হাসপাতালে অর্ধেকের বেশি করোনা রোগী গ্রামের: স্বাস্থ্যের ডিজি

কোভিড-১৯ মহামারি গ্রামাঞ্চলে ছড়িয়ে পড়েছে। করোনায় আক্রান্ত হয়ে বিভিন্ন হাসপাতালে যেসব রোগী ভর্তি আছেন তাদের অর্ধেকের বেশি গ্রামাঞ্চলের। এসব রোগীদের বেশিরভাগই রোগের তীব্রতা বেড়ে যাওয়ার পর হাসপাতালে এসেছেন।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (ডিজি) আবুল বাসার মোহাম্মদ খুরশীদ আলম এ তথ্য জানিয়েছেন।

সোমবার সকালে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অনুষ্ঠিত এক সভা শেষে উপস্থিত সাংবাদিকদের আবুল বাসার মোহাম্মদ খুরশীদ আলম এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, আমরা রোববার ৪৫টি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্মকর্তা ও চিকিৎসকদের সঙ্গে দীর্ঘ তিন ঘণ্টার বেশি কথা বলেছি। তারা বলেছেন, রোগীর অধিকাংশের বেশি গ্রামের। রোগীরা হাসপাতালে আসছেন রোগে আক্রান্ত হওয়ার বেশ পরে, যখন পরিস্থিতি অনেক খারাপ হয়ে পড়ছে।

মহাপরিচালক আরও বলেন, এখন বর্ষা মৌসুম। অনেকেই করোনাভাইরাসে সংক্রমিত হলেও সাধারণ সর্দি–জ্বর বা কাশিতে আক্রান্ত বলে ধরে নিচ্ছেন। পরীক্ষা করাচ্ছেন না বা চিকিৎসকের পরামর্শ নিচ্ছেন না। তিনি আরও বলেন, ‘মাঠপর্যায়ের স্বাস্থ্যকর্মীদের গ্রামে গ্রামে মাইকিং করার পরামর্শ দিয়েছি। বাড়ি বাড়ি রোগীর খোঁজ রাখতে বলেছি।’

প্রসঙ্গত, দেশে করোনা সংক্রমণের দ্বিতীয় ঢেউ চলছে। করোনাভাইরাসের আক্রান্ত হয়ে দেশে রেকর্ড ১৫৩ জনের মৃত্যুর খবর রোববার দিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। এ নিয়ে করোনায় মৃত্যু সংখ্যা দাঁড়ালো ১৫ হাজার ৬৫ জন।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন শনাক্ত হয়েছে ৮ হাজার ৬৬১ জন। এ পর্যন্ত মোট শনাক্ত হয়েছে ৯ লাখ ৪৪ হাজার ৯১৭ জন।

এ নিয়ে দেশে টানা ৮ দিন শতাধিক ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে। এর আগে শনিবার করোনায় প্রাণ হারান ১৩৪ জন।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ২৪ ঘণ্টায় নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে ২৯ হাজার ৩১৫ জনের। পরীক্ষা করা হয়েছে ২৯ হাজার ৮৭৯টি। নমুনা পরীক্ষার তুলনায় শনাক্তের হার ২৮ দশমিক ৯৯ শতাংশ। দেশে এ পর্যন্ত মোট নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে ৬৭ লাখ ২৩ হাজার ৫৬০টি। মোট পরীক্ষার তুলনায় শনাক্তের হার ১৪ দশমিক ০৫ শতাংশ।

এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

Leave a Reply

প্রতিবেদক

সর্বশেষ সংবাদ