লালমনিরহাটের পানিবন্দি পরিবারগুলোর মাঝে ত্রাণ বিতরণ শুরু

- Advertisement -

লালমনিরহাটে বন্যা পরিস্থিতির আরোও অবনতি হয়েছে। সোমবার সকালে তিস্তা নদীর পানি দোয়ানী ব্যারেজ পয়েন্টে বিপদ সীমার ২৮ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল। পানিবন্দি পরিবার গুলোর মাঝে ত্রাণ বিতরণ শুরু হয়েছে শনিবার থেকেই। এবারের বন্যায় লালমনিরহাট জেলার ৪ উপজেলায় ১৫০ মে.টন চাল ত্রাণ হিসেবে বরাদ্দ দিয়েছেন ত্রাণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয়ের আওতায় লালমনিরহাট জেলা প্রশাসক।
শনিবার থেকে এ ত্রাণ বিতরণ শুরু হয়েছে বলে তথ্য নিশ্চিত করেছেন। জেলা প্রশাসক আবু জাফর।

জেলার হাতীবান্ধা উপজেলার ডাউয়াবাড়ী ইউনিয়নে এ ত্রাণ বিতরণ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন ওই ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান অ্যাড. মশিউর রহমান। এ সময় ডাউয়াবাড়ী ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য মাহাবুবার রহমান মাহাবুব, মহিলা সদস্য জোবেদা বেগম সহ সকল ইউপি সদস্য উপস্থিত ছিলেন। ওই ইউনিয়নে ১১’শ পানিবন্দি পরিবারের মাঝে ১০ কেজি করে মোট ১১ মে.টন চাল বিতরণ করা হয়।

এদিকে ওই উপজেলার পাটিকাপাড়া ইউনিয়নে ১ হাজার পানিবন্দি পরিবারের মাঝে ত্রাণ বিতরণ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন ওই ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মজিবুল আলম সাদাত। এছাড়া হাতীবান্ধা উপজেলার বড়খাতা, সানিয়াজান, গড্ডিমারী, সিঙ্গিমারী ও সিন্দুর্না ইউনিয়নেও ত্রাণ বিতরণ কর্মসূচি অব্যাহত রয়েছে।

উল্লেখ, এবারের বন্যায় লালমনিরহাট সদর উপজেলায় ৪৪ মে.টন ৫’শ কেজি, আদিতমারী উপজেলায় ৩৫ মে.টন, কালিগঞ্জ উপজেলায় ১৩ মে.টন ও হাতীবান্ধা উপজেলায় ৫৮ মে.টন চাল বরাদ্দ দিয়েছেন জেলা প্রশাসক। তবে আরো বরাদ্দ চেয়ে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে চাহিদা পত্র দেয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।

এদিকে তিস্তা নদীর পানি আবারও বাড়তে শুরু করেছে। পানি উন্নয়ন বোড কর্তৃপক্ষ জানায়। রবিবার সকালে দোয়ানী ব্যারেজ পয়েন্টে বিপদ সীমার ৮ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে তিস্তা নদীর পানি প্রবাহিত হয়েছিল তবে আজ সোমবার পানি আবারও বেড়ে তা বিপদ সীমার ২৮ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে । নতুন নতুন এলাকায় পানি ডুকে পরায় পানি বন্দী মানুষের দূর্ভোগ বৃদ্ধি পেয়েছে কয়েকগুন। আমন বীজতলা সহ বিভিন্ন ফসলের ব্যাপক ক্ষতিসাধন হয়েছে।

এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

Leave a Reply

প্রতিবেদক

সর্বশেষ সংবাদ