‘হাওয়া’ সিনেমা দেখে যা বলল বন বিভাগের তদন্ত দল

- Advertisement -

মেজবাউর রহমান সুমনের আলোচিত সিনেমা ‘হাওয়া’। মুক্তির আগে থেকেই সিনেমাটি নিয়ে আলোচনা। মুক্তির পর নতুন করে আলোচনা-সমালোচনায় ‘হাওয়া’।

বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ আইন লঙ্ঘনের অভিযোগ উঠেছে সিনেমাটির বিরুদ্ধে। আইন লঙ্ঘন হওয়ায় ‘হাওয়া’ চলচ্চিত্রের প্রদর্শন বন্ধ চায় পরিবেশবাদী ৩৩টি সংগঠন। তাদের অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে সিনেমাটি দেখেছে বন অধিদফতরের বন্যপ্রাণী অপরাধ দমন ইউনিট। বৃহস্পতিবার (১১ আগস্ট) রাজধানীর স্টার সিনেপ্লেক্সে দুপুর ২টার শো-তে সিনেমাটি দেখেছেন তারা।

শো শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়েছেন বন্যপ্রাণী অপরাধ দমন ইউনিটের সদস্যরা। বন অধিদফতরের ওয়াইল্ডলাইফ ইন্সপেক্টর অসীম মল্লিক বলেন, ‘সিনেমাটি আমরা দেখেছি। এখানে একটি শালিক পাখি দেখানো হয়েছে। কিন্তু যেটা খাওয়া হয়েছে সেটি আসলে শালিক পাখির মাংস কি না, তার তদন্ত প্রতিবেদন অধিদফতরে পাঠাব। এটি সত্যিকারের পাখি। বণ্যপ্রাণী সংরক্ষণ নিরাপত্তা আইন এখানে লঙ্ঘন হয়েছে।’

সিনেমাটির অনুমতি দিয়ে সেন্সর বোর্ড বণ্যপ্রাণী সংরক্ষণ আইন ভঙ্গ করেছেন কি না–এমন প্রশ্নের উত্তরে বণ্যপ্রাণী অপরাধ দমন অধিদফতরের বণ্যপ্রাণী সংরক্ষণ কর্মকর্তা রথিন্দ্রকুমার বিশ্বাস বলেন, সেন্সর বোর্ড কী করেছে সেটা আমাদের কর্তৃপক্ষ বুঝবে। আমরা সিনমাটি দেখে আমাদের কর্তৃপক্ষের কাছে প্রতিবেদন দাখিল করব। তারপর ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

এদিকে অভিযোগের বিষয়ে জানতে যোগাযোগ করা হয়েছিল সিনেমাটির পরিচালক মেজবাউর রহমান সুমনের সঙ্গে। মুঠোফোনে সময় সংবাদকে তিনি বলেন, ‘আমি এখনো কোনো অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে আমি অবশ্যই কথা বলব। এটা নিয়ে আর কিছু বলতে চাই না।’

বণ্যপ্রাণী সংরক্ষণ আইনের ৩৮(১) ধারায় বলা আছে, কোনো ব্যক্তি তফসিল ১ ও ২-এ উল্লিখিত কোনো পাখি বা পরিযায়ী পাখি হত্যা করলে তিনি অপরাধ করেছেন বলে গণ্য হবে। এ অপরাধের জন্য সর্বোচ্চ ১ বছর কারাদণ্ড অথবা সর্বোচ্চ ১ লাখ টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ড অথবা উভয় দণ্ড হতে পারে।

এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

Leave a Reply

প্রতিবেদক

সর্বশেষ সংবাদ