Home Blog

শেরপুরে সেবা নার্সিং হোমে অব্যবস্থাপনায় একজনের মৃত্যুর অভিযোগ

বগুড়ার শেরপুরে সেবা নার্সিং হোম নামে এক বেসরকারি ক্লিনিকের বিরুদ্ধে অব্যবস্থাপনায় একজন রোগীর মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছে। মৃত চানমিয়া মণ্ডল (৬০) উপজেলার ৪ নং খানপুর ইউনিয়নের ভাণ্ডার কাফুড়া ভদ্রপাড়া গ্রামের বাসিন্দা।

জানা যায়, গত শনিবার (৩১ জুলাই) সকাল ১১ টায় শেরপুর পৌর শহরের জগন্নাথ পাড়াস্থ, সেবা নার্সিং হোমে চিকিৎসার জন্য ভর্তি হন। পরে ক্লিনিকের ব্যবস্থাপক ডাঃ এস এম শাহ আলী পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে রোগীর পিত্তথলীতে পাথর হয়েছে বলে জানান। সেই দিন আনুমানিক বিকাল ৫ টায় তাকে অপারেশন থিয়েটারে নেওয়া হয়। অপরাশেন শেষে রোগীকে ওয়ার্ডে স্থানান্তর করলে ধিরে ধিরে তার অবস্থার অবনতি ঘটে। এর পর রাত দেড়টায় তার মৃত্যু হয়। তার মৃত্যুতে অব্যবস্থাপনার অভিযোগে স্বজনেরা হৈ চৈ করলে উত্তপ্ত পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। তৎক্ষণাত ঘটনাস্থলে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

এবিষয়ে মৃতের ছেলে মঞ্জুরুল ইসলাম জানান, তার বাবার হার্টের সমস্যা জনিত রোগে ভুগছিলেন। এ কথা তারা ডাক্তারকে জানিয়েছেন। কিন্তু ডাক্তার তাদের কথা আমলে না নিয়ে, কোন সমস্যা নেই বলে অপারেশনের সিদ্ধান্ত নেন। অপারেশনের সময় কোন এনেস্থিয়াসিস্ট ও বিশেষজ্ঞ সার্জন ছিল না। নার্সিং হোমের মালিক ডাঃ শাহ আলী ও দুইজন নার্স মিলে অপরেশন করেন। ফলে অদক্ষতা ও অবহেলা জনিত কারেণই তার বাবার মৃত্যু হয়েছে। তিনি এই ঘটনার বিচার দাবি করেন।

এব্যাপারে সেবা নার্সিং হোমের মালিক ডাঃ এস এম শাহ আলীর সাথে একাধিকবার কথা বলার চেষ্টা করা হলেও তার সাথে সাক্ষাৎ করা সম্ভব হয়নি।

রোগীর মৃত্যুর ব্যাপারে জানতে চাইলে শেরপুর থানার অফিসার ইনচার্জ শহিদুল ইসলাম বলেন, আমাদের কাছে এখনও কেউ লিখিত বা মৌখিক কোন অভিযোগ করে নাই। অভিযোগ পেলে তদ্ন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

উল্লেখ্য সেবা নার্সিং হোম দীর্ঘ দিন থেকে তাদের কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। কিন্তু জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয় সূত্রে জানাযায়, গত ২০১৮ সালের পরে তাদের নিবন্ধনের মেয়াদ উর্ত্তীণ হলেও, এখনও তারা নবায়ন করেননি। এছাড়াও বেসরকারী ক্লিনিক পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় সংখ্যক বিশেষজ্ঞ ডাক্তার, এনেস্থিয়াসিস্ট, নার্স ও চিকিৎসার সরঞ্জামাদীর অভাব রয়েছে বলে জানা গেছে।

এবিষয়ে জেলা ডেপুটি সিভিল সার্জন ডাঃ মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, প্রতিটি বেসরকারি হাসপাতাল ও ক্লিনিক পরিচালনার কিছু সুনির্দিষ্ট নিয়ম নীতি রয়েছে। তার বাইরে কেউ যদি কোন ক্লিনিক-হাসপাতাল পরিচলনা করেন তা অবশ্যই অবৈধ। সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পেলে আমরা ব্যবস্থা গ্রহণ করবো।

ক্লিনিক গুলোর অব্যবস্থাপনার কথা উল্লেখ করে শেরপুর নাগরিক স্বার্থ সংরক্ষণ কমিটির সভাপতি মুনসীসাইফুল বারী ডাবলু ও সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন)-এর শেরপুর উপজেলার সাধারণ সম্পাদক শফিকুল ইসলাম বলেন, শেরপুরের অধিকাংশ ক্লিনিকগুলো সরকারি বিধি মালার তোয়াক্কা করছে না। ফলে একদিকে যেমন নাগরিকরা সুচিকিৎসা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে, অনেক ক্ষেত্রে রোগীর মৃত্যু পর্যন্ত ঘটছে। তারা এবিষয়ে কর্তৃপক্ষের নজরদারী বৃদ্ধি ও দোষীদের শাস্তির দাবি করেন।

চীন জুড়ে করোনার নতুন ধরন বিস্তার নিয়ে গভীর উদ্বেগ

চীনে নতুন করে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ বিভিন্ন শহরে ছড়িয়ে পড়ার পর সেখানে গভীর উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। মারাত্মক সংক্রামক ডেল্টা ভ্যারিয়েন্টের তিনশ’র বেশি সংক্রমণ গত দশ দিনে শনাক্ত করা হয়েছে।

চীনের যে নগরী হতে করোনাভাইরাস প্রথম ছড়িয়েছিল, সেই উহান নগরীতে ডেল্টা ভ্যারিয়েন্টের সংক্রমণ ধরা পড়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন চীনের স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ। তারা বলছেন, উহানে মোট সাতজনের সংক্রমণ শনাক্ত করা হয়েছে।

এই ডেল্টা ভ্যারিয়েন্টের কারণে চীন খুব ঝুঁকির মধ্যে আছে কীনা তা নিয়ে স্থানীয় গণমাধ্যমে এখন আশংকা প্রকাশ করা হচ্ছে।

চীনের গণমাধ্যমে এখন এই করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবই শিরোনাম দখল করে আছে। দেশটির শীর্ষস্থানীয় একজন বিশেষজ্ঞ বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।

করোনাভাইরাসের বিস্তার ঠেকাতে সরকার বিভিন্ন শহরে নতুন করে ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে এবং কোটি কোটি মানুষকে পরীক্ষা করা হচ্ছে।

চীনে কত মানুষ পুরোপুরি টিকা পেয়েছে তা স্পষ্ট নয়, তবে চীনা কর্তৃপক্ষ দাবি করেন, এ পর্যন্ত ১৬০ কোটি ডোজ টিকা দেয়া হয়েছে।

এখন চীনের মোট ১৫টি প্রদেশ এবং পৌর এলাকায় কোভিডের সংক্রমণ শনাক্ত করা হয়েছে। এর মধ্যে ১২টি এলাকার সংক্রমণই চীনের পূর্বাঞ্চলীয় জিয়াংশু প্রদেশের নানজিং এর সঙ্গে সম্পর্কিত বলে মনে করা হচ্ছে।

চীনে নতুন করে করোনাভাইরাস ছড়িয়ে পড়ার জন্য কর্তৃপক্ষ ডেল্টা ভ্যারিয়েন্ট এবং সেখানকার পর্যটন মৌসুমকে দায়ী করছে।

চীনে শনাক্ত হওয়া সংক্রমণ অন্যান্য দেশের তুলনায় এখনো বেশ কম। কিন্তু গত বছর প্রথম সেদেশে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ সফলভাবে নিয়ন্ত্রণে আনার পর এই প্রথম এত বেশি সংখ্যায় এবং এত বেশি এলাকায় সংক্রমণ শনাক্ত করা হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।

এই দফায় প্রথম কোভিডের সংক্রমণ ধরা পড়েছিল নানজিং বিমানবন্দরে। রাশিয়া থেকে আসা একটি উড়োজাহাজ পরিস্কারের কাজ করেছিলেন যে পরিচ্ছন্নতা কর্মীরা, তারাই প্রথম আক্রান্ত হন।

এরপরই চীনা কর্তৃপক্ষ অতিদ্রুত শহরটির ৯২ লাখ মানুষের সবাইকে পরীক্ষা করেন এবং স্থানীয়ভাবে লকডাউন জারি করেন। কিন্তু এই সপ্তাহান্তে চীনের হুনান প্রদেশের জাংজিয়াজি শহরে বেশ কিছু সংক্রমণ ধরা পড়ে।


আরও পড়ুন>>


মনে করা হয়, নানজিং এর কিছু মানুষ সেখানে গিয়েছিলেন এবং তাদের মাধ্যমেই সেখানে ভাইরাসটি ছড়িয়েছে।

স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা এখন শহরের একটি থিয়েটারে যে প্রায় পাঁচ হাজার মানুষ গিয়েছিলেন, তাদের সবাইকে খুঁজে বের করার চেষ্টা করছেন। একটি রিপোর্টে বলা হচ্ছে, এই থিয়েটারে একদিনের প্রদর্শনীতেই প্রায় দুই হাজার মানুষ যোগ দিয়েছিলেন।

স্থানীয় গণমাধ্যমের খবরে বলা হচ্ছে, নগরীর আকর্ষণীয় স্থানগুলো বন্ধ করে দেয়া হয়েছে এবং পর্যটকদের নগরী ছাড়ার আগে কোভিড টেস্ট করতে বলা হয়েছে।

জাংজিয়াজি নগরীকে এখন চীনের করোনাভাইরাসের নতুন ‘গ্রাউন্ড জিরো’ বলে বর্ণনা করেছেন চীনের শীর্ষ এক বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক ঝং নানশান।

নতুন দফা করোনাভাইরাসের সংক্রমণ এখন বেইজিং পর্যন্ত পৌঁছেছে। সেখানে স্থানীয়ভাবেও কিছু সংক্রমণ ঘটেছে।

যেসব এলাকায় করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ধরা পড়েছে, সেসব এলাকার সঙ্গে বেইজিং এর সবধরণের বিমান, বাস এবং অন্যান্য ভ্রমণের পথ বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। রাজধানীতে সব ধরনের পর্যটকদের বেইজিং এ ঢোকা নিষিদ্ধ করা হয়েছে। কেবল মাত্র জরুরি কাজের বেলাতেই কোভিড টেস্ট নেগেটিভ হলে শহরে ঢুকতে দেয়া হচ্ছে।

উত্তরের হুনান প্রদেশের জাংজু শহরেও সংক্রমণ ঠেকাতে জোর চেষ্টা চলছে। এই শহরে মারাত্মক বন্যার পাশাপাশি করোনাভাইরাসও ছড়িয়েছে।

চীনের গ্লোবাল টাইমস পত্রিকায় এবারের সংক্রমণকে উহানের পর সবচেয়ে মারাত্মক বলে বর্ণনা করা হচ্ছে। এক পৃথক সম্পাদকীয়কে এ পত্রিকায় বলা হয়েছে, কোভিড প্রতিরোধের ব্যবস্থায় মারাত্মক ত্রুটি ছিল।

সম্পাদকীয়তে বলা হয়, “কেবল একটি ত্রুটির কারণে যদি দেশজুড়ে এতগুলো প্রদেশ এবং অঞ্চল আক্রান্ত হয়, তাহলে সেটা বেশ উদ্বেগজনক… এ থেকে বোঝা যায় মহামারির বিরুদ্ধে লড়াইয়ে আমাদের যে ধারাবাহিক অগ্রগতি, সেটা আরও জোরদার করতে হবে।”

এই নতুন দফা সংক্রমণের কারণে টিকা নিয়েও প্রশ্ন দেখা দিয়েছে, কারণ টিকা নিয়েছে এমন অনেক মানুষও আক্রান্ত হয়েছে।

চীনে সেন্টার ফর ডিজিজ কন্ট্রোল এন্ড প্রিভেনশনের গবেষক শাও ইমিং সাংবাদিকদের বলেছেন, টিকা নেয়া লোকজনের মধ্যেও সংক্রমণ হতে পারে, এটা প্রত্যাশিত।

চীনে সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত দুটি টিকা হচ্ছে সিনোভ্যাক এবং সিনোফার্মের। বিশ্ব জুড়ে অনেক ক্লিনিকাল পরীক্ষায় এই দুটি টিকা কোভিডের সংক্রমণ ঠেকাতে যথাক্রমে ৫০ শতাংশ এবং ৭৯ শতাংশ কার্যকর বলে দেখা গেছে।

তবে মৃত্যু বা হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার মতো অসুস্থতা ঠেকাতে এই দুটি টিকা খুবই কার্যকর বলে দেখা গেছে। সূত্র: বিবিসি বাংলা

সোনার পাহাড়ে ঊনপঞ্চাশ’য়ালা একজন

ছুটছে সবাই ছুটছে, একেবারে হন্যে হয়ে, পৌঁছাতে হবে যত দ্রুত সম্ভব, কার আগে কে পৌঁছাতে পারে চলছে সেই টেক্কা। কেউ টাকা ধার করে, কেউ ঘরবাড়ি দালানকোটা বন্ধক রেখে না বিকোয়ে, কেউ বা সারা জীবনের সঞ্চয় সাথে নিয়ে, ঘর সংসার বাচ্চাকাচ্চার দায়িত্ব বউয়ের হাতে ছেড়ে, আর তা না পারলে খুব দরকারি সাংসারিক মালামাল আর আন্ডাবাচ্চা ওয়াগনে চাপিয়ে ঘোড়া দাবিয়ে ছুটছে ক্যালিফোর্নিয়ার পথে…।

কেন এই ছুটে চলা? পত্রিকায় খবর এসেছে, হট কেকের মতো বিক্রি হচ্ছে The California Star দৈনিক। গত ২৪’শে জানুয়ারি ১৮৪৮ তারিখে জন সুটার নামের এক ডাচ স্যাক্রমেন্টো ভ্যালীতে (Sacromento Vally) বাড়ির পাশে নিজ জমিতে করাত কল তৈরি করছিল। এ সময় করাত কলের ছুতার জেমস উইলসন মার্শাল পাশের কলোমা নদীর কিনারে অল্প পানিতে চকচকে কিছু একটা দেখতে পায়, পানিতে নেমে সেটা হাতে তুলে নিতেই আরও কয়েকটা টুকরা চোখে পড়ে। সেগুলো তুলে পরিষ্কার পানিতে ভালো করে ধুয়ে কিনারে উঠে এসে যা বুঝল তাতে অজানা কল্পনায় রীতিমতো হাত-পা কাঁপা শুরু হয়ে গেল। দ্রুত ওগুলো নিয়ে গেল মালিক জন সুটারের কাছে, দুজনেই বুঝলো গরিব থাকার দিন শেষ। এবার তারা আর মালিক কর্মচারী রইল না, নিমেষেই হয়ে গেল পার্টনার। দুজনের কথা পাকা হলো খবরটা চেপে রাখতে হবে! কিন্তু তা আর হয়ে ওঠেনি। একান সেকান করে রাতারাতি খবরটা চাওড় হলো সারাদেশে।


আরও পড়ুন>>


সেবছর মধ্য মার্চে খবরটা সান-ফ্রান্সিসকোর পত্রিকা প্রকাশক স্যামুয়েল ব্রাননান কানে পৌঁছল, সে এক ঝানু কারবারি, দ্রুত খুলে বসলো খনির কাজে ব্যবহারি মালামালের স্টোর। আর নিজে শিশিতে কয়েক টুকরা সোনা ভরে নিয়ে তা ভরা রাস্তায় চিৎকার জুড়ে দিল, “গোল্ড গোল্ড গোল্ড, আমেরিকান নদীতে গোল্ড”। তার বেলচা, কড়াই আর ছাকনির কারবার ভালোই জমে উঠল। শুরু হলো, আমেরিকার ইতিহাসের সবচেয়ে বড় Rush “ক্যালিফোর্নিয়া গোল্ড রাশ”। মধ্য জুন নাগাদ সান-ফ্রান্সিসকোর তিন-চতুর্থাংশ লোক হাওয়া, তাদের ঠিকানা হলো ক্যালিফোর্নিয়া। হাজারখানেক লোকের শহর ক্যালিফোর্নিয়া আগস্ট নাগাদ চার হাজারি, বছর শেষে পঁচিশ হাজার লোকের শহর হয়ে গেল।

খবরটা ১৮৪৮ সালের ১৯ আগস্ট, ‘‘নিউইয়র্ক হেরাল্ড”-এ ছাপানো হলে সে ঢেউ সুদুর অস্ট্রেলিয়া-নিউজিল্যান্ড পর্যন্ত পৌঁছাল। আর চায়নাও বাদ পড়ল না। সোনার পাহাড়ের খোঁজে পরের বছর পুরো দুনিয়া থেকে ৪০,০০০ নতুন মুখ যোগ হলো সে এলাকায়। সালটি ১৮৪৯, এইটিন ফোরটি নাইন। তাদের নামও পড়ে গেল Forty Niners /49ers / ফোরটি নাইনার্স !!!

এই ঊনপঞ্চাশ’য়ালা চল্লিশ হাজারির মাঝে আবার ৭০০ দুহিতা। সিঙ্গেল, ম্যারিড, জোড়াভাঙ্গা সবই ছিল সে দলে। কেউ স্বামীর পাশে, কেউ স্বামী খুঁজতে আর বাঁকিরা প্রতিদিন নতুন স্বামী পাওয়ার ধান্দায়…।

বোর্ডিং হাউজ, গেমিং হাউজ বেকারি, রেস্টুরেন্ট, পানশালা, সেলুন, সেলাইঘর ও লন্ড্রির কারবার জমে উঠল ভালোই। তবে ললনাদের চালানো দোকানগুলো একটু বেশিই লাভের মুখ দেখল!! তারপরও “আদমি চাল্লিশ হাজার, আওরাত ছাত শ, এতো বড়ই না-ইনসাফি” গোরা বলে কথা। তাই নিয়ম বিরুদ্ধ অপ্রাকৃত যৌনরীতি গড়ে উঠতে বেশিদিন লাগল না, এক্কেবারে অদল-বদল অফার। সভ্য সমাজে আবার এসব আলোচনা অভদ্রতা, তাই আমিও সাহস করলাম না ওসব ছাই-পাস লিখতে।

বরং Gam Saan (সোনার পাহাড়) খুঁজতে আসা এক চাইনিজের গল্প দিয়েই শেষ করব। সবাই যখন সোনা নিয়ে মাতামাতিতে ব্যস্ত। তখন সে শহরের এক কোণে লন্ড্রি দোকান John John নামের এক নিছক বোকা। কাপড় ধোয়া ইস্ত্রি করা, একদম ফ্রি, অবাক কাণ্ড! যেখানে পাহাড়ের ঢালু বেয়ে নামা নদীতে একটু খুঁড়ে দুচার দলা মাটি কড়াইতে নিয়ে পানি দিয়ে একটু নড়াচড়া করলেই মিলছে সোনার দলা। সেখানে বিনা পয়সায় কাপড় ধোয়া ইস্ত্রি, দিনশেষে লন্ড্রিতে হুমড়ি খেয়ে পড়তো খনি শ্রমিকের দল। গাদা গাদা কাপড় ধুতে রেখে যায়, ভোর হবার আগেই John John সেগুলো ধুয়ে ইস্ত্রি করে একদম রেডি রাখে। কেউ কেউ আবার শাবল বেলচা কড়াইও ফেলে রেখে যায়। John John সেগুলোও ধুয়েমুছে পরিষ্কার করে রাখে। বছর শেষে, সবাই হিসাব কষলো, কার কত লাভ হয়েছে। হাতেগোনা কয়েকজন ছাড়া সবাই দেখল, মোটামুটি আর কিছুদিন কাজ করলে বছরটা ভালোই কেটে যাবে। আর John John ময়লা কাপড়ের পকেট কুড়িয়ে আর বেলচা কড়াই ধুয়ে যা সোনার গুড়া পেয়েছে, তা দিয়ে এতদিন সোনার বার বানিয়ে জমিয়েছে। সেগুলো বেচলে তার নিজের বাকি জীবন তো চলবেই উপরন্তু কয়েক পুরুষ রাজার হালে চলতে পারবে..!!

পাদটিকা: পৌনে দু’শ বছর পরেও দেখতে পাচ্ছি সেই একই স্পেশালাটি
পুনশ্চ: Gan saan- Chinese word

লেখক : হাসান হাফিজুর রহমান, ​ক্রাইম এনালাইসিস, ডিআইজি অফিস, রাজশাহী

সূত্র: বিডি প্রতিদিন

‘শরীরে একটা কাপড়ও নেই…’! ইনস্টা-লাইভে কেন এমন বললেন অভিনেত্রী গহনা?

বর্তমানে শিল্পা শেট্টির জীবনের সমস্যারও কোনও অন্ত নেই। স্বামী পুলিশ হেফাজতে। এক নয়, দু’ বার তাঁর জামিনের আবেদন খারিজ হয়েছে। দম্পতিকে জরিমানা করা হয়েছে। রাজ কুন্দ্রা মামলায় যাঁর নাম বারবার উঠে এসেছে, তিনি হলেন মডেল গহনা বশিষ্ঠ। কিছুদিন আগেই পর্নোগ্রাফি মামলায় জামিনে মুক্ত হন Gehana Vasisth। প্রায় পাঁচ মাস জেল খেটে এসেছেন গহনা। এবার জামা কাপড় না পরেই নগ্ন হয়েই লাইভে এলেন গহনা। ফ্যানেদের জিজ্ঞাসা করলেন, তাঁকে অশ্লীল লাগছে কি না?

রাজের গ্রেফতারির পর বিবৃতি প্রকাশ করছিলেন গহনা। তিনি বলেছিলেন, ‘আইন নিজের পথেই চলবে। মুম্বই পুলিশের উপর সম্পূর্ণ আস্থা রয়েছে। তবে একটাই কথা বলতে চাই, তাঁরা যেন পর্ন-এর সঙ্গে ইরোটিকা বা বোল্ড কনটেন্টকে গুলিয়ে না ফেলেন। আমরা বার বার একটা কথাই বলি, বিশ্বের অন্যতম শ্রেষ্ঠ ফোর্স মুম্বই পুলিশ। আদালতে বিচার হবে কারা সত্যিই দোষী। এও স্পষ্ট হয়ে যাবে কোন কোন অভিযুক্ত পরিস্থিতির শিকার।’


আরও পড়ুন>>


কিন্তু, সম্প্রতি নিজের ইনস্টাগ্রামে নগ্ন হয়ে লাইভে আসেন গহনা। পাশাপাশি তাঁর ফলোয়ার্সদের প্রশ্ন ছুড়ে দেন গহনা। নিজের ইনস্টা প্রোফাইল থেকে লাইভে আসেন গহনা সেখানে ভিডিয়োর ক্যাপশনে তিনি লেখেন, জামা কাপড় না পরে লাইভ করছি। গহনা বলেন,’এই ভিডিয়োতে আমি জামা কাপড় ছাড়া করছি কেউ কিন্তু পর্ন বলেছে না’। গহনা আরও বলেন, ‘কিন্তু যখন আমি পোশাক পরে কিছু করি সেটাকে পর্ন বলা হয়, দু’মুখো মানুষেরা লজ্জা পাও তোমরা’।

এই ভিডিয়োতে গহনা তাঁর অনুরাগীদের সরাসরি প্রশ্ন করেন এই ভিডিয়োতে আমি কিছুই পরিনি আমাকে কি চিপ লাগছে? কিংবা এমন কি মনে হচ্ছে, যেটা দেখে আপনারা এই ভিডিয়োটিকে পর্ন তালিকাভুক্ত করতে পারেন? এই গোটা ঘটনার পর পর্নকাণ্ড নিয়ে গহনা নিজের অবস্থান স্পষ্ট করে বলেন এরকম অনেক ভিডিয়ো রয়েছে যাতে তিনি শরীর ঢাকা পোশাক পরে রয়েছেন, তা দেখেই একদল বলেছেন তিনি নাকি পর্ন শ্যুট করেছেন। তারই প্রতিবাদ করলেন গহনা এভাবে। সূত্র: এই সময়

করোনায় মারা গেলেন গণস্বাস্থ্য হাসপাতালের আইসিইউ প্রধান ডা. নাজিব

করোনায় মারা গেলেন গণস্বাস্থ্য নগর হাসপাতালের আইসিইউ বিভাগের প্রধান চিকিৎসক প্রফেসর ডা. নাজিব মোহাম্মদ (ইন্না লিল্লাহি…রাজিউন)।

সোমবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে করোনাজনিত জটিল নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বাংলাদেশ স্পেশালাইজড হাসপাতালে ইন্তেকাল করেন তিনি।

প্রফেসর নাজিব মোহাম্মদ সৌদি আরব কিং ফয়সল মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে আইসিইউ বিভাগে দীর্ঘদিন চাকুরী করেন। দেশে বিদেশে আইসিইউতে উন্নত ও আধুনিক চিকিৎসা ব্যবস্থায় ব্যাপক অবদান রয়েছে তাঁর।


আরও পড়ুন>>


তাঁর মৃত্যুতে গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করে বলেন, গণস্বাস্থ্য হাসপাতালের আইসিইউ চিকিৎসা উন্নতিতে তাঁর অবদান চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে। তিনি ছিলেন কর্তব্যপরায়ণ, সদা হাস্যজ্জল ও মহৎ মনের অধিকারী।

করোনা টেস্টের ভুল রিপোর্ট; প্রাভা হেলথের কার্যক্রম সাময়িক বন্ধের নির্দেশ

বেসরকারি স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠান প্রাভা হেলথের করোনা পরীক্ষাসহ যাবতীয় কার্যক্রম সাময়িক বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। সোমবার অধিদপ্তরের হাসপাতাল ও ক্লিনিক শাখা থেকে চিঠি দিয়ে তাদের এ নির্দেশনা দেওয়া হয়।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাসপাতাল ও ক্লিনিক শাখার পরিচালক ডা. ফরিদ উদ্দিন বলেন, ‘তাদের বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ থাকায় কার্যক্রম সাময়িক বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়ে চিঠি দেওয়া হয়েছে।’

অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, প্রাভা হেলথের বিরুদ্ধে ভুল রিপোর্ট দেওয়া ছাড়াও আরও কয়েকটি অনিয়ম পাওয়া গেছে। কমিটির সদস্যরা প্রতিষ্ঠান পরিদর্শনের সময় এই অনিয়মগুলো দেখতে পান। এর আগে প্রাভা হেলথ করোনা টেস্টের ভুল রিপোর্ট দিয়েছে এমন অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে তদন্ত শুরু করে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। আর এজন্য একটি তদন্ত টিম গঠন করে অধিদপ্তর। সাবেক আইনমন্ত্রী ব্যারিস্টার শফিক আহমেদের ছেলে মাহফুজ শফিকের অভিযোগ আমলে নিয়ে এই তদন্ত শুরু করে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।


আরও পড়ুন>>


ভুক্তভোগী মাহফুজ শফিক তখন জানান, গত ৭ জুলাই বিকালে তার স্ত্রী ফারজানা রহমান, দুই মেয়ের করোনা পরীক্ষার নমুনা দেওয়া হয়। তার দুইদিন পর ৯ জুলাই তাদের যুক্তরাষ্ট্রে যাওয়ার কথা ছিল। বিদেশগামী যাত্রীদের করোনা পরীক্ষা বাধ্যতামূলক হওয়ায় তারা এই বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে নমুনা দেন। ৭ জুলাই রাতে তার স্ত্রীর ফোনে এসএমএস আসে তিনি করোনায় আক্রান্ত। কিছুক্ষণ পর পৃথক এসএমএসে তাদের দুই মেয়েও পজিটিভ বলে জানানো হয় প্রাভা হেলথের পক্ষ থেকে। এরপর মাহফুজ শফিক গত ৮ জুলাই রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানে (আইইডিসিআর) পরিবারের সবাইসহ মোট ২০ জনের নমুনা দেন। ৯ জুলাই তারা সবাই নেগেটিভ বলে জানানো হয় আইইডিসিআর থেকে।

এই রিপোর্ট ভুলের বিষয় জানিয়ে স্বাস্থ্য অধিপ্তরে অভিযোগ করেছিলেন মাহফুজ শফিক। তার অভিযোগ যাচাইয়ে তদন্ত কমিটি গঠন করেছিল স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। কমিটির তদন্তের ভিত্তিতে আজ ওই বন্ধের সিদ্ধান্ত নেওয়া হলো।

সূত্র: বিডি প্রতিদিন

অবৈধভাবে চাঁদার দাবী; না দেওয়ায় রাস্তায় গাড়ী আটক, পরে থানায় এজহার দায়ের

মাফি মহিউদ্দিন, কিশোরগঞ্জ (নীলফামারী) প্রতিনিধি।।

নীলফামারী জেলাধীন কিশোরগঞ্জ ও তারাগঞ্জ যাওয়ার রাস্তায় কেল্লাবাড়ী নামক বাজারে বালু বোঝাই ট্রাক প্রায় ৪ ঘন্টা আটক করে রাখে কিছু চাঁদাবাজ।

এজহার সূত্রে জানা যায়, যে সরকার কর্তৃক ২০১৮/১৯ অর্থ বছরে পানি উন্নায়ন বোর্ড কর্তৃক নদী খনন প্রকল্পে কিশোরগঞ্জ উপজেলায় ৩৮ টি বালুর পয়েন্ট করে নিলাম বিজ্ঞপ্তি আহবান করে কিশোরগঞ্জ উপজেলা পরিষদ।
সেখান থেকে নিলামে বিক্রি করা বালুর ৩১ নং বালুর লটটি সৈয়দপুর উপজেলার নিয়ামতপুর এলাকার জিয়া এন্টারপ্রাইজের মালিক জিয়াউর রহমান জিয়া, ১ জুন ২০২১ ইং তারিখে সরকারী বিধি মোতাবেক ৯ লক্ষ ৯৮ হাজার ১শত ২৫ টাকা নগত অর্থ বুঝিয়ে দিয়ে ৩১ নং বালুর লট ক্রয় করেন।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার কাছ থেকে নিলামকৃত বালু অপসরনের অনুমুতি নিয়ে তিনি বালু বিক্রি শুরু করেন।
কিন্তু কিছু চাঁদাবাজ অবৈধ ভাবে জিয়া এন্টারপ্রাইজের মালিক জিয়াউর রহমান জিয়ার কাছে চাঁদা দাবী করে। তিনি চাঁদা না দেওয়ায় গত ২৬ জুলাই রাত প্রায় ১২ টার দিকে তার ৩১ নং বালুর পয়েন্টে চাঁদা নেয়ার জন্য ছোড়া, লাঠি নিয়ে প্রায় ২০ জন চাঁদাবাজ সেখানে যায় এবং চাঁদাদাবী করে। তাতেও জিয়া এন্টারপ্রাইজের মালিক জিয়া তাদের কোন চাঁদা দেননি।


আরও পড়ুন>>


তখন চাঁদাবাজের দলটি ২৭ জুলাই কিশোরগঞ্জ ও তারাগঞ্জ যাওয়ার কেল্লাবাড়ী নামক বাজারে বালুর ট্রাক আটক করে প্রায় কয়েক ঘন্টা অতিবাহিত করে। পরে সেখান থেকে জাতীয় হেল্প লাইন ৯৯৯ নাম্বারে ফোন করে।
জাতীয় হেল্প লাইন ৯৯৯ নাম্বারে ফোন করলে কিশোরগঞ্জ থানার দ্বায়িত্বে থাকা এস আই অর্পূর্ব ঘটনা স্থলে গিয়ে ড্রাইভার ও গাড়ীর চাবী উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসেন।

(ক) পতিরাম চন্দ্র (খ) চাঁদখানা ইউনিয়নের জাহান আলীর ছেলে আব্দুল বারেক (গ) স্বপন চন্দ্র মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান স্বামী( ঘ) হাসান আলী (ঙ) রিগান (চ) বাচ্চু (ছ) কহিদুল (জ) শাকিল (ঝ) রাশেদুজ্জামান (ঞ) গুলজার হোসেন রাত্রি ১২ টার সময় ৩১নং বালুর লটে এসে তারা তিন লাখ টাকা চাঁদা দাবী করে ও বিভিন্ন ভয়ভীতি দেখায়। চাঁদা না দিলে তাদের সমস্যা হবে।

তাদের কথায় কোন কর্ণপাত না করে জিয়া এন্টারপ্রাইজের মালিক বালু পরিবহন অব্যাহত রাখেন। তাদের কোন টাকা পয়সা দিতে পাবে না বলে অস্বীকৃতি জানান।

জিয়া এন্টারপ্রাইজের মালিক জিয়াউর রহমান জিয়া দশজনকে আসামী করে কিশোরগঞ্জ থানায় একটি এজহার দায়ের করেন।

এ ব্যাপারে কিশোরগঞ্জ থানার অফিসার ইনর্চাজ আব্দুল আউয়াল বলেন, অভিযোগ পেয়েছি তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

ইউএনও সাবরীন’র অক্সিজেন সিলিন্ডার অনুদান সেচ্ছাসেবী সংগঠনদের

লক্ষ্মীপুরের রায়পুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাবরীন চৌধুরী পারিবারিক অর্থায়নে ,রায়পুর উপজেলার সেচ্ছাসেবী সংগঠন ও ইমার্জেন্সি অক্সিজেন সার্ভিস নিয়ে কাজ করা প্রতিষ্ঠানের মাঝে অক্সিজেন সিলিন্ডার ও আনুসাঙ্গিক যন্ত্রপাতি অনুদান হিসেবে সহযোগিতা করেছেন আজ সোমবার।

ইউএনও সাবরীন চৌধুরী ইতোমধ্যেই রায়পুরে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা, অসচ্ছলদের জন্য মাঠে-ঘাটে সহযোগিতা, জবাবদিহিতা ও সচ্ছতার ভিত্তিতে উপজেলায় নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। তারই ধারাবাহিকতায় রায়পুর উপজেলা সম্মিলিত সেচ্ছাসেবী পরিবারের পক্ষে তুহিন চৌধুরী ও সাবেক যুবলীগ নেতা তারেক আজিজ জনিকে অক্সিজেন সিলিন্ডার দিয়ে সহযোগিতা করেন করোনায় মূমূর্ষ মানুষকে বাঁচাতে এগিয়ে আসায়।

এছাড়াও যুব ও ক্রীড়া উপকমিটির সদস্য মিরাজ মুক্তাদির চৌধুরী অক্সিজেন সিলিন্ডার দিয়ে সহযোগিতা করেছেন।


আরও পড়ুন>>


রায়পুর বাজারের বিশিষ্ট ব্যবসায়ী নবীন ভূইয়া রায়পুর উপজেলা বাসীর জন্য সম্পূর্ণ ফ্রি অক্সিজেন সেবা চালু করেছেন এই করোনাকালীন দুর্যোগ মূহুর্তে করোনায় আক্রান্ত রুগী, বিশেষ করে যারা শ্বাসকষ্টে ভুগছেন তাদের জন্যে অক্সিজেন সিলিন্ডারের ব্যবস্থা করেছেন। করোনায় যেসব রুগীদের শ্বাসকষ্ট বেড়ে অক্সিজেন লেভেল কমে যায়, তারা অনুগ্রহ করে নিন্মের নাম্বারে যোগাযোগ করার অনুরোধ করেছেন 01733019932

অক্সিজেন সিলিন্ডার বিতরন কার্যক্রম পরবর্তী সাংবাদিক দের জানান, করোনায় আক্রান্ত হয়ে বুজতে পেরেছি অক্সিজেন ও মানবিক সহযোগিতা কতটুকু প্রয়োজন। তারই ধারাবাহিকতা আমার পরিবারের পক্ষ থেকে রায়পুর বাসীর সেবার সুবিধার্থে অক্সিজেন সিলিন্ডারগুলো বিতরণ করেছি। সমাজের বৃত্তবানদেরও এগিয়ে আসার আহবান জানান এই সময়ে।

বগুড়ায় সড়ক দুর্ঘটনায় মা-মেয়ে নিহত; বাবা আহত

বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলার চন্ডিহারায় বাসের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী মা ও মেয়ে নিহত এবং বাবা আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

রবিবার রাতে দুর্ঘটনায় নিহতরা হলেন বগুড়ার সোনাতলা উপজেলার বালুয়াহাট এলাকার আলতাব হোসেনের স্ত্রী মিনু বেগম (৪০) এবং তাদের মেয়ে আফরিন (১৭)। এই দুর্ঘটনায় মিনু বেগমের স্বামী আলতাব হোসেন গুরুতর আহত হয়ে স্থানীয় একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে।

বগুড়া রিজিওয়নের হাইওয়ে পুলিশের গোবিন্দগঞ্জ থানার ওসি খায়রুল ইসলাম জানান, আলতাব হোসেন তার স্ত্রী ও মেয়েকে মোটরসাইকেল করে মহাস্থানগড়ের দিকে যাচ্ছিলেন। চন্ডীহারা এলাকায় পৌঁছালে ঢাকাগামী একটি বাস পিছন থেকে তাদের মোটরসাইকেলে ধাক্কা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই মিনু বেগম ও তার মেয়ে আফরিন মারা যায়।


আরও পড়ুন>>


পরে আহত অবস্থায় আলতাব হোসেনকে স্থানীয়রা উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করে দেয়। আলতাবের স্ত্রী ও মেয়ের লাশ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

করোনা নিয়ে সরকার মিথ্যা তথ্য দিচ্ছে : ফখরুল

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর অভিযোগ করে বলেছেন, “করোনায় আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা নিয়ে সরকার জাতিকে মিথ্যা তথ্য দিচ্ছে। তাদের হিসাবে দেখা যাচ্ছে, ১২ লাখ ৬৪ হাজার ৩২৮ জন রবিবার পর্যন্ত শনাক্ত হয়েছেন, এটা একদম ডাহা মিথ্যা কথা। তারা (সরকার) বলছে, আক্রান্ত হয়ে এখন পর্যন্ত ২০ হাজার ৯১৪ জন মারা গেছেন। আমরা চ্যালেঞ্জ করে বলতে পারি, পত্রিকাতেই আছে, বাড়িতে মৃত্যুর সংখ্যা হচ্ছে ৬৫ ভাগ। তাহলে চিন্তা করেন। এই ২০ হাজার ৯১৪ জনের সঙ্গে ৬৫ ভাগ যোগ করেন। তাহলে এই সংখ্যা এক লাখের নিচে কখনোই না।’

আজ সোমবার লালমনিরহাট বিএনপির উদ্যোগে জেলার কোভিড-১৯ হেল্প সেন্টারের উদ্বোধন এবং করোনা সংক্রমণে ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তা প্রদানে অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি যোগ দিয়ে এসব অভিযোগ করেন তিনি।


আরও পড়ুন>>


মির্জা ফখরুল বলেন, ‘করোনা নিয়ে সরকারের নানা অসঙ্গতির কথাটা আমরা বার বার বলে আসছি। আপনি যদি প্রকৃত তথ্য না পান, সমাধান করবে কী করে? সুতরাং, আপনি প্রথমেই ভুল করছেন এবং সেটা জেনেশুনে ভুল করছেন। আজকে দুর্ভাগ্যজনকভাবে সরকার জনগণের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে, জনগণের সঙ্গে প্রতারণা করছে— এটা কোনও দায়িত্বশীল সরকার করতে পারে না।’

তিনি বলেন, ‘মানুষজন টেস্টই তো করতে পারছে না। তারা উপজেলা পর্যায়ে টেস্ট দেন না। জেলা পর্যায়ে টেস্ট দেয়, সেখানে গিয়েও মানুষ টেস্ট করাতে পারে না। ঢাকায় যে পরীক্ষার কেন্দ্রগুলো আছে, সেখানেও দুই ঘণ্টা টেস্ট করা হয় বাকি আর হয় না। এখানেই কিন্তু স্ক্রিন আউট করে দিচ্ছে।’

Bengali Bengali English English German German Italian Italian