বৃহস্পতিবার, জুন ১, ২০২৩

বাণিজ্য মেলায় তুর্কি ঝাড়বাতি-কার্পেটের স্টলে ভিড় বেশি

Date:

এ সম্পর্কিত পোস্ট

আর্জেন্টিনার পর জিতে চলেছে ম্যারাডোনার ক্লাবগুলোও

২০২০ সালে পৃথিবীর মায়া কাটিয়ে ওপারে পাড়ি জমিয়েছেন ফুটবল...

আর্জেন্টিনায় বিশ্বকাপ খেলতে গিয়ে বর্ণবাদের শিকার ব্রাজিলিয়ান ফুটবলার

দিন কয়েক আগেই ভিনিসিউস জুনিয়রের প্রতি বর্ণবাদী আচরণ নিয়ে...

মার্টিনেজকে আনতে তৎপরতা শুরু করেছে বিকাশ

বিশ্বকাপজয়ী গোলরক্ষক এমিলিয়ানো মার্টিনেজকে আনতে তৎপরতা শুরু করেছে বিকাশ।...

ধোনির কাছে হারায় আফসোস নেই পান্ডিয়ার

আইপিএল ইতিহাসে সম্ভবত সেরা ফাইনাল উপভোগ করেছে দর্শকরা। শেষ...

চীনে তরুণদের বেকারত্বে রেকর্ড

বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম অর্থনীতির দেশ চীনে বেকারত্ব বেড়ে গেছে।...

ছুটির দিনে বাণিজ্য মেলায় দর্শনার্থীর বেশ সমাগম বাড়ে। ঝাড়বাতি-কার্পেটসহ ঘর সাজানোর উপকরণ আর গয়নার বিদেশি স্টল-প্যাভিলিয়নে ক্রেতাদের ভিড় বেশি। তবে প্রথম দিন থেকেই বিক্রি ও প্রচারণা বাড়াতে প্রতিষ্ঠানগুলো দিচ্ছে মূল্যছাড়।

বরাবরই ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলার বিশেষ আকর্ষণে থাকে তুরস্কের বাতিঘর। বাহারি রঙের আলোকসজ্জায় ঘর সাজাতে এ প্যাভিলিয়নটিতে দেখা যায় দৃষ্টিনন্দন সব ঝাড়বাতি, যা বহন করে তুর্কি ঐতিহ্য ও সংস্কৃতি। মেলায় এসে দৃষ্টিনন্দন এসব বাতি কিনলে মিলছে ২৫ শতাংশ পর্যন্ত মূল্যছাড়।

এক ক্রেতা বলেন, তুর্কি এ ঝাড়বাতিগুলো বেশ দৃষ্টিনন্দন। এগুলো দেখতে সুন্দর। ঘরকে আলোকিত করে। এ ছাড়া দামটাও নাগালে রয়েছে।

আরেকজন ক্রেতা বলেন, যারা ঘর সাজাতে বেশ পছন্দ করেন তারা তুর্কি ঝাড়বাতি ও ঘর সাজানোর জিনিসগুলো সংগ্রহ করতে পছন্দ করেন। সুতরাং এতে মানুষের রুচি বোঝা যায়।

এ ছাড়া এ প্যাভিলন থেকে নজরকাড়া অঙ্গসজ্জার অলংকার কিনতেও ক্রেতাদের আগ্রহ চোখে পড়ার মতো। নিজের সঙ্গে মানানসই যাচাই-বাছাই করা পণ্যের মান নিয়েও সন্তুষ্ট তারা।

এক নারী ক্রেতা বলেন, এখানের পণ্যগুলো বেশ ভালো লেগেছে। অনেক সুন্দর সুন্দর জিনিস রয়েছে। এখানের পণ্যগুলো তুর্কি রুপার তৈরি। যদি তাদের কোনো পণ্য পছন্দ হয়, তারা আবার মূল্যছাড়ে দিয়ে দিচ্ছেন।
 
প্যাভিলিয়নটির বিক্রয় প্রতিনিধি জানান, আমরা তুরস্কের পণ্য নিয়ে এসেছি। সবকিছুই হাতে তৈরি করা হয়েছে। এ ছাড়া আমাদের পণ্যে ২৫ শতাংশ মূল্যছাড় দেয়া হচ্ছে।

এদিকে চোখজুড়ানো বিদেশি কার্পেটের দোকানেও রয়েছে রুচিশীল মানুষের আনাগোনা, যারা নিজেদের ঘরকে সাজিয়ে করতে চান অন্যদের থেকে একটু আলাদা। এখানেও রয়েছে বিশেষ মূল্যছাড়।

এক কার্পেট ক্রেতা বলেন, এখানে অনেক ধরনের কার্পেট পাওয়া যাচ্ছে। এর মধ্যে আবার কিছু কার্পেট হাতে বানানো, সেগুলো বেশি ভালো লেগেছে। কার্পেট মানুষের ঘরের সৌন্দর্য বাড়িয়ে দেয়। রুচিশীল মানুষ এগুলো বেশ পছন্দ করেন। তাই ঘর সাজাতে কার্পেট কিনছি।

প্যাভিলনটির বিক্রয়প্রতিনিধি বলেন, আমাদের এখানে সব ধরনের কালেক্টশন পাবেন। এগুলো অরিজিনাল তুর্কি কার্পেট। হাতে বানানো কার্পেট ছাড়াও এখানে মেশিনে তৈরি করা কার্পেট পাওয়া যাচ্ছে। এখানে সব সাইজের কার্পেট পাওয়া যাচ্ছে। দাম পড়বে ৬ হাজার থেকে দেড় লাখ টাকা।

মেলায় সাড়া পাওয়ার বিষয়ে এই বিক্রয় প্রতিনিধি বলে, আমরা যে ধরনের সাড়া পাচ্ছি এবং যে ধরনের ক্রেতা আসছেন, এতে মনে হচ্ছে যে এবারের মেলা জমজমাট হবে।

দিন যত গড়াবে বাজার ধরতে এসব পণ্য সম্ভারেও আসবে বৈচিত্র্যময়তা- এমনটাই জানালেন বিক্রেতা প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা। 

সর্বশেষ সংবাদ

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here