শীতের আমেজে ব্যস্ততা বেড়েছে কাপড় ব্যবসায়ীদের

- Advertisement -

কড়া নাড়ছে শীত। ঋতু শরৎকে বিদায় দিয়ে হেমন্তকে বরণ করেছে প্রকৃতি। সকালের শুরুতেই দেখা মিলছে সবুজ প্রকৃতির মাঝে হেমন্তের শিশির বিন্দু। এই শিশির বিন্দু জানান দিচ্ছে শীতের আগমনী বার্তা। সারাদিন রোদের রাজত্ব শেষে সন্ধ্যা নামতেই বদলে যাচ্ছে তাপমাত্রা। ভোরের দিকে চাদর বিছিয়ে দিচ্ছে কুয়াশা। শীতকে মোকাবিলা করতে উপজেলার ফুটপাত ও বড় বড় বস্ত্রবিতানগুলোতে গরম কাপড়ের পসরা নিয়ে বসেছেন দোকানিরা।

সরেজমিন ঘুরে দেখা গেছে, উপজেলার তাজমহল মড়স্থ দুপাশে ও বিভিন্ন এলাকায় ফুটপাতগুলোতে শীতবস্ত্রের যেন মেলা বসেছে। এসব বিপণিবিতানগুলোতে শীতের পোশাক কিনতে জড়ো হচ্ছেন ক্রেতারা। তবে ব্যবসায়ীরা বলছেন বেচা-কেনা এখনো জমে ওঠেনি।

উপজেলার বীরগঞ্জ কেন্দ্রীয় বাজারে ফুটপাতে কাপড়ের পসরা নিয়ে বসেছিলে ভ্রাম্যমাণ বিক্রেতা শামীম ইসলাম তিনি বলেন, ‘এই এলাকায় অনেকে শপিং করতে আসেন। তারা আমাদের কাছ থেকেও কাপড় কিনে নিয়ে যান। ছোট-বড়, সব বয়সী মেয়েদের সোয়েটার, লং কুর্তি আছে। দাম ২০০ টাকা থেকে ৫০০ টাকার মধ্যে। গত দুই-তিন দিনে বিক্রি একটু বেড়েছে।

উপজেলায় কথা হয় শিক্ষার্থী হাসান মাহমুদের সঙ্গে। তিনি শীতের কাপড় এখনই কেনার কারণ জানিয়ে বলেন, ‘এলাকায় পুরোপুরি শীত এলে শীতের পোশাকের দাম বেড়ে যাবে। তাই এখনই কিনে নিচ্ছি।

ফ্যাশন সচেতনদের এই শীত কিন্তু ভীষণ প্রিয়। কেননা শীত নিবারণের হাজারো পোশাকে বাজার সরগরম। শীতের ফ্যাশন কেমন হতে পারে, তা ডিজাইনারদের মতে অনেকটা এমন যে, শীতের পোশাকের জম্পেশ কালেকশন নিয়ে এসেছে দেশীয় ফ্যাশন হাউসগুলোও। জ্যাকেট, ব্লেজার, সোয়েটার, হুডিতে যেমন রয়েছে ফ্যাশন বৈচিত্র্য তেমনি রয়েছে বাহারি রঙ।

উপজেলার তাজমজল মোড়স্থ বাজারের জননী বস্ত্র বিতান এন্ড ফ্যাসন হাউজের ব্যবসায়ী নাছির উদ্দিন চঞ্চল বলেন, ‘করোনার কারণে দীর্ঘদিন মার্কেট প্রায় ক্রেতাশূন্য ছিল। গত দুই-তিন দিন ধরে কম্বল, জ্যাকেট, সোয়েটার ও শাল কিনতে ক্রেতারা আসছেন। বেচা-কেনাও ভালো হচ্ছে।

এদিকে, আসছে শীতের আগমনের জন্য উপজেলার বিভিন্ন লেপ-তোষকের দোকানে বাড়ছে কারিগরদের ব্যস্ততা।

এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

Leave a Reply

প্রতিবেদক

সর্বশেষ সংবাদ