্রার্থী হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ছাত্রনেতা ও বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের সাবেক উপ-কমিটির সদস্য গিয়াস উদ্দিন রুবেল ভাট।শনিবার (১৪ নভেম্বর) রায়পুর পৌর শহরের জেলা পরিষদ অডিটোরিয়াম ডাক বাংলায় আসন্ন রায়পুর পৌরসভা নির্বাচনে মেয়র পদে দেশের বৃহৎ রাজনৈতিক দল বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ থেকে মনোনয়ন প্রত্যাশী হিসেবে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ছাত্রনেতা ও বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের উপ-কমিটির সদস্য গিয়াস উদ্দিন রুবেল ভাট মতবিনিময় সভার মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে নিজেকে মেয়র প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা করেন।

১৯৮২ সালে রায়পুর কলেজে ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের যুগ্মআহবায়ক হিসেবে এবং ১৯৮৫ সাল থেকে ঢাকা কলেজে এবং ২০০৩ সাল থেকে উপজেলা আ’লীগের তথ্য ও গবেষনা সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। ঢাকাস্থ রায়পুর যুব কল্যান সমিতির সভাপতি, ঢাকাস্থ রায়পুর উপজেলা কল্যান সমিতি, লক্ষীপুর জেলা সমিতি ঢাকা ও ঢাকাস্থ লক্ষ্মীপুর জেলা যুব কল্যান সমিতির যুগ্ন আহবায়ক হারুনুর রশিদও রয়েছেন প্রার্থী।


আরও পড়ুন>>


ইতিমধ্যে মেয়র ও কাউন্সিলর পদের মনোনয়ন প্রত্যাশী প্রার্থীরা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও প্রচার-প্রচারণা শুরু করেছেন। অনেকে গণসংযোগ, মতবিনিয়ম সভা শুরু করেছেন বিভিন্ন কমিটির নেতাদের সঙ্গে। তারই ধারাবাহিকতায় বাবুল পাঠান, নাজমুল কাদের গুলজার মতবিনিময় করেছেন।

অনেকে ঢাকায় অবস্থান করে দলের নীতিনির্ধারক নেতাদের গ্রিন সিগন্যাল পাওয়ার চেষ্টা করছেন। একই সঙ্গে স্থানীয় নেতাকর্মীদের সমর্থন পেতে ঘরোয়া বৈঠকসহ সাংগঠনিক তৎপরতা বাড়িয়েছেন। ফলে দলের মধ্যে নানামুখী গ্রুপিং-লবিং দেখা যাচ্ছে।

সাবেক মেয়র রফিকুল হায়দার বাবুল পাঠান বলেন, ছাত্রজীবন থেকে কলেজ রাজনীতি থেকে শুরু করে রাজনৈতিক প্রতিহিংসা ঘাত প্রতিঘাত মোকাবেলা করে এ যাবৎ পরিচ্ছন্ন রাজনৈতিক নেতা হিসেবে সকলের মাঝে সুনাম অর্জন করেছি। তিনি পৌর চেয়ারম্যানের দায়িত্বে থাকা অবস্থায় সুশৃংখল সুনামের সাথে উন্নয়ন মূলক, সামাজিক সার্বিক দায়িত্ব পালন করেছেন। গরীব দুঃখী মানুষের পাশে থেকে সার্বিক সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিয়েছি। রফিকুল হায়দার বাবুল পাঠান জানান, আগত পৌরসভা নির্বাচনে ইনশাআল্লাহ পৌর মেয়র পদে নির্বাচন করব। মানুষের ভালোবাসা নিয়ে সঠিক নির্বাচনের মাধ্যমে জনগনের ভোটের রায়ে আমাকে জয়যুক্ত করবে বলে আমি শতভাগ বিশ্বাস করি।

বর্তমান মেয়র হাজী ইসমাইল খোকন বলেন, আমি মেয়র পদে ফের মনোনয়ন পাবো বলে আস্তা রাখি জননেত্রী শেখ হাসিনার উপর।

জেলা আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক এড. নুর উদ্দিন চৌধুরী নয়ন বলেন, পৌরসভার মেয়র প্রার্থী আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় স্থানীয় সরকার নির্বাচন মনোনয়ন বোর্ডের সভায় প্রার্থী চূড়ান্ত করা হবে।

উল্লেখ্য যে, এর আগে ৫ জনের মধ্যে তৃণমূলের নেতা কর্মীদের ভোটে ৩ জন এগিয়ে রয়েছেন। বর্ধিত সভায় তৃনমূলের নেতা কর্মীদের ভোটে রফিকুল হায়দর বাবুল পাঠান পেয়েছেন ২৮ ভোট,কাজী নাজমুল কাদের গুলজার পেয়েছেন ১৭ ভোট এবং আলহাজ্ব ইসমাইল হোসেন খোকন পেয়েছেন ১২ ভোট। হারুনুর রশীদ এবং রুবেল ভাট কোন ভোট পান নি ।

এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

Leave a Reply

লেখক

সর্বশেষ সংবাদ

%d bloggers like this: