হাইকোর্টের রায়ে ‘নারী সংহতির’ ক্ষোভ

‘নারীরা বিয়ের কাজী হতে পারবেন না’-হাইকোর্টের এই রায়ের নিন্দা ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছে বিপ্লবী নারী সংহতি। সংগঠনটি জানিয়েছে, ‘রায়ে বাংলাদেশের সামাজিক ও বাস্তব অবস্থার অজুহাত দেখিয়ে নারীরা নিকাহ রেজিস্ট্রার বা বিয়ের কাজী হতে পারবে না মর্মে যে নির্দেশনা দিয়ে পূর্ণাঙ্গ রায় দিয়েছেন, তা নারীর প্রতি অবমাননাকর এবং সংবিধান পরিপন্থী বলে মনে করে নারী সংহতি। মধ্যযুগের অন্ধকারাচ্ছন্ন সমাজের মতো পশ্চাৎপদ এ নির্দেশনা।’

বুধবার (১৩ জানুয়ারি) বিকালে নারী সংহতির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি তাসলিমা আখতার ও সাধারণ সম্পাদক অপরাজিতা চন্দ এক যৌথ বিবৃতিতে এসব কথা বলেন।

তারা বলেন, একথা বলাই বাহুল্য যে, মহামান্য হাইকোর্টের এ নির্দেশনা সংবিধান পরিপন্থী এবং একসঙ্গে নারীর মানবাধিকার লঙ্ঘন। স্বাভাবিক শারীরবৃত্তিক প্রক্রিয়াকে ‘ফিজিক্যাল ডিসকোয়ালিফেশন বলা অত্যন্ত দুঃখজনক। প্রাকৃতিক এই প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে নারীর সন্তান পুনরুৎপাদন এবং মানব প্রজাতি টিকে থাকে। এই প্রক্রিয়াকে নারীর ‘অযোগ্যতা’ বলা মানবজাতিকে হেয় করার সামিল। এটি পুরোপুরি অবৈজ্ঞানিক একটি নির্দেশনা।


আরও পড়ুন>>


নারী সংহতির পক্ষ থেকে দাবি জানানো হয়, অবিলম্বে আদালতের এ নির্দেশনা বাতিল করে বিয়ে রেজিস্ট্রেশনসহ সব ধরনের সামাজিক, রাষ্ট্রীয়, ধর্মীয় ও আইনগত কাজে নারীর অংশগ্রহণে বিদ্যমান সব প্রতিবন্ধকতা দূর করতে হবে।

এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

Leave a Reply

লেখক

সর্বশেষ সংবাদ

%d bloggers like this: