Homeআন্তর্জাতিকশরিকদের দর-কষাকষিতে চাপে বিজেপি!

শরিকদের দর-কষাকষিতে চাপে বিজেপি!

ভারতে তৃতীয়বারের মতো সরকার গঠন করতে যাচ্ছে বিজেপি নেতৃত্বাধীন এনডিএ জোট। তবে শরিকদের দাবি-দাওয়া পূরণে এবার বেশ বেগ পেতে হচ্ছে বিজেপিকে। সরকারকে সমর্থনের বিনিময়ে একগুচ্ছ দাবি-দাওয়া পেশ করেছেন এনডিএ জোটের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দুই শরিক নীতিশ কুমার ও চন্দ্রবাবু নাইডু।

শনিবার (৮ জুন) ভারতের নতুন সরকারের শপথ গ্রহণের কথা রয়েছে। প্রধানমন্ত্রী হিসেবে আবারও দেখা যাবে বিজেপির নরেন্দ্র মোদিকে। এরইমধ্যে প্রস্তুতি শুরু হয়েছে। তবে, এনডিএ জোটের শরিকদের দর-কষাকষিতে চাপে রয়েছে গেরুয়া শিবির।

ভারতীয় গণমাধ্যমগুলো বলছে, বুধবার দিল্লিতে শরিকদের সঙ্গে বৈঠক করেছে বিজেপির শীর্ষ নেতারা। এই বৈঠকেই শরিকরা মোদি অমিত শাহর কাছে নিজেদের দাবিদাওয়া পেশ করেছে।

সরকারকে সমর্থনের বিনিময়ে এক গুচ্ছ দাবি করেছে এনডিএ জোটের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দুই শরিক বিহারের নীতিশ কুমারের জনতা দল ইউনাইটেড ও অন্ধ্রপ্রদেশের তেলেগু দেশম পার্টির চন্দ্রবাবু নাইডু।

এনডিটিভি বলছে, ভোটের আগে নীতিশের সঙ্গে বিজেপির যে সমঝোতা হয়েছিল, তাতে এনডিএ ক্ষমতায় এলে নীতিশকে তিনটি পূর্ণমন্ত্রীর পদ দেয়ার আশ্বাস দেয়া হয়। তবে নির্বাচনের পর সংখ্যাগরিষ্ঠতার অভাবে হাঁসফাঁস করা বিজেপির কাছে চারটি পূর্ণমন্ত্রীর পদ চেয়েছেন নীতিশ। যার মধ্যে রয়েছে, রেল, গ্রাম উন্নয়ন, পানিসম্পদের মতো মন্ত্রণালয়। একইসঙ্গে রাজ্যের জন্য বিশেষ আর্থিক প্যাকেজের দাবি করেছেন নীতিশ।

অন্যদিকে, চন্দ্রবাবু নাইডুও তিনটি পূর্ণমন্ত্রী ও দুটি প্রতিমন্ত্রীর পদ চেয়ে তদবির করেছেন। নীতিশের মতোই পানিসম্পদ ও গ্রাম উন্নয়ন মন্ত্রণালয়ে নিজেদের এমপিদের দেখতে চাইছেন তিনি। শুধু তাই নয়, স্পিকার পদও দাবি করেছেন চন্দ্রবাবু। এছাড়া অন্ধ্রপ্রদেশের সব দেনা পরিশোধে আর্থিক প্যাকেজের দাবিও জানিয়েছেন নাইডু।

বড় এই দুই দল বাদেও ছোট দলের মধ্যে বিহারের চিরাগ পাসোয়ানের দল একটি পূর্ণ ও একটি প্রতিমন্ত্রী পদ দাবি করেছে। ওই রাজ্যেই একটি আসন পেয়েছে জিতনরাম মাঁঝির হাম। তাদেরও দাবি, একটি পূর্ণমন্ত্রীর পদ। মহারাষ্ট্রে সাতটি আসন পেয়েছে একনাথ শিন্দের শিবসেনা। তারাও একজন পূর্ণ ও একজন প্রতিমন্ত্রীর দাবি জানিয়েছে। এছাড়াও মন্ত্রিত্ব পেতে মুখিয়ে রয়েছে উত্তরপ্রদেশের আরএলডি, আপনা দল, জেডিএস।

গত দুই মেয়াদে বিজেপিকে এমন পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হয়নি। পরিস্থিতির কারণে এখন ছোট দলের দাবি মানা ছাড়া রাস্তা নেই বিজেপির। কারণ দাবি না মানা হলে সরকারের সংখ্যাগরিষ্ঠতা হারানোর ভয় রয়েছে।

সর্বশেষ খবর